পাতা:কোরআন শরীফ (প্রথম খণ্ড) - মোহাম্মদ আকরম খাঁ.pdf/১৫৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


o 総。

  • L

ల8 কোরআন শরীফ [ প্রথম পারা r i. {്.ുഹ.... ഹസ് "A" S SAASSSSSS ee e Se ee AAAA AAAA AAAA AAAAeeeSeS SeeeSeeSee eeSe Seeee AAAA AAAA AAAAMAe EeAAA AAAA AAAA AAAA AAAA AAAA AAAA AAAA AAAA AAAA AAAA AAAA AAAA AAAA AAAA AAAA AAAA AAAA AAAA AAAA AAAA AAAA AAASS 臧 ጙ ত্রিা পুস্তকের ১৯-১৭ পদের ভ্রান্ত অর্থ করায় এহুদীদিগের এই গল্পের স্থত্রপাত হইয়াছে। ইংরাজী অনুবাদে ইহার ঠিক অর্থ করা হইয়াছে—পৰ্ব্বতের অধস্থ ভূভাগে’ ” বড়ই দুঃখের নিম্ন আমাদের দেশের কোন এক অনুবাদক রডওয়েলের এই টকা হইতে ‘আবেগদা সার’ গ্রন্থের বরাত দিয়াছেন, অথচ গ্রন্থকারের এই মন্তব্যটা উদ্ধৃত করেন নাই । লেখক ৰে জিনিষটাকে যে স্থত্রে নিজের সমর্থনের জন্য ব্যবহার করিয়াছেন, সেই জিনিষটা র্ষে তাওরাতের একটা ভ্রান্ত অম্বুবাদের ফল, তাহাও সেই স্থানে স্পষ্ট করিয়া বর্ণিত হইয়াছে। উক্ত লেখক এখানে ভিন্ন মতাবলম্বীদিগের উপর এই অন্যায় দোষারোপ করিতেছেন যে, তাহারা'আল্লার পর্বত উত্তোলন করাকে “অসম্ভব বলিয়া” ধারণা করিয়া এইরূপ বিপরীত ব্যাখ্যা প্রদান করিতেছে। তাহার পর নিজেদের যুক্তিবাদের সাধারণ ধারা অন্তসারে অজ্ঞ পাঠকবর্গকে সম্মোহিত করার জন্য বলিতেছেন—“যে ঈমানদীর বিশ্বাস করে যে, আল্লাহ এই আছমান, চন্দ্র, স্থৰ্য্য, গ্রহ, উপগ্রহ, বরং এই জমিকে শূন্তে ধারণ করিয়া রাখিয়াছেন, স্থা তুৱা পৰ্ব্বত অপেক্ষ লক্ষ লক্ষ গুণ ভারি, সে বলিবে তুর পর্বতকে শূন্যে ধারণ করা জঁখার পক্ষে অতি সহজ ।” তুর' পৰ্ব্বতকে শূন্তে ধারণ করা আল্লার পক্ষে অসম্ভব—কোন জাস্তিকের পক্ষে এরূপ কল্পনা করাও অসম্ভব। সম্ভব অসম্ভবের প্রশ্ন এখানে মোটেই নাই— এখানকার একমাত্র আলোচ্য কি ঘটিয়াছিল, কোরআনের শব্দ হইতে কি সপ্রমাণ হয় ? যুক্তব মাত্রই সংঘটিত বলিয়া গৃহীত হইতে পারে না। 镇 鰲, ছুর আরাফের ১৭১ নং আয়তকে অন্য পক্ষ প্রমাণ স্বরূপ উপস্থিত করিয়া থাকেন। *াহাদের এই ধারণা যে কতদূর ভ্রান্ত ভিত্তির উপর স্থাপিত, ঐ আয়তের ব্যাখ্যায় তাহা বিস্তারিতরূপে প্রদর্শিত হইবে। পাঠকগণের সন্দেহ মোচনের জন্য এখানে সংক্ষেপে সে আলোচনার আভাষ দিয়া রাখিতেছি। -, - এই আয়তের প্রধান বিচাৰ্য্য হইতেছে—‘নৎকুন' শব্দের তাৎপৰ্য্য । এহুদীদিগের ধতি অনুবাদ ও তাহদের বর্ণিত গল্পের প্রভাবে আবিষ্ট হইবা পড়ায়, তাহারা উহার অর্থ ক্ষধিরাছেন—“পৰ্ব্বতকে সমূলে উৎপাটিত করা”। অথচ সমস্ত অভিধানের সমবেত সাক্ষ্য জয়লারে উহার প্রকৃত অর্থ–বর্ণকি দেওয়া, প্রকম্পিত করা, স্পন্দিত করা । ( লেছান, ছেছাছ, ৰাছ )। আবু ওবায়দার নাম করণে কেহ কেহ নিজের মতের সমর্থন করিতে চাহিয়াছেন। কিন্তু অনুসন্ধানে জানা যাইবে যে, আৰু ওবায়দার নাম করণে, যে প্রমাণের ऎझ নির্ভর করিা তাহার স্বমত সমর্থন করিতে চাহিয়াছেন, তাহ সম্পূর্ণ ভ্রান্ত। অধিকন্তু বস্তুতঃ আৰু ওবায়দাও তাঁহাদের প্রতিকুল ও আমাদের অনুকুল অভিমতই প্রকাশ করিয়াছেন ( দেখ, জওহরী—নৎকুন' ) । প্রকৃত পক্ষে ভূমিকম্পের জন্য যে ঐ সময় পৰ্ব্বত ভীষণ ভাবে কম্পিত হইতেছিল, কিছু পূৰ্ব্বে ১৫৫ নং আস্থতে তাহা স্পষ্ট করিয়া বলিয়া দেওয়া হইছে ।