পাতা:কাশীদাসী মহাভারত.djvu/৮০৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


aమూ - বামোর্জ ক্রমত চৰ্ম্ম গদাবরদখড়গিনং ॥ [ यशंखाब्रङ। অশ্ব পিছে ধনঞ্জয় করেন প্রয়াণ । বাজায় দামামা'তেরি খমক নিশান -a তবে কৃষ্ণ কছিলেন ভীম মহাৰীরে । অৰ্জ্জুনের সঙ্গে যাও অশ্ব রাখিবারে । প্রদ্যুম্নকে ডাকিয়া বলিল নারায়ণ । অশ্ব রাখিবারে পুত্র করহ গমন ॥ কৃতবৰ্ম্ম সাত্যকি যতেক ধনুৰ্দ্ধর। গদা শাম্ব সঙ্গে ল’য়ে চলহ সত্বর ৯ রাখিও তুরগ সবে মন্ত্রণা করিয়া । যুঝিও সমর মধ্যে সাবধান হৈয়া ॥ এত বলি প্রত্যেকেরে করিলা বিদায় ।” প্ৰণমিয়া নারায়ণে সব সৈন্য যায় ॥ যুবনাশ্ব অনুশাস্ব স্থবেগ কুমার। অৰ্জ্জুনের সঙ্গে যান অশ্ব রাখিবার ॥ বৃষকেতু বীর আদি কর্ণের নন্দন । অনেকে অশ্বের সঙ্গে করিল গমন ॥ দৈবযোগে তুরঙ্গ চলিল শুভক্ষণে । প্রথমে যজ্ঞের ঘাড়া চলিল দক্ষিণে ॥ বিজয় পাণ্ডব কথা অমৃত লহরী। কাণী কহে শুনিলে তরয়ে ভববারি ॥ নীলধ্বজ রাজার সহিত যুদ্ধ। বৈশম্পায়ন কহেন শুন জন্মেজয় । দক্ষিণ দিকেতে গেল পাণ্ডবের হয় । পশ্চাতে চলিল সৈন্য নানা অস্ত্র ধরি। করিল প্রবেশ গিয়া মাহেশ্বর পুরি ॥ মাহেশ্বরী পুরে রাজা নীলধ্বজ নাম । অস্ত্ৰ শস্ত্র বিশারদ বীর গুণধাম । ধৰ্ম্মেতে পৃথিবী পালে নীলধ্বজ রায় । নানা মুখে আছে প্রজ ক্লশ নাহি পায় ॥ প্রবীর নামেতে তার প্রধান তনয়। যৌবনে হইয়৷ মত্ত নাহি ধৰ্ম্ম ভয় ॥ যুবতী লইয়া সদা কেলি করে জলে । নানা রঙ্গে নানা ভঙ্গে খেলে কুতুহলে । হেনকালে সেই অশ্ব যায় সেই পথে । প্রবীর বনিতা তাহ পাইল দেখিতে । -====== মদন মঞ্জরী নামে প্রবীর বনিতা । স্বামী আগে যোড়হাতে কহে ধীরে কথা ॥ হের দেখ অশ্ব আসে সৰ্ব্বস্বলক্ষণ । ঘোড়ার অঙ্গেতে কত মুকুতা রতন ॥ সোণার নুপুর বাজে অশ্বের চরণে। ভুলিল আমার মন অশ্ব দরশনে ॥ অশ্ব ধরি দেহ মোরে প্রাণের ঈশ্বর । নহিলে মরিব আমি তোমার গোচর ॥ বনিতার বাক্য শুনি রাজার নন্দন । ছুটিয়া ধরিল ঘোড়া, সৰ্ব্ব স্বলক্ষণ ॥ অশ্ব ভালে লিখন পড়িল নৃপস্থত। পড়ি লেখা অহঙ্কার বাড়িল বহুত ॥ অশ্ব ধরি কুমার কহিল নারীগণে । ঘোড়া ল’য়ে তোমরা চলহ নিকেতনে ॥ অশ্বমেধ যজ্ঞ করে রাজা যুধিষ্ঠির । অশ্বেরে রক্ষিতে এল ধনঞ্জয় বার ॥ অহঙ্কারে অশ্বভালে ক’রেছে লিখন । ধরিতে আমার ঘোড়া, আছে কোনজন ॥ যদি কেহ অশ্ব ধরে বিনাশিব তারে । আনিব যজ্ঞের ঘোড়া, হস্তিনানগরে ৷ কদাচিত আমি অশ্ব না দিব পাণ্ডবে । ঘোড়া ন পাইলে আলি সংগ্রাম করিবে ॥ অতএব তোমা সব যাও অন্তপুরে । বান্ধিয়া রাখহ ঘোড়া ল’য়ে পাক ঘরে ॥ হেথা অশ্ব না দেখিয়ু পাণ্ডবেরগণ । নানা অস্ত্র ল’য়ে যায় করিবারে রণ ॥ আগে আসে পার্থ বীর ধনুঃশর হাতে । দেখা হল’ তবে তার প্রবীরের সাথে ॥ জিজ্ঞাসা করেন র্তারে বীর ধনঞ্জয় । ধরিলে যজ্ঞের ঘোড়। মনে নাহি ভয় ॥ অশ্বমেধ যজ্ঞ করিছেন যুধিষ্ঠির । ঘোড়া ধরে পৃথিবীতে আছে কোন বীর । প্রবীর বলিল নাহি কর অহঙ্কার । ঘোড়া ধরি আমি নীলধ্বজের কুমার ॥ বুঝিব তোমার শক্তি পাগুৰ-নন্দন । লইবে কেমনে ঘোড়া করি ভূমি রথ ।