পাতা:কোরআন শরীফ (প্রথম খণ্ড) - মোহাম্মদ আকরম খাঁ.pdf/১৫৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


২য় ছুরা, ৮ম রক্ট ] সকবধৰ্ম্ম অনমন্ত্রক্স Yలి) , শান্তির অধিকারী হইতে পারে। ইহার মধ্যে প্রথম ও প্রধান'সাধন হইতেছে—আল্লার প্রতি ঈমান । আল্লাহ এক, অদ্বিতীয়, নিরাকার, সৰ্ব্ব গুণাকর, সৰ্ব্ব ক্রটীশূন্ত, সৰ্ব্ব শক্তিমান চিরজীবন্ত, চিরজাগ্রত, সকল স্বষ্টি স্থিতি লয়ের একমাত্র কৰ্ত্তা। মাহুষের মঙ্গল ও মুক্তির জন্য তিনি যুগে যুগে নিজের বাণী দুনায় প্রেরণ করিয়াছেন, মানুষের কর্তব্য ও অকৰ্ত্তবা তাহাতে নিৰ্দ্ধারিত করিয়া দিয়াছেন। এই বিশ্বাসকে কণয়মনোবাক্যে পোষণ ও প্রকাশ করার নাম—আল্লার প্রতি বিশ্বাস করা। দ্বিতীয় কৰ্ত্তবা হইতেছে—পরকালে বিশ্বাস । আমরা বর্তমান জীবনে সৎ বা অসৎ যে সব কৰ্ম্ম সম্পাদন করিয়া থাকি, এই জীবনের পরও আমাদিগকে সেই সমস্ত কৰ্ম্মের ফলাফল ভোগ করিতে হইবে । ফলতঃ এই কৰ্ম্মফল ভোগে বিশ্বাস করাই এছলামের পরকাল বিশ্বাসের একমাত্র লক্ষ্য । তৃতীয় বিষয়টা হইতেছে— বিশ্বাসের সঙ্গে সঙ্গে সৎকৰ্ম্ম সম্পাদন। কৰ্ম্মের মধ্যেই বিশ্বাসের প্রমাণ ও পরিচয় পাওয়া যায়। অর্থাৎ বিশ্বাসের ও তাঙ্গর প্রকার ভেদের বাহিরের প্রকাশরুপই হইতেছে—কৰ্ম্ম । এই ত্ৰিবিধ সাধনার সমষ্টির নামই এছলাম এবং মূলতঃ ইহাই হইতেছে সকল যুগের সকল দেশের সকল নবী রচুলের প্রচারিত সমস্ত ধৰ্ম্মের সার শিক্ষা ও চরম লক্ষ্য । ছুরা মায়দায় আল্লাহ তাআলা বলিয়া দিতেছেন – —“বল আমরা আল্লার প্রতি এবং আমাদের প্রতি যাহা অবতীর্ণ হইয়াছে তাহার প্রতি ঈমান আনিয়াছি—সঙ্গে সঙ্গে এবরাহিমের প্রতি, এছমাইলের প্রতি, এছহকের প্রতি য়্যাকুবের প্রতি, তাহার বংশধরগণের প্রতি—এবং মূছা, ঈছা ও অন্য সমস্ত নবীগণের প্রতি তাহাদের প্রভূর নিকট হইতে যে কালাম অবতীর্ণ করা হইয়াছে, সে সমস্তের প্রতিও ঈমান আনিয়াছি ;–র্তাহার রচুলগণের মধ্যে কাহারও সম্বন্ধে কোন প্রভেদ আমরা করি না, আর র্তাহারই আজ্ঞাবহ ( মোছলেম ) আমরা । আর কেহ এছলাম ব্যতীত অন্ত কোন ধৰ্ম্মপথকে অবলম্বন করিলে তাহা গ্রাহ হইবে না, এবং পরকালে সে ক্ষতিগ্রস্ত হইবুে ।” 驗 একটা বৃহৎ বট বৃক্ষের বর্তমান পূর্ণ পরিণত অবস্থার সহিত, তাহার মূলীভূত কারণরূপ ক্ষুদ্র বীজটার এক অভেদ্য অখণ্ড সম্বন্ধ। প্রথম অঙ্কুর হইতে চরম পুর্ণত পর্য্যন্ত সমষ্টিগত, ভাবে তাহার পূর্ণতার ক্রমবিকাশের সঙ্গে সঙ্গে,"এইরূপে এছলামও পূর্ণ পরিণত হইয়াছে। হজরত আদমের সময় হইতে হজরত মোহাম্মদ মোস্তফীর সময় পৰ্য্যন্ত সেই এক অভিন্ন এছলামই অবিচ্ছেদ্যরূপে ক্রমবিকাশ ও পূর্ণতা প্রাপ্ত হইয়াছে। দুনায় অন্য সমস্ত ধৰ্ম্মাবলম্বীরা কেবল দেশ বিদেশের ও যুগ বিশেষের অংশ বিশেষকে গ্রহণ করেন, অন্য দেশে ও অন্য যুগে অবিভূতি নবীকে র্তাহারা স্বীকার করেন না। সেই জন্য সেই পূর্ণ সত্যকে অখণ্ডৰূপে—ঘথাযথরুপে—গ্রহণ করা তাহদের পক্ষে সম্ভবপর इहेब উঠেনা। সে সমস্তকে সমন্বিত ও একত্র সন্নিবেশিত করিয়া কোঙ্গানের মধ্যবর্বিতাম্ব' হজরত মোহাম্মদ পূর্ণ পরিণত বিশ্বধর্মের রূপ দিয়াছেন। ইহাকে অবিশ্বাস করিলে সেই ৰূর্ণ & (اص سے ۔