পাতা:কৃষ্ণচরিত্র.djvu/২২৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পঞ্চম খণ্ড : দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ সম্বরবান §§§ S DBBB DDB BBB BDD DBBD DDS DB BDD DDD DBB BBt KBB কাজটা ভাল মহে” এরূপ অসঙ্গত কথা বিশেষ নির্লজ্জ ব্যক্তি নছিলে মুখ ফুটিয়া বাগড়ে পারে না। কিন্তু দূতের লজ্জা নাই। অতএব সঞ্জয় পাণ্ডবসভায় আসিয়া দীর্থ বৰুজ করিলেন। বক্তৃতার স্থলমৰ্ম্ম এই যে, “যুদ্ধ বড় গুরুতর অধৰ্ম্ম, তোমরা সেই অধৰ্ম্মে প্রবৃত্ত হইয়াছ, অতএব তোমরা বড় অধাৰ্ম্মিক ” যুধিষ্ঠির, ভ্যুত্তরে অনেক কথা বলিলেন, তন্মধ্যে আমাদের যেটুকু প্রয়োজনীয় তাহ উদ্ধৃত করিতেছি। “হে সঞ্জয় ! এই পৃথিবীতে দেবগণেরও প্রার্থনীয় যে সমস্ত ধন সম্পত্তি আছে তৎসমুদায় এবং প্রাজাপত্য স্বর্গ এবং ব্রহ্মলোক এই সকলও অধৰ্ম্মতঃ লাভ করিতে আমার বাসনা নাই। যাহা ইউক মহাত্মা কৃষ্ণ ধৰ্ম্মপ্রদাতা, নীতিসম্পন্ন ও ব্রাহ্মণগণের উপাসক। উনি কৌরব ও পাগুব উভয় কুলেরই হিতৈষী এবং বহুসংখ্যক মহাবলপরাক্রান্ত ভূপতিগণকে শাসন করিয়া থাকেন। এক্ষণে উনিই বলুন ৰে যদি আমি সন্ধিপথ পরিত্যাগ করি তাহা হইলে নিন্দনীয় হই, আর যদি যুদ্ধে নিবৃত্ত হুই তাহা হইলে আমার স্বধৰ্ম্ম পরিত্যাগ করা হয়, এস্থলে কি কৰ্ত্তব্য। মহাপ্রভাব শিনির নগ্ধা এবং চেদি, অন্ধক, বৃঞ্চি, ভোজ, কুকুর ও স্বয়য়বংশীয়গণ বাস্থদেবের বুদ্ধি প্রভাবেই শত্রু দমন পূর্বক স্বস্বদগণকে আনন্দিত করিতেছেন। ইন্দ্রকল্প উগ্ৰসেন প্রভৃতি বীর সকল এবং মহাবলপরাক্রাস্ত মনস্বী সত্যপরায়ণ যাদবগণ কৃষ্ণ কর্তৃক সততই উপদিষ্ট হইয়া থাকেন। কৃষ্ণ ত্রাতা ও কর্তা বলিয়াই কাশীশ্বর বক্র উত্তম শ্ৰী প্রাপ্ত হইয়াছেন ; গ্রীষ্মাবসানে জলদজাল যেমন প্রজাদিগকে বারিদান করে, তদ্রুপ বাস্থদেৰ কাশীশ্বরকে সমুদায় অভিলষিত দ্রব্য প্রদান করিয়া থাকেন। কৰ্ম্মনিশ্চয়জ্ঞ কেশব ঈদৃশ গুণসম্পন্ন, ইনি আমাদের নিতান্ত প্রিয় ও সাধুতম, অামি কদাচ ইস্থার কথার অন্যথাচরণ করিব না ।” বাস্থদেব কহিলেন, “হে সঞ্জয় ! আমি নিরস্তর পাণ্ডবগণের অবিনাশ, সমুদ্ধি ও হিত এবং সপুত্র রাজা ধৃতরাষ্ট্রের অভু্যদয় বাসন করিয়া থাকি । কৌরব ও পাণ্ডবগণের পরস্পর সন্ধি সংস্থাপন হয় ইহা আমার BBBBS BB BBBB BBS BBB BB BB BBBB BBB BB BS BBB BBBBBB সমক্ষে রাজা যুধিষ্ঠিরের মুখেও অনেকবার সন্ধি সংস্থাপনের কথা শুনিয়াছি ; কিন্তু মহারাজ ধৃতরাষ্ট্র ও র্তাহার পুত্ৰগণ সাতিশয় অর্থলোভী, পাণ্ডবগণের সহিত র্তাহার সন্ধি সংস্থাপন হওয়া নিতান্ত দুষ্কর, স্বতরাং বিবাদ যে ক্রমশঃ পরিবদ্ধিত হইবে তাহার আশ্চৰ্য্য কি ? হে সঞ্জয় ! ধৰ্ম্মরাজ যুধিষ্ঠির ও আমি কদাচ ধৰ্ম্ম হইতে বিচলিত হই নাই, ইহা জানিয়া শুনিয়াও তুমি কি নিমিত্ত স্বকৰ্ম্মসাধনোদ্যত উৎসাহসম্পন্ন স্বজনপরিপালক রাজা যুধিষ্ঠিরকে অধাৰ্ম্মিক বলিয়া নির্দেশ করিলে ?” এই পৰ্য্যন্ত বলিয়৷ শ্ৰীকৃষ্ণ ধৰ্ম্মের ব্যাখ্যায় প্রবৃত্ত হইলেন । এই কথাটা কৃষ্ণচরিত্রে বড় প্রয়োজনীয় । আমরা বলিয়াছি, তাহার জীবনের কাজ দুইটি ; ধৰ্ম্মরাজ্য সংস্থাপন এবং ধৰ্ম্মপ্রচার । মহাভারতে র্তাহার কৃত ধৰ্ম্মরাজ্য সংস্থাপন সবিস্তারে বর্ণিত হইয়াছে। কিন্তু তাহার প্রচারিত ধর্মের কথা প্রধানতঃ ভীষ্মপর্বের্বর অন্তর্গত গীতা-পৰ্ব্বাধ্যায়েই আছে।