পাতা:কোরআন শরীফ (প্রথম খণ্ড) - মোহাম্মদ আকরম খাঁ.pdf/১৪২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


১২০ · কোরআন শরীফ [ প্রথম পারা S AASAASAA AAAA AAAA S AAAAA AAAS S AAAAAA گیری می ইহা ব্যতীত তফছিরে অহব-এবনে-মোনাব্বাহ প্রভৃতি হইতে ছালওয়ার যে সব বিবরণ দেওয়া হইয়াছে, তাহা তাওরাতের অনুবাদ ব্যতীত আর কিছুই নহে । ( দেখ— যাত্রা পুস্তক ১৬—১৩, ১৪ এবং গণনা পুস্তক ১১-৩১ প্রভৃতি। ৬৮ as হেত্তাতুন = ক্ষমা প্রার্থনা – ভাষার সাধারণ ধারা অতুসারে ੇ বুঝ। যাইতেছে যে, মান্ন’ ও ‘ছাল্ ওয়া প্রাপ্তির পর বানি-এছরাইল পৰ্য্যটন করিতে করিতে কোন এক মরু উষ্ঠানের নিকট উপনীত হয় । হজরত মূছ৷ তখন আল্লার হুকুমে তাহাদিগকে জানাইলেন–নিজেদের কৰ্ম্মফলে অনেক কষ্ট ভোগ তোমরা করিয়াছ, এখন আর ব্যভিচার, অনাচার ও আল্লার অবাধ্যতায় লিপ্ত হইও । না। এত দিনে আল্লাহ তোমাদিগকে মরুভূমির বিপদ হইতে উদ্ধার করিয়াছেন। অতএব নিজেদের পূর্বকার অপকৰ্ম্মগুলিকে এবং সঙ্গে সঙ্গে আল্লার এই ক্ষমা ও অন্তগ্রহকে স্মরণ করিয়া অন্ত তপ্ত হৃদয়ে ও অবনত মস্তকে এই পল্লীতে প্রবেশ কর । “এই পল্লী” বলিতে ঠিক কোন পল্লীকে বুঝাইতেছে, কোবৃতান ও হাদিছে তাতার কোন প্রমাণ পাই নাই,—তাহার কোন আবশ্বকও আমাদের নাই। হেত্তাতুন'–'হাত্তন’ হইতে উৎপন্ন,— "ریا ابتلا للة یک داده هال 8 فهو لة حطة - يب kasaj عنه خطاياة 入 ن نوبة از شیسی فعلـة

  • رى حط الش يكن يعط إذا انزلة ر القاه - } • ఆరికా البحار) অর্থাৎ—“যে অনুতাপ বা প্রায়শ্চিত্তের দ্বারা মানুষের পাপ ভার নামিয়া যায়, তাহাই হেত্ত।” মোটামুটি ভাবে ইহা তওবার প্রতিশব্দ ।

হোদায়ুবিয়া'র সমর প্রসঙ্গে এবনে-হেশাম একটা রেওয়া ত বৰ্ণন। তাহাতে দেখা যায়, হজরত বলিতেছেন— 尊 قولوا نستغفر الله و نتوب إليه " فقالوا ذلكا - فقال ر البلة انها للعطة اللتي عرضت علیل لأي اسرائیل - ابری هشام 6 ○ ۳: صری ۷ ا- ، এই বর্ণনায় হজরতের প্রমুখাৎ জানা যাইতেছে—নিজেদের পাপের জন্য আল্লার নিকট অনুতাপ আর ক্ষমা প্রার্থনাই এই হেত্তাতুন শব্দের একমাত্র তাৎপর্যা । ৬৯ বানি-এছরাইলের झूठेडी : বোখারী, মোছলেম প্রভৃতি হাদিছ গ্রন্থে হজরতের প্রমুখাং বর্ণিত হইয়াছে যে, “এই সময় বানি-এছরাইল অনুতাপ বা ক্ষমা প্রার্থনা ত করিলই না, বরং ব্যঙ্গচ্ছলে হেত্তাক্তন স্থলে হেস্তাতুন (=গম, অর্থাৎ এখন খুব উদর পূৰ্ত্তি করিয়া গমের রুটি খাওয়া যাইবে ) বলিতে বলিতে এবং প্রণত হওয়ার পরিবর্তে নানা প্রকার ধুষ্টতা প্রকাশ করিতে কবিতে নগরে প্রবেশ করিনাছিল।”