পাতা:কৃষিতত্ত্ব - নীলকমল লাহিড়ী.pdf/১৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

কৃষিতত্ত্ব । মনুষ্য পশ্বাদি সকল জন্তুরই বিষ্ঠাতে সারা প্ৰস্তুত হইতে পারে। কিন্তু এ দেশে কেবল গোময়েরই সার ব্যবহার হয়। যে সকল মলের দ্বারা সার প্রস্তুত করিবে, তাহা ক্ষেত্রের এক পার্থে গাদা (স্তুপ ) করিয়া রাখিবে, ভালরূপ পচিলে রৌদ্রে ছড়াইয়া দিয়া শুকাইলে চুৰ্ণ করিয়া ক্ষেত্রে দিতে দিবে অথবা বাটীর গোশালার নিকট একটী গৰ্ত্ত করিয়া রাখিবে, প্রতিদিবস সেই গর্তে গোময় ফেলিবে এবং গোশালা হইতে একটী নালা কাটিয়া সেই গৰ্ত্তের সহিত যোগ করিয়া দিবে, গো সকল রাত্ৰিতে প্ৰস্রাব করিলে যেন তাহ গড়িয়া সেই গোময়ের গর্তে পড়িতে পারে, অনু্যন ছয় মাস পরে উহা তুলিয়া সারের কাৰ্য্যে ব্যবহার করিবে, বিষ্ঠা না পচাইয়া কদাচি সারের কাৰ্য্যে ব্যবহার कब्रिद नi, डांच विट्ठेब 6डcड ठेडिन नछे श् । এ সারও অপকৃষ্ট নয়, এবং প্রায় সকল উদ্ভিদের পক্ষেই উপকারী। শস্য কৰ্ত্তন করিয়া আনিলে ক্ষেত্রে যে ভাগ থাকে তাহা মূল সহ পচিয়া সারা হয়, অথবা পোড়াইলেও সারা হয়, পোড়া অপেক্ষা পচা সারই छेड़भ । এ সার ক্ষেত্রের উৎপাদিকা শক্তি বিলক্ষণ রক্ষা করে, ইহাতে অক্লেশে কৃষকের যথেষ্ট উপকার হয় । বাটীর আবর্জনা সকল প্ৰতিদিন একস্থলে ফেলিবে, পরে তাহা পচাইয়া অথবা পোড়াইয়া সারা করিয়া ক্ষেত্রে দিবে। কোন প্রকার ভিজা সার ক্ষেত্রে বা বৃক্ষমূলে দিলে বিশেষ উপকার হয় না। সার শুকাইয়া চুৰ্ণবৎ করিয়া দিলে ক্ষেত্রের সকল স্থানে সমান হুইয়া মিশ্রিত হয়, তাহাতে উপকার অধিক হয়। যে ক্ষেত্রে বা স্থানে উদ্ভিদ জন্মাইবে, তথায় উদ্ভিদের মূল এবং শিকড় মৃত্তিকার নীচে যতদূর প্রবিষ্ট হয়, ততদূর পর্য্যন্ত মৃত্তিকার সহিত সার মিশ্রিত করিবে, তাহার নীচে সার দেওয়াতে কোন ফল হয় না । সর্ষপ, মসিনা, তিল, প্রভৃতি তৈলাক্ত শস্যের খৈল সারের কাৰ্য্যে ব্যবহার হইতে পারে, ইক্ষু এবং পানের ক্ষেত্রের ইহা বিশেষ উপকাৰী । অন্য শস্যের ক্ষেত্রে দিলেও যথেষ্ট উপকার হয়। প্ৰাচীন কৃষকগণ অন্য ক্ষেত্রে ইহা প্রাক্স ব্যবহার করে না। তাহাদিগের ধারণা এই যে একবৎসর দিলে প্রতি বৎসর দিতে হয়, নচেৎ ক্ষেত্রের উৎপাদিকা শক্তি নষ্ট করে এবং এক ক্ষেত্রে