পাতা:কৃষ্ণচরিত্র.djvu/২৩৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


శతీలీ . . o o কৃষ্ণচরিত্র - o o o o -- o প্রথম, অষ্টপঞ্চাশতম অধ্যায়ে। ধৃতরাষ্ট্র অতিবিস্তারে অর্জুনবাক্য সঞ্জয় মুখে শুনিয়, আবার হঠাৎ সঞ্জয়কে জিজ্ঞাসা করিতেছেন, “বাসুদেব ও ধনঞ্জয় যাহা কহিয়াছেন, তাহা শ্রবণ করিবার নিমিত্ত উৎসুক হইয়াছি, অতএব তাহাই কীৰ্ত্তন কর।” তছুক্তয়ে, সঞ্জয়, সভাতলে যে সকল কথাবাৰ্ত্ত হইয়াছিল, তাহার কিছুই না বলিয়া, এক আষাঢ়ে গল্প আরম্ভ করিলেন। বলিলেন যে তিনি পাটিপি পাটিপি,—অর্থাৎ চোরের মত, পাগুবদিগের অন্তঃপুরমধ্যে অভিমস্থ্য প্রভৃতিরও অগম্য স্থানে গমন করিয়া কৃষ্ণাৰ্জ্জুনের সাক্ষাৎকার লাভ করেন। দেখেন কৃষ্ণাৰ্জ্জুন মদ খাইয়া উন্মত্ত। অৰ্জ্জুন, দ্ৰৌপদী ও সত্যভামার পায়ের উপর পা দিয়া বসিয়া আছেন। কথাবাৰ্ত্ত নূতন কিছুই হইল না । কৃষ্ণ কেবল কিছু দস্তের কথা বলিলেন,—বলিলেন, “আমি যখন সহায় তখন অৰ্জ্জুন সকলকে মারিয়া ফেলিবে ।” তার পর অর্জুন কি বলিলেন, সে কথা এখানে আর কিছু নাই, অথচ ধৃতরাষ্ট্র তাহ শুনিতে চাহিয়াছিলেন। অষ্টপঞ্চাশত্তম অধ্যায়ের শেষে আছে, “অনস্তর মহাবীর কিরীটি র্তাহার ( কৃষ্ণের ) বাক্য সকল শুনিয়া লোমহর্ষণ বচন প্রয়োগ করিতে লাগিলেন।” এই কথায় পাঠকের এমন মনে হইবে যে, বুঝি উনষষ্টিতম অধ্যায়ে অর্জুন যাহা বলিলেন, তাহাই কথিত হইতেছে। সে দিক দিয়া উনষষ্টিতম অধ্যায় যায় নাই। উনষষ্টিতম অধ্যায়ে ধৃতরাষ্ট্র ফুৰ্য্যোধনকে কিছু অনুযোগ করিয়া সন্ধি স্থাপন করিতে বলিলেন। যষ্টিতম অধ্যায়ে দুর্য্যোধন প্রত্যুত্তরে বাপকে কিন্তু কড়া কড়া শুনাইয়া দিল । একষষ্টিতম অধ্যায়ে কর্ণ আসিয়া মাঝে পড়িয়া কিছু বক্তৃতা করিলেন । ভীষ্ম র্তাহাকে উত্তম মধ্যম রকম শুনাইলেন । কর্ণে ভীষ্মে বাধিয়া গেল। দ্বিষষ্টিতমে, দুৰ্য্যোধনে ভীষ্মে বাধিয়া গেল। ত্রিষষ্টিতমে ভীষ্মের বক্তৃত । চতুঃষষ্টিতমে বাপ বেটায় আবার বাধিল । পরে, এত কালের পর আবার হঠাৎ ধৃতরাষ্ট্র জিজ্ঞাসা করিলেন যে, অর্জুন কি বলিলেন ? তখন সঞ্জয় সেই অষ্টপঞ্চাশত্তম অধ্যায়ের ছিন্ন সূত্র যোড়া দিয়া অৰ্জুনবাক্য বলিতে লাগিলেন । বোধ করি কোন পাঠকেরই এখন সংশয় নাই যে, ৫৯৷৬০৷৬১৬১৬৩৬৪ অধ্যায়গুলি প্রক্ষিপ্ত । এই কয় অধ্যায়ে মহাভারতের ক্রিয়া এক পদও অগ্রসর হইতেছে না । এই অধ্যয়গুলি বড় স্পষ্টতঃ প্রক্ষিপ্ত বলিয়। ইহার উল্লেখ করিলাম। যে সকল কারণে এই ছয় অধ্যায়কে প্রক্ষিপ্ত বলা যাইতে পারে, অষ্টপঞ্চাশত্তম অধ্যায়কেও সেই কারণে প্রক্ষিপ্ত বলা যাইতে পারে—পরবর্তী এই অধ্যয়গুলি প্রক্ষিপ্তের উপর প্রক্ষিপ্ত । অষ্টপঞ্চাশত্তম অধ্যায় সম্বন্ধে আরও বলা যাইতে পারে যে, ইহা যে