পাতা:কৃষ্ণচরিত্র.djvu/২৭১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ষষ্ঠ খণ্ড : পঞ্চম পরিচ্ছেদ : স্রোণবধ ఇటసే (১) তাহার মধ্যে, একটি এই,— “শ্রেষ্ঠ কবিদিগের বর্ণিত চরিত্রগুলির সর্বাংশ স্বসঙ্গত হয়। যদি কোথাও ব্যতিক্রম দেখা যায়, তবে সে অংশ প্রক্ষিপ্ত বলিয়া সন্দেহ করা যাইতে পারে।” উদাহরণ দিবার জন্য বলিয়াছিলাম যে, যদি কোথাও ভীষ্মের পরদারপরায়ণতা ব৷ ভীমের ভীরুতা দেখি, তবে জানিব ঐ অংশ প্রক্ষিপ্ত। এখানে ঠিক তাই ; এক মাত্রায় নহে, তিন মাত্রায় কেবল তাই। পরম ধৰ্ম্মাত্মা যুধিষ্ঠিরের চরিত্রের সঙ্গে এই নৃশংস বিশ্বাসঘাতকতা ও মিথ্যা প্রবঞ্চনের দ্বারা গুরুনিপাত যাদৃশ অসঙ্গত, তত অসঙ্গত আর কোন দুই বস্তুই হইতে পারে না। তার পর মহাতেজস্ব, বলগৰ্ব্বশালী, ভয়শূন্ত ভীমের BBBBB BBB BB BBB BBBB S BB BBBB DD DBB BD DDDD DSBBB বিরুদ্ধে আর কিছু প্রয়োগ করেন না ; রাজ্যার্থেও নহে, প্রাণরক্ষার্থও নহে। স্থানান্তরে কথিত আছে, অশ্বথাম নারায়ণাস্ত্র নামে অনিবাৰ্য্য দৈবাস্ত্র প্রয়োগ করিয়াছিলেন—তাহাতে সমস্ত পৃথিবী নষ্ট হইতে পারে। দিব্যাস্ত্রৰিৎ অর্জনও তাহার নিবারণে অক্ষম , সমস্ত পাগুবসৈন্ত বিনষ্ট হইতে লাগিল । ইহা হইতে পরিত্রাণ পাইবার একটি উপায় ছিল-- এই দৈবাস্ত্র সমরবিমুখ ব্যক্তিকে স্পর্শ করে না । অতএব প্রাণরক্ষার্থ কৃষ্ণের আজ্ঞানুসারে সমস্ত পাণ্ডব সেনা ও সেনাপতিগণ, রথ ও বাহন হইতে ভূতলে অবতীর্ণ হইয়া অস্ত্রশস্ত্র পরিত্যাগপূর্বক বিমুখ হইয়া বসিলেন ; কৃষ্ণের আজ্ঞায় অর্জুনকেও তাহা করিতে হইল। কেবল, ভীম কিছুতেই তাহা করিলেন না,—বলিলেন, “আমি শরনিকর নিপাতে অশ্বখামার অস্ত্র নিবারণ করিতেছি । আমি এই স্ববর্ণময়ী গুবী গদা সমুষ্ঠত করিয়া দ্রোণপুত্রের নারায়ণাস্ত্র বিমদিত করত অস্তকের স্তায় রণস্থলে বিচরণ করিব। এই ভূমণ্ডলমধ্যে যেমন কোন জ্যোতিঃ পদার্থই সুৰ্য্যের সদৃশ নহে, তদ্রুপ আমার তুল্য পরাক্রমশালী আর কোন মনুষ্যই নাই। আমার এই যে ঐরাবতণ্ডগুসদৃশ সুদৃঢ় ভুজদণ্ড অবলোকন করিতেছ, ইহা হিমালয় পৰ্ব্বতেরও নিপাতনে সমর্থ। আমি অযুতনাগভুল্য বলশালী ; দেবলোকে পুরন্দর যেরূপ অপ্রতিদ্বন্দ্বী, নরলোকে আমিও তদ্রুপ। আজি আমি দ্রোণপুত্রের অস্ত্রনিবারণে প্রবৃত্ত হইতেছি, সকলে আমার বাহুবীৰ্য্য অবলোকন করুন। যদি কেহ এই নারায়ণাস্ত্রের প্রতিদ্বন্দ্বী বিদ্যমান না থাকে তাহ হইলে আমি স্বয়ং সমস্ত কৌরব ও পাণ্ডবসমক্ষে এই অস্ত্রের প্রতিদ্বন্দ্বী হইব ।” স্বীকার করি, বড়াই বড় বেশী, গল্পটাও নিতান্ত আষাঢ়ে। তা হৌক—সভ্য বলিয়া কাহাকেও ইহা গ্রহণ করিতে হইতেছে না । কবিপ্রণীত চরিত্রচিত্রের সুসঙ্গতি লইয়া কথা কহিতেছি। মারায়ণ। স্ত্রমোক্ষ মৌলিক না