পাতা:কৃষিতত্ত্ব - নীলকমল লাহিড়ী.pdf/৪০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

ওষধীবৰ্গ । “ ওষধ্যঃ ফলপাকান্তা: ৷ ” ফল পাক হইলে যে যে উদ্ভিদ মরিয়া যায়, তাহাদিগকে ওষধী বলে । ধান্যানাং সংগ্রহােরাজমুক্তমঃ সৰ্ব্বসংগ্ৰহাৎ। নিক্ষিপ্তং হি মুখে বঙ্গং ন কুৰ্য্যাৎ প্ৰাণধারণং। আশু । r আশু শ্ৰীহি, প্ৰাবািটকালসমূদ্ভব ধান্য। আউশ, বিতরি, ভাদাই, অথবা চৌমাহ খন্দ। আশু-শীঘ্ৰ পঙ্ক হয় বলিয়া ইহার নাম আশু ধান্য । বপনের সময় হইতে চারি মাসের মধ্যে ফলিত ও পাক হয় । বঙ্গদেশের প্রায় সকল জিলাতেই এই ধান্য উৎপন্ন হয়। কৃষিব্যবসায়ী লোকসকল স্ব স্ব আহারের নিমিত্ত এই ধান্য সর্বদা সঞ্চিত রাখে। বর্ষে বর্ষে যত ব্যয় হয়, তাহার উপযুক্ত ধান্য সঞ্চিত না রাখিয়া বিশেষ বিপদ ভিন্ন কদাচ বিক্রয় করে না । খিয়ার, পলি, দোয়াস, আদি সকল প্রকার মৃত্তিকাতেই আশুদ্ধান্য জন্মিতে পারে, কেবল যে মৃত্তিকাতে মাঘ হইতে চৈত্র মাস পৰ্যন্ত অল্প বা অধিক জল থাকে অথবা মৃত্তিকাতে অধিক রস থাকাতে ভূমি কর্ষণ করা অসাধ্য হয়, সেই খানেই ইহা উৎপন্ন হয় না এবং খিয়ার আদি কঠিন মৃত্তিকাতে বৃষ্টির সাহায্য ভিন্ন ইহার আবাদ হয় না। এই ধান্যের ক্ষেত্রে সার দেওয়া নিতান্ত আবশ্যক। ভূমির স্বাভাবিক উৎপা- দিকাশক্তি থাকিলে অত্যন্ন সার দিলেই হয়,নতুবা প্রয়োজন বিবেচনা করিয়া যে পরিমাণ সার দেওয়া উচিত তাহা দিবে। আশুদ্ধান্যের ভূমিতে সকল প্ৰকার সারই দেওয়া যাইতে পারে, তবে গোময়ের সার বিশেষ উপকারী। এই ধান্য বপন করিবার পূৰ্ব্বে যদি ক্ষেত্রে অন্য শস্য বপন করা না হয়, তবে আষাঢ় ও শ্রাবণ মাসে একবার চাষ করিয়া রাখা কৰ্ত্তব্য । অন্য শস্য কৰ্ত্তনের পর এ ধান্যের বপন নিমিত্ত ভূমি চাষ করিতে হইলে অপেক্ষাকৃত অল্প চাষ করিলে হইতে পারে নতুবা কিছু অধিক চাষ করিতে 枣可1