পাতা:কোরআন শরীফ (প্রথম খণ্ড) - মোহাম্মদ আকরম খাঁ.pdf/১৯০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


খেকারআন শল্পীক [ প্রথম পারা . واند –びり রূহুল-কোদেtছ ঃ القدس কোআনে রূহ’ শব্দ—আত্মা, আহি বা এগ্‌হাম Inspiration, fজব্রাইল ইত্যাদি অর্থে ব্যবহৃত হইয়াছে। দেখ—নহল ২, মোমেন ১৫, মোজাদেলা ২২, শূরা ৫২ ইত্যাদি । শেষোক্ত আয়তে হজরত মোহাম্মদ মোস্তফার প্রতি অবতীর্ণ কোমানকে স্পষ্ট ভাষায় রূহ বলিয়া উল্লেখ করা হইয়াছে । আল্লাহ তাআলা হজরত ঈছাকে আহি ও ইঞ্জিলের দ্বারা শক্তি সম্পন্ন করিয়াছিলেন—আহি ফেরেশতার মারফতে আসিতেও পারে । খৃষ্টানদিগের Holy Ghost বা পবিত্ৰাত্মার সহিত কোআনের বণিত এই রূহের কোনই সম্বন্ধ নাই । বিশ্বাসী দৃঢ় চিত্ত মোমেনদিগকেও هRRR ايدهم بورج منه এই রূহ দ্বার সাহায্য করিয়া থাকেন ( ৫৮–২২ ) । কবিবর হচ্ছেন সম্বন্ধে হজরত দেওয়া করিয়াছেন ঃ– القدس び。 اللهم ایال ة অর্থাৎ—“হে আল্লাহ তুমি উহাকে রূহুল-কোদোছ দ্বারা শক্তি সম্পন্ন কর!” (আহমদ, বোখারী, আবু দাউদ, তিরমিজি ) । ফলে আল্লার নিকট হইতে যে অহি, এলুহাম, প্রেরণা বা শক্ত, নবী, রছল ও সাধু সজ্জনগণ প্রাপ্ত হইয়া থাকেন, তাহাকেই রূহুল-কোদোছ বলা হইয়াছে । ইচ্ছা করিলে, নিজেদের শক্তি ও সাধনার ক্রম অনুসারে আমরাও রূহুলকোদোছ’ দ্বারা সাহাধ্য প্রাপ্ত হইতে পারি। স্পষ্ট নিদর্শন ঃ-- মূলে এখানে এug বাইয়েনাৎ’ শব্দ আছে। উহা বহুবচন, একবচন বাইয়েনাঃ । বাইয়েনাঃ’ শব্দের অর্থ—ম্পষ্ট দলিল প্রমাণ । কোন মোকদ্দমায় বাদী যে সকল দলিল নিদর্শন বা যুক্তি দ্বারা নিজের দাবীকে প্রতিপন্ন ও প্রতিষ্ঠিত করে, তাহাকে বাইয়েনাঃ’ বলা হয়। রোগেব প্রভৃতি) । এছলামের ব্যবস্থা শাস্ত্রে সচরাচরই a৯) Leav Le প্রশণের ভার বাদীর উপর এই হাদিছটা উল্লেখ করা হইয়া থাকে। এখানেও প্রমাণকে বাইয়েনাঃ বলা হইয়াছে। কোআনে এই ব্যবহারের বহু নজির বিদ্যমান আছে । যথা – 5- افمن بن علی بینة من ربه ۹۹۹۹-انی علی بهناست من ربی. اetRFF, RETR – من هلكف على بينة ,RR– أن كنت على بينـة من ولى হজরত ঈছার স্তায় অন্য সমস্ত নবীরা এই বাইয়েনাঃ’ বা প্রমাণ প্রাপ্ত হইয়াছিলেন। দেখ, মো’মেন । নবীগণ ব্যতীত সাধারণ মাতুবদিগের সম্বন্ধে— كانت تاتيهم رسلهم بالجينات DD BBBBBBS BB BBBB BDDB BBBS BB SAAAAA AAAA AAAA AAAA AAA ... a৯ —“আমরা কি তাহাদিগকে কোন কেতাব দিয়াছি—যাহার প্রমাণের উপর