পাতা:কৃষ্ণচরিত্র.djvu/১৬৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


कको; . . ولهة " "

. अहे লম্ববেত ব্রা" " " ಶ್ಗ इंकरे इश्वरवधमूल ुबञ्चित्क BBBBBS DBB DD u gtDDD ZS মাত্র নাই। মনুষ্যবৃদ্ধিতেই তাহ বুঝিয়াছিলেন,ার্তাহার উক্তিতেই ইহা প্রকাশ। তিনি বলদেরকে বলিতেছেন, “মহাশয়। যিনি এই বিস্তীর্ণ শরাসন আকর্ষণ করিতেছেন ইনিই অৰ্জুন,তাহাতে আর সন্দেহ নাই। আর যিনি বাহুবলে বৃক্ষ উৎপাটনপূর্বক নিৰ্ভয়ে রাজমগুলে প্রবিষ্ট হইতেছেন, ইহার নাম বৃকোদর।” ইত্যাদি। ইহার পরে সাক্ষাং হইলে যখন তাহাকে যুধিষ্ঠির জিজ্ঞাসা করিয়াছিলেন, “কি প্রকারে তুমি আমাদিগকে চিনিলে ?” তাহাতে তিনি উত্তর করিয়াছিলেন, “ভস্মাচ্ছাদিত বহ্নি কি লুকান থাকে ” পাগুবদিগকে সেই ছদ্মবেশে চিনিতে পারা অতি কঠিন ; আর কেহ যে চিনিতে পারে নাই, তাহ বিস্ময়কর নহে; কৃষ্ণ যে চিনিতে পারিয়াছিলেন—স্বাভাবিক মানুষবুদ্ধিতেই চিনিয়াছিলেন—ইহাতে কেবল ইহাই বুঝায় যে, অন্যান্য মনুস্বাপেক্ষ তিনি তীক্ষ্ণবুদ্ধি ছিলেন। মহাভারতকার এ কথাটা কোথাও পরিষ্কার করিয়া বলেন নাই ; কিন্তু কৃষ্ণের কার্য্যে সৰ্ব্বত্র দেখিতে পাই যে, তিনি মনুষ্কবুদ্ধিতে কাৰ্য্য করেন বটে, কিন্তু তিনি সৰ্ব্বাপেক্ষা তীক্ষ্ণবুদ্ধি মনুস্থ । এই বুদ্ধিতে কোথাও ছিদ্র দেখা যায় না। অন্যান্ত বৃত্তির স্থায় তিনি বুদ্ধিতেও আদর্শ মনুষ্য।

অনন্তর অর্জুন লক্ষ্য বিধিলে সমাগত রাঙ্গাদিগের সঙ্গে তাহার বড় বিবাদ বাধিল । অৰ্জ্জুন ভিক্ষুক ব্রাহ্মণবেশধারী। এক জন ভিক্ষুক ব্রাহ্মণ বড় বড় রাজাদিগের মুখের গ্রাস কাড়িয়া লইয়া যাইবে, ইহ। তাহাদিগের সহ হইল না । তাহার। অর্জুনের উপর আক্রমণ করিলেন। যত দূর যুদ্ধ হইয়াছিল, তাহাতে অর্জুনই জয়ী হইয়াছিলেন । এই বিবাদ কৃষ্ণের কথায় নিবারণ হইয়াছিল। মহাভারতে এইটুকু কৃষ্ণের প্রথম কাজ। তিনি কি প্রকারে বিবাদ মিটাইয়াছিলেন, সেই কথাটা বলাই আমাদের উদেশু । বিবাদ মিটাইবার অনেক উপায় ছিল। তিনি নিজে বিখ্যাত বীরপুরুষ, এবং বলদেব, সাত্যকি প্রভৃতি অদ্বিতীয় বীরেরা তাহার সহায় ছিল। অর্জুন তাহার আত্মীয়—পিতৃম্বসার পুত্র। তিনি যাদবদিগকে লইয়া সমরক্ষেত্রে অর্জুনের সাহায্যে নামিলে, তখনই বিবাদ মিটিয়। যাইতে পারিত। ভীম তাহাই করিয়াছিলেন। কিন্তু কৃষ্ণ আদর্শ ধাৰ্ম্মিক, যাহা বিনা যুদ্ধে সম্পন্ন হইতে পারে, তাহার জন্য তিনি কখনও যুদ্ধে প্রবৃত্ত হয়েন নাই। মহাভারতের কোন স্থানেই ইহা নাই যে, কৃষ্ণ ধৰ্ম্মার্থ ভিন্ন অন্ত কারণে যুদ্ধে প্রবৃত্ত হইয়াছেন। আত্মরক্ষার্থ ও পরের রক্ষার্থ যুদ্ধ ধৰ্ম্ম, আত্মরক্ষার্থ বা পরের রক্ষার্থ যুদ্ধ না করা পরম