পাতা:কাশীদাসী মহাভারত.djvu/৯০২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ইন্দ্রাণীর ধ্যান—সহস্রাক্ষী গজারূঢ় হেমাভা বজ্রধারিণী। [ মহাভারত। را\صbاسb মেঘবর্ণ নামে গিরি অতি ভয়ঙ্কর । অরোহেণ পাণ্ডুপুত্র তাহার উপর ॥ " ছত্রিশ ঘোজন সেই পৰ্ব্বত প্রসর । অতি অনুপম যেন সুমেরু শিখর ॥ তথায়ু থাকিয় মেঘ বর্যে চারি মাস । নানা শবেদ কোলাহল দেখিলে তরাস ॥ সেইত পৰ্ব্বত রক্ষা করে দেবগণ । পূর্ণচন্দ্র সদ; তথা করে সুশোভন ॥ মেঘগণ অাছে তথা অতি ভয়ঙ্কর । দিবা রাত্র নাহি জানি পৰ্ব্বত উপর ॥ পঞ্চনার বৈদে সুখে স্তবর্ণের পুরে । কিন্নরী জিনিস শোভা করে অলঙ্কারে ॥ যুধিষ্ঠিরে দেখি ব’ল নারী পঞ্চজন । কোথা হৈছে অসিযুছে তুমি বিচক্ষণ ॥ মমুষ্যের শ্রষ্ঠ তুমি বুঝিনু কারণে ; বহু দুঃখ প’ষ্টংছ হেন লয় মনে ॥ নয় কোষ্ট্ৰ কন্য: লৈয়া থাক এই ভূমি । তাপন চচছয় স্বামী করিলাম আমি ॥ আমার দশ দশ আতি রম্য পুরা | তুমি স্বামী হণ্ডলে সেবিব কোটি নারী ॥ দ্বিতীয় স্বগের পে পাচবে হেথায় । রাজ্য কর মত দিন চন্দ্র সূৰ্য্য রয় ॥ কস্তার বচন শুনি ধৰ্ম্মের তনয় । যোড়হাতে কহিছন অতি সবিনয় ॥ সঙ্কল্প কারণু অঃমি সবার সাক্ষাতে । স্বৰ্গপুরী ধাই ল দগিব জগন্নাথে ॥ কলি আগমন হয় ইহার কারণ । স্বগে যুক্ত মগুজ্ঞা দিলেন নারায়ণ ॥ দয়া করি মেরে বর দেহু কন্যাগণ । স্বর্গে গিয়া দেখি যেন বিষ্ণুর চরণ ॥ এত বলি তথা হৈতে করিয়া গমন । উত্তরমুখেতে যান পাণ্ডুর নন্দন ॥ -* বিশাল রাক্ষসী পথ আগুলিয় রহে । বিপুল মনুষ্য দেখি খাইবারে চাহে ॥ ধৰ্ম্ম বলিলেন হের দেখ বৃকোদর। মুখ মেলি খেতে চায় দুষ্ট নিশাচর ॥ ভয় হয় মনে, দেখি মুক্তি ভয়ঙ্কর । চারি ক্রোশ পথ যুড়ি দীর্ঘ কলেবর ॥ কিরূপে যাইব পথে করিল আটক । দীপ্তমান তেজ যেন জলন্ত পাবক । দ্ৰৌপদীর ভয় হৈল রাক্ষসী দেখিয়া । ভয়েতে অৰ্জ্জুন বীরে ধরিল চাপিয় ॥ শঙ্খপাণি নামে মুনি বৈসে সেই বনে । যুধিষ্ঠির জিজ্ঞাসা করেন র্তার স্থানে ॥ শক হেতু রাক্ষসী বাস করে স্বর্গপথে ; সৰ্ব্বকাল আছে, কিম্বা এল কোথা হতে ॥ শুনি মুনি বলিলেন বচন গভীর । রাক্ষসীর বিবরণ শুন যুধিষ্ঠির ॥ চিত্র নামে স্বৰ্গপুরে আছিল অপার । দুৰ্ব্বাস মুনির শাপে হৈল নিশাচরী ॥ ক্ষুধায় না থাকে এই মায়াবী রাক্ষসী । যারে পায় তারে খায় কিবা যোগী ঋষি ঃ তপস্বী সন্ন্যাসী মুনি মৃগ পক্ষী নরে । পাইলে অনিন্দ মনে সবে গ্রাস করে ! ক্ষণেকে অপসরী হ’য়ে স্বরে মন মোহে । নররূপ পক্ষীরূপ ইচ্ছা হয় যাহে । বকাস্থর নামে ছিল রাক্ষস দুরন্ত । তাহার ভগিনী এই শুনহ তদন্ত ॥ শক্তি যদি থাকে, দুটে করহ সংহার ; নহে ধরি নিশাচরী করিবে আহার ॥ এত শুনি বৃকোদর হৈল আগুয়ান । দম্ভ করি কহিল রাক্ষসী বিদ্যমান ॥ বকাস্থর নামে যেই তোর জ্যেষ্ঠ ভাই । তারে মারিয়াছি আমি তোরে না ডরাই ॥ হেনকালে সেই পথে ভীষণী রাক্ষসী । মুখ মেলি পৰ্ব্বত-শিখরে আছে বসি ॥ স্বৰ্গ মর্ত্য যুড়ি কায় অতি ভয়ঙ্কর । বদন দেখিযু ভযু করে দিবাকর ॥ এত বলি মঙ্গক্রোধে বীর বৃকোদর । পৰ্ব্বতের শৃঙ্গ দুই ভাঙ্গিল সত্বর ॥ টান দিয়া একখান মারে রাক্ষসীরে, মুখ মেলি রাক্ষসী গিলিল কোপভরে ।