পাতা:কোরআন শরীফ (প্রথম খণ্ড) - মোহাম্মদ আকরম খাঁ.pdf/১৩৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


২য় ছুর, ৬ষ্ঠ রুকু ] মাক্স–ছালওক্সা . باخد মুচ্ছৰ্ণ ও অচৈতন্যকেই এখানে মওত বলিয়া উল্লেখ করা হইয়াছে . বিস্তারিত আলোচনা ছুর ‘আ’রাফের টীকায় দ্রষ্টব্য। ৬৬ মেঘপুঞ্জের ছায়া ঃ– ‘তীহ প্রাস্তরে বানি-এছরণইলকে দীর্ঘ কাল পর্য্যন্ত পৰ্য্যটন করিতে হইয়াছিল। সেই মর প্রান্তরে মেঘের ছায়াই তাহদের একমাত্র রক্ষা পাওয়ার উপায় ছিল । ছনয়ার সমস্ত স্থাবর জঙ্গমের ন্যায় মেঘমালাও আল্লার হুকুমে পরিচালিত হইয়া থাকে, এবং সে সময়ও হইয়ুছিল । এ হেন মেঘমালার স্বষ্টিকৰ্ত্তা ও পরিচালক অtল্লার কৃতজ্ঞ হওয়া এহুদীদের উচিত ছিল। মরু উপত্যকায়ু বিশেষতঃ দীর্ঘ পর্বতমালার সংলগ্ন স্থানে গ্রীষ্মকালে মেঘপুঞ্জ সঞ্চিত হওয়া একান্তই স্বাভাবিক । কোরআন এই স্বাভাবিক ঘটনারই উল্লেখ করিয়াছে। কিন্তু এক দল লোক যেন মনে করিয়া বসিয়াছেন যে, কোন একটা অস্বাভাবিক কাণ্ড না হইলে আল্লার শক্তি ও মহিমার ভাল রকম বিকাশ হয় না। তাই মেঘপুঞ্জ’ লইয়া এখানে র্তাহারা নানা প্রকার অস্বাভাবিক গল্পগুজবের সৃষ্টি করিয়া লইয়াছেন । র্তাহীদের বর্ণিত জ্যোতিচ্ছটা ও জ্যোতিৰ্ম্ময় মেঘ প্রভৃতির মূল অবলম্বন বাইবেল ও এছদীদিগের প্রক্ষিপ্ত পৌরাণিক কিংবদন্তি । বাইবেল বলিতেছে—“আর সদণপ্রভু দিবাতে পথ দেখাইবার জন্য মেঘস্তস্তে থাকিয়া এবং রাত্রিতে দীপ্তি দিবার জন্য অগ্নিস্তস্তে থাকিয়া তাহীদের অগ্ৰে অগ্রে গমন করিতেন।” (যাত্রা পুস্তক ১৩—২২ )। বাইবেল-রচয়িতার স্বরে সুর মিলাইয়। আমাদের তফছির-রচয়িতারাও বলিতেছেন—“হজরত মূছ৷ পৰ্ব্বতের নিকট গমন করিলে একটা জোতিৰ্ম্ময় স্তম্ভ, শুভ্র শীতল লঘু মেঘ আকারে প্রকাশ পাইল . হঠাৎ একটা জ্যোতিচ্ছটা তাহার দিকে ধাবিত হইল,—ঐ জ্যোতিচ্ছটার মধ্য হইতে এক পাক কালাম তাহাদের কর্ণকুহরে প্রবেশ করিল যে, আমিই আল্লাহ ... হজরত মূছ৷ উক্ত জ্যোতিৰ্ম্ময় মেঘে আচ্ছন্ন হইলেন ... ইত্যাদি।” a * পাঠক দেখিতেছেন যে, তফছিরের তথা বাইবেলের এই সব আজগেবী গল্পগুজবের সহিত কোরআনের কোনই সম্বন্ধ নাই । •—মাল্প—ছালওয়া ঃ *^رن - سال ریلی ۹ تا সীনাই উপত্যকীয় মান্ন' ও 'ছালুওয়া’ নামক দুই প্রকার খাদ্য বানি-এছরাইলদের জীবন, ধারণের একমাত্র অবলম্বন ছিল। দশ বার লাখ লোক—অথচ খাদ্যের সম্পূর্ণ অভাব। মরুপ্রান্তরের সেই পাৰ্ব্বত্য উপত্যকায় খাদ্য সংগ্রহ করা একেবারে অসম্ভব –সে দুস্তব পাথরশস্ত্র অতিক্রম করিয়া যাওয়াও সাধ্যাতীত এই সময় বানি-এছরাইল সেখানে ‘মান্ন' ও 'ছালওয়া'র সন্ধান পাইয়া আগু ধ্বংসের হাত হইতেশ্বাচিয়া গিয়াছিল। এই দুর্গম দুস্তর মরু উপত্যকায় যে করুণাময় মহিমাময়, মানুষের জন্য এমন উপাদেয় খাদ্য প্রস্তুত করিয়া রাখিয়াছেন—য়াহার মুহিয়ায় হজরত ছা সমভিব্যাহারী দ্বাদশ লক্ষ এহুদী আসন্ন বিনাশের কবল হইতে এমন