পাতা:কোরআন শরীফ (প্রথম খণ্ড) - মোহাম্মদ আকরম খাঁ.pdf/১১৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


'yoძ· কোরআন শরীফ [ প্রথম পারা পড়ে—পরজাতির অধীনতা পাশে আবদ্ধ হইয়া কাৰ্য্যতঃ বিধ্বস্ত হইয়া যায় । এহুদী জাতির সই উখন পতনের, সেই কাৰ্য্যকারণ-পরম্পর এখানে এক এক করিয়া বর্ণনা করিয়া কাআন মুছলমানদিগকে সতর্ক করিয়া দিতেছে—ঐ দোষগুলি সম্বন্ধে সাবধানতা অবলম্বন না করিলে মুছলমানকেও ঐরূপে দিন ও দুনা উভয় হিসাবে বিধ্বস্ত হইয়া যাইতে হইবে। ৬১ ফেরভাওনের অভ্যাচার – এছরাইল বংশের আদি পুরুষ হজরত স্ল্যাকুব নিজের পুত্র পরিবারবর্গকে লইয়া মিসরে श्रेशन করিয়া সেখানে বাস করিতে থাকেন । কালক্রমে হঁহাদের সন্তান সন্ততিগণ ক্রমশঃ বদ্ধিত হইতে থাকে । এহুদী জাতির অন্যান্য বহু লোকও ক্রমে ক্রমে স্বদেশ ছাড়িয়া মিসরে গমন করিতে থাকে। ফলে, কএক পুরুষ অতিবাহিত হইতে না হইতে মিসরে এহুদীদিগের সংখ্যা ও প্রভাব অত্যন্ত বাড়িয়া যায় । ইহাতে মিসর রাজগণের ও র্তাহীদের আমত্যবর্গের মনে একটা আতঙ্কের স্বষ্টি হয় এবং এহুদীদিগকে দলিত মথিত করার জন্য র্তাহারা বদ্ধপরিকর হইয়া পড়েন। অবশেষে আমালেক গোত্রের রাজা দ্বিতীয় রামসেস বা ফেবৃঅাওন কিব তী জাতির সহায়তা ও এহুদীদিগকে ধ্বংস করিয়া ফেলার জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয় ও তাহদিগকে নানা অত্যাচারে জর্জরিত করিতে থাকে। এই সময় এহুদী জাতির উদ্ধারের জন্য আল্লার মঙ্গল ইচ্ছায় হজরত মুছার আবির্ভাব । তিনি ফের্সাওনের দরবারে উপস্থিত হইয়। অত্যাচার জর্জরিত স্বজাতির মুক্তির দাবী পেশ করার সময়, মূলের কারণটার উল্লেখ করিয়া বলিতেছেন— بنی اسرائیل - سورة شعراء এave x80 অর্থাৎ—“তুমি এছরাইল বংশকে দাস জাতিতে পরিণত করিয়াছ।” ( ছর। শোআল্লারা ) । কারণ, পরজাতির অধীনতাই হইতেছে সকল অত্যাচারের ও সমস্ত অধঃপতনের কারণ। ফের্জাওন বানি-এছরাইলকে কিরূপ জঘন্য অত্যাচারে জর্জরিত করিতেছিল, সমস্ত প্রাচীন ইতিহাসে তাহার বর্ণনা আছে। এই আয়তে সেই অত্যাচারের চরম অবস্থা বর্ণিত হইতেছে—তাহারা এহুদীদের পুরুষদিগকে নিহত করিয়া ফেলিতেছিল, আর নারীদিগকে জীবিত রাখিতেছিল। ইহা অপেক্ষ ধ্বংসের ও অবমাননার কারণ আর কি হইতে পারে ? কোন কোন খৃষ্টান লেখক বলিতেছেন—ফেবৃঅাওন এছরাইল বংশের পুত্রগুলিকে নদীতে'ফেলিয়া বা অন্য প্রকারে ধ্বংস করিত বটে, কিন্তু জবাই করার কোন প্রমাণ বাইবেলে পাওয়া যায় না, অথচ কোমানে জবহ–es শৰ ব্যবহার করা হইছে! এ সম্বন্ধে প্রথম কথা এই যে, বাইবেলে যাহা অাছে তাঁহাই সত্য, আর যাহা নাই তাহাই মিথা—-এ কথা স্বীকার করার কোন প্রমাণ নাই, বরং অনেক স্থলে ইহার বিপরীত প্রমাণই পাওয়া যায়। অতএব “বাইবেলে নাই, সুতরাং কোআনের বর্ণনা ভুল”–এ প্রতিজ্ঞ অসমীচীন। তাহার পর একটু অনুসন্ধান করিলে জনা যাইবে ীে, আরবী ভাষা জবহ भक জরাই ব্যতীত অন্ত উপায়ে নিহত করাতেও ব্যবহৃত হইয়া থাকে । ( জওহরী, তাঙ্গ