পাতা:কৃষ্ণচরিত্র.djvu/১৬৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


*. * * ...' .... 恕 • , o - * .. * कङ्कर्ष *७: अथध श्रबिरकन : ¢जो**ौचद्ररदद्र : . بود« 擎 DDDS DDD BBB BBS DDD DBB BB BBB BB DDBBB BBBB BBBDD ৰুরু কখনও অন্ত কারণে যুদ্ধ করেন নাই। শার ধৰ্ম্মস্থাপনজস্ব তাহার যুদ্ধে আপত্তি ছিল না। যেখানে যুদ্ধ ভিন্ন ধর্মের উন্নতি নাই, সেখানেও যুদ্ধ না করাই অধৰ্ম্ম। কেবল কাশীরাম দাস বা কখকঠাকুরদের কথিত মহাভারতে যাহাদের অধিকার, তাহদের বিশ্বাস, কৃষ্ণই সকল যুদ্ধের মূল ; কিন্তু মূল মহাভারত বুদ্ধিপূর্বক পড়িলে এরূপ বিশ্বাস থাকে ন। তখন বুঝিতে পার। ষায় যে, ধৰ্মাৰ্থ ভিন্ন কৃষ্ণ কখনও কাহাকেও যুদ্ধে প্রবৃত্ত্বি দেন নাই। নিজেও ধৰ্ম্মার্থ ভিন্ন যুদ্ধ করেন নাই। - - - - - এখানেও কৃষ্ণ যুদ্ধের কথা মনেও আনিলেন না। তিনি বিবদমান ভূপালবৃন্দকে বলিলেন, “ভূপালবৃন্দ। ইহারাই রাজকুমারীকে ধৰ্ম্মতঃ লাভ করিয়াছিলেন, তোমর ক্ষান্ত হও, আর যুদ্ধে প্রয়োজন নাই।” ‘ধৰ্ম্মতঃ ! ধর্মের কথাটা ত এতক্ষণ কাহারও মনে পড়ে নাই। সেকালের অনেক ক্ষত্রিয় রাজা ধৰ্ম্মভৗত ছিলেন, রুচিপূর্বক কখন অধৰ্ম্মে প্রবৃত্ত হইতেন না। কিন্তু এ সময়ে রাগান্ধ হইয়া ধর্থের কথাটা ভুলিয়া গিয়াছিলেন। কিন্তু যিনি প্রকৃত ধৰ্ম্মাত্মা, ধৰ্ম্মবৃদ্ধিই যাহার জীবনের উদ্দেশু, তিনি এ বিষয়ের ধৰ্ম্ম কোন পক্ষে তাহ ভুলেন নাই। ধৰ্ম্মবিস্মৃতদিগের ধৰ্ম্মস্মরণ করিয়া দেওয়া, ধৰ্ম্মানভিজ্ঞদিগকে ধৰ্ম্ম বুঝাইয় দেওয়াই, তাহার কাজ । ভূপালবৃন্দকে কৃষ্ণ বলিলেন, “ইহারাই রাজকুমারীকে ধৰ্ম্মতঃ লাভ করিয়াছেন, অতএব আর যুদ্ধে প্রয়োজন নাই।” শুনিয়া রাজার নিরস্ত হইলেন। যুদ্ধ ফুরাইল। পাণ্ডবেরা আশ্রমে গেলেন । এক্ষণে ইহা বুঝা যায় যে, যদি এক জন বাজে লোক দৃপ্ত রাজগণকে ধর্শের কথাটা স্মরণ করিয়া দিত, তাহা হইলে দৃপ্ত রাজগণ কখনও যুদ্ধ হইতে বিরত হইতেন না। যিনি ধৰ্ম্মের কথাট। স্মরণ করিয়া দিলেন, তিনি মহাবলশালী এবং গৌরবান্বিত। তিনি জ্ঞান, ধৰ্ম্ম, ও বাহুবলে সকলের প্রধান হইয়াছিলেন। সকল বৃত্তিগুলিই সম্পূর্ণরূপে অনুশীলিত করিয়াছিলেন, তাহারই ফল এই প্রাধান্ত । সকল বৃত্তিগুলি অনুশীলিত না হইলে, কেহই তাদৃশ ফলদায়িনী হয় না। এইরূপ কৃষ্ণচরিত্রের দ্বারা ধৰ্ম্মতত্ব পরিস্ফুট হইতেছে।