পাতা:কৃষ্ণচরিত্র.djvu/২১৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


झङ्कर्ष थ७ : झर्भभ श्राष्ब्क्ष्णि ः भित्तोलब५ *A● সম্ভব। আর পিতৃম্বসার পুত্রকে বধ করা আপাততঃ নিন্দনীয় কাৰ্য্য, কৃষ্ণ পিসীয় খাতির কিছুই করিলেন মা, এ কথাটা উঠিতেও পারিত । সে কথার একটা কৈফিয়ৎ দেওয়া চাই। এ জহু কৃষ্ণের এই উক্তি খুব সঙ্গত । - তার পরেই আবার একট, অনৈসর্গিক কাণ্ড উপস্থিত। শ্ৰীকৃষ্ণ, শিশুপালের বধ DD BBBB BBB BBB BBBB BBB BBD BD BB BBB BB BBB উপস্থিত হইল। তখন কৃষ্ণ চক্রের স্বারা শিশুপালের মাথা কাটিয়া ফেলিঞ্জেল । বোধ করি এ অনৈসর্গিক ব্যাপার কোন পাঠকেই ঐতিহাসিক ঘটনা বলিয়া গ্রহণ করিবেন না । যিনি বলিবেন, কৃষ্ণ ঈশ্বরাবতার, ঈশ্বরে সকলেই সম্ভবে, তাহাকে জিজ্ঞাসা করি, যদি চক্রের স্বারা শিশুপালকে বধ করিতে হইবে, তবে সে জন্য কৃষ্ণের মনুষ্যশরীর ধারণের কি প্রয়োজন ছিল ? চক্র ত চেতনাবিশিষ্ট জীবের স্তায় আজ্ঞামত যাতায়াত করিতে পারে দেখা যাইতেছে, তবে বৈকুণ্ঠ হইতেই বিষ্ণু তাহাকে শিশুপালের শিরশেছদ জন্য পাঠাইতে পারেন নাই কেন ? এ সকল কাজের জন্য মনুষ্য-শরীর গ্রহণের প্রয়োজন কি ? ঈশ্বর কি আপনার নৈসর্গিক নিয়মে বা কেবল ইচ্ছা মাত্র একটা মনুষের মৃত্যু ঘটাইতে পারেন না যে, তজন্ত র্তাহাকে মনুষ্যদেহ ধারণ করিতে হইবে ? এবং মনুষ্য-দেহ ধারণ করিলেও কি তিনি এমনই হীনবল হইবেন যে, স্বীয় মানুষী শক্তিতে একটা মানুষের সঙ্গে আঁাটিয়া উঠিতে পারিবেন না, ঐশী শক্তির দ্বারা দৈব অস্ত্রকে স্মরণ করিয়া আনিতে হইবে ? ঈশ্বর যদি এরূপ অল্পশক্তিমান হন, তবে মানুষের সঙ্গে তাহার তফাৎ বড় অল্প। আমরাও কৃষ্ণের ঈশ্বরত্ব অস্বীকার করি ন!—কিন্তু আমাদের মতে কৃষ্ণ মানুষী শক্তি ভিন্ন অন্ত শক্তির আশ্রয় গ্রহণ করিতেন না, এবং মানুষী শক্তির দ্বারাই সকল কাৰ্য্যই সম্পন্ন করিতেন । এই অনৈসৰ্গিক চক্রাস্ত্রস্মরণবৃত্তান্ত যে অলীক ও প্রক্ষিপ্ত, কৃষ্ণ যে মানুষযুদ্ধেই শিশুপালকে নিহত করিয়াছিলেন, তাহার প্রমাণ মহাভারতেই আছে। উদ্যোগপৰ্ব্বে ধৃতরাষ্ট শিশুপালবধের ইতিহাস কহিতেছেন, যথা, “পূৰ্ব্বে রাজস্থয় যজ্ঞে, চেদিরাজ ও করুষক প্রভৃতি যে সমস্ত ভূপাল সৰ্ব্বপ্রকার উদ্যোগবিশিষ্ট হইয়া বহুসংখ্যক বীরপুরুষ সমভিব্যাহারে একত্র সমবেত হইয়াছিলেন, তন্মধ্যে চেঙ্গিরাজতনয় পূর্ব্যের স্থায় প্রতাপশালী, শ্রেষ্ঠ ধন্থদ্ধর, ও যুদ্ধে অজেয় । ভগবান কৃষ্ণ ক্ষণকাল মধ্যে তাহারে পরাজয় করিয়া পত্রিয়গণের উৎসাহ ভঙ্গ করিয়াছিলেন ; এবং করুষরাজপ্রমুখ নরেন্দ্রবর্গ যে শিশুপালের সম্মান বর্ধন করিয়াছিলেন, তাহারা সিংহশ্বরূপ কৃষ্ণকে রথারূঢ় নিরীক্ষণ করিয়া চেদিপতিরে পরিত্যাগ পূর্বক ক্ষুদ্র যুগের স্থায় পলায়ন করিলেন, তিনি তখন অবলীলাক্রমে শিশুপালের প্রাণসংহার পূর্বক পাণ্ডবগণের যশ ও মান বর্ধন ক্ষরিলেস ”—১২ অধ্যায়। - . * ,