পাতা:কোরআন শরীফ (প্রথম খণ্ড) - মোহাম্মদ আকরম খাঁ.pdf/১৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


১ম চুরা ] · আtলাষ্টীল ' زمعہ ধেমন—Goddess, ঈশ্বরী, ভগবতী প্রভৃতি। আবার ইহার মধ্যে কতকগুলি শব্দের বহুবচনও, হইয়া থাকে। ধাতুগত অর্থ এবং বৈদিক যুগের ব্যবহার হিসাবে,সংস্কৃত “ব্রহ্ম" শৰ এই অভাবটা বহুলাংশে পূরণ করিয়া দিতে পারত। কিন্তু পৌরাণিক ব্যবহারে এবং श्मूिंসমাজের সাধারণ সাহিত্যে, বেদের এই “ পরম, বিরাট, এক, অনাদি, অনন্ত, অদ্বিতীয় ". ব্ৰহ্মকে চতুরানন ব্রহ্মার সহিত মিশাইয়া দেওয়ায় এ সুবিধাটাও নষ্ট হইয়া গিয়াছে। ফলে ‘আল্লাহ শব্দের কোন নির্দোষ প্রতিশব্দ খুজিয়া পাই নাই। এই বিশেষত্বের জন্যই পৌত্তলিক আরবও নিজেদের কোন ঠাকুর দেবতাকে কস্মিনকালে আল্লাহ নামে অভিহিত করিতে সাহসী হয় নাই। মুছলমান পণ্ডিতগণের মতে—সকল পূর্ণগুণের আধার, সমস্ত কটাবর্জিত, স্বয়ম্ভ ও নিশ্চিত-অস্তিত্ব যে সত্তা তাহারই নাম আল্লাহ। এ রব-ইহার ধাতুগত অর্থ—“কোন বস্তুকে পালন করতঃ বিভিন্ন অবস্থার মধ্য দিয়া, তাহাকে পূর্ণতার চরম সীমায় উপনীত করিয়া দেওয়া।” (রাগেব, আজিজী প্রভৃতি) । এই ধাতু হইতে আধিক্য বাচক কর্তৃবাচ্যে রব শব্দ সম্পন্ন হইয়াছে। অর্থাৎ বর্ণিত গুণ যাহার মধ্যে পূর্ণতররূপে বিরাজমান—তিনিই রব । (এমলা—প্রভৃতি) । J৯.w আলামীল—আলম শব্দের বহুবচন, অর্থ-বহু জগৎ বা জগৎসমূহ। আমাদিগের অধুষিত এই দুনা ছাড়া আরও বহু জগৎ ষে আল্লার কুদূরতে বিরাজমান আছে, এই আয়ুতে তাহারও স্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যাইতেছে । ইহা ব্যতীত আরও অনেক রকমে জগৎ শব্দের ব্যবহার অাছে, যেমন জীবজগত ও জড়জগত, ভৌতিক জগত ও অাধ্যাত্মিক জগত । মাতুয, ফেরেশতা, জেন প্রভৃতিকেও কেহ কেহ বিভিন্ন অমলম বা জগৎ বলিয়াছেন । কোরআনের লক্ষ্য ও উপাস্ত আল্লাহ, মানুষের বিদিত অবিদিত সকল প্রকারের সমস্ত জগতের রব । বহুবচনের সঙ্গে g,&w y ব্যবহৃত হওয়ায় এই অর্থ স্পষ্টতর ভাবে প্রফুট হইয়া উঠিয়াছে। প্রাথমিক যুগের মুছলমান পণ্ডিতের মুখে এই প্রকার হিজদ হাজার আলম’ বা অষ্টাদশ সহস্র জগতের কিংবদন্তি শুনিতে পাওয়া যায়। (দোরে মনচুর) । প্রায় চোঁদ শত বৎসর পূৰ্ব্বে আরবের নিরক্ষর-নবী স্পষ্টাক্ষরে বলিয়৷ গিাছেন যে আমাদিগের অধুৰিত এই ছনা ব্যতীত এমন আরও কতিপয় জগৎ বিদ্যমান আছে—যেখানে আমাদিগের ন্যায় মানুষ বসবাস করিয়া থাকে। অতএব, প্রথম আয়ুতের অর্থ হইতেছে যে—“যে আল্লাহ, আমাদিগের বিদিত, অবিদিত সমস্ত জগত্বের সমস্ত বস্তুকে পালন করেন, এক অবস্থা হইতে অঙ্ক অবস্থায় উন্নত করিয়া তাহাকে পূর্ণতার চরম সীমায় পৌছাইয়া দেন—সমৃত্ত মহিমা তাহারই।” সাধকমোছলেম তাহার দরবারে দস্তবস্ত দণ্ডায়মান হষ্টয়া, তাহার অনন্ত শক্তি ও অপার মহিমা সংক্রাস্তু এই বিরাট ও ব্যাপক ভাবগুলির ধারণা করিবে—এবং সঙ্গে সঙ্গে মুখেও ঐ শাগুলির rারা এই ভাবের অভিব্যক্তি করিতে থাকিবে। সাধারণতঃ মনে করা হয় যে, বিবর্ধন ধা