পাতা:কোরআন শরীফ (প্রথম খণ্ড) - মোহাম্মদ আকরম খাঁ.pdf/১৫৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


কোরআন শরীফ [ প্রথম পারা . به هد সত্যকেই অস্বীকার করা হয়, স্বতরাং সেই অভিন্সিত শান্তি ও মুক্তির অধিকারী হওয়ার আর কোন সম্ভাৰমাই থাকে না । L৪৮০ “ছাবেরী" কাহারা, এ সম্বন্ধে তফছিরের রাবীগণ অনেক মতভেদ করিয়াছেন। আরবী অভিধান অনুসারে যাহার এক ধৰ্ম্ম পরিত্যাগ করিয়া ধৰ্ম্মান্তর গ্রহণ করে, তাহাদিগকে ‘ছাবেয়ী বলা হয়। হজরতের সময় কোরেশগণ হজরতকে ও মুছলমানদিগকে এই মাজে অভিহিত করিত—ইহার অনেক প্রমাণ পাওয়া যায়। পাশ্চাত্য লেখকেরাও এ সম্বন্ধে আলোচনা করিয়াছেন । র্তাহারা বলেন, ‘ছাবেয়ী মূলতঃ আরামীয় ভাষার শব্দ। ঐ ভাষা উহার ধাতুগত অর্থ–ষাহারা আপনাদিগকে ধৌত করে। আরব লেখকগণও ইহাদিগকে এua34.J} সম্প্রদায় বলিয়া বর্ণনা করিয়া থাকেন। সমস্ত আলোচনা দেখিয়া মনে হয়, বাবিলোনিয়া অঞ্চলে ইহাদের প্রধান কেন্দ্র স্থাপিত হইয়াছিল। ইহার দেশ প্রচলিত প্রাচীন ধৰ্ম্ম মত আংশিক ভাবে ত্যাগ করিয়া একেশ্বরবাদী খৃষ্টানদের অন্তসরণে একেশ্বরবাদকে স্বীকার করিয়াছিল বটে, কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে মনে করিত যে, আল্লাহ তাআলা নিজের শক্তির একাংশ দেব দেবী ও গ্ৰহ নক্ষত্রকে দান করিয়াছেন । সেই জন্য তাহারা ইহাদেরও পূজা করিত । (মুহীত, strofi, Britanica ) , ৭৫ তুরকে উত্থাপন করা — সাধারণ তফছিরকারেরা বলিতেছেন যে—কেতাব প্রদানের পূৰ্ব্বে বানি-এছরাইলের নিকট হইতে আল্লাহ তা’আলা প্রতিজ্ঞা গ্রহণ করিতে চাহেন । কিন্তু তাহারা ছিল শক্তগ্রীব অবাধ্য জাতি, কিছুতেই তাওরাত মানিয়া চলার প্রতিশ্রুতি দিতে চাহে না । তখন আল্লাহ সিনাই পৰ্ব্বতকে সমূলে উৎপাটিত করিয়া তাহীদের মাথার উপর তুলিয়া ধরিয়া বলিতে লাগিলেন—প্রতিজ্ঞ কবি ত কৰু নতুবা এই পাহাড়কে তোদের মাথার উপর ফেলিয়া দিয়া পিষিয়া মারিব ! পাহাড়টা তাহীদের মাথার উপর কয় ফুট কয় ইঞ্চি উদ্ধে ছিল, তাহাও তাহার খড়ি পাতিয়া ঠিক ঠাক করিয়া বলিয়া দিয়াছেন । । এই গল্পের সহিত এছলামের কোনই সম্বন্ধ নাই, কারণ কোমান ও হাদিছে এই গল্পের কোনই প্রমাণ পাওয়া স্বায় না। বরং ইহা কোআন হাদিছের, আরবী সাহিত্যের ও এছলামের মূল নীতির বিপরীত—এহুদী পুরাণকারদিগের একটা আজিগৈবী কল্পনার অন্ধ অনুকরণ ব্যতীত আর কিছুই নহে। কোত্মানের বিভিন্ন আস্থতে এই ঘটনার উল্লেখ আছে, সেই জন্য এখানে বিষয়টা লইয়া একটু বিষ্কৃতরূপে আলোচনা করিতে বাধ্য হইতেছি। আলোচ্য আম্বতে মূল তর্ক হইতেছে - 'রক্ষউন ও ৬ ফওক শৰ লইয়া। রফউন’ শব্দের অর্ধ-উত্তোলন কর, উত্থাপন করা ইত্যাদি । আমি একখানা ঘর তুলিয়াছি, তুমি একটা এমারত খাড়া করিয়াছ-বলিলে, কেহ বুঝিবে না যে আমরা একখানা ঘর বা এমারস্ত সকুল উৎপষ্টন করিম শূন্তে তুষিয়া ধরিস্কাছি। ,