পাতা:কোরআন শরীফ (প্রথম খণ্ড) - মোহাম্মদ আকরম খাঁ.pdf/১৯৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


২য় ছুরা, ১২শ রুকৃ ] “সেই নবী” ՏԳՀ Q o কালাম হইতেছে মানুষের পক্ষে সৎপথ প্রদর্শক, সে কালাম বিশ্বাসৗদিগকে আল্লার অনন্ত রেজওয়ানের স্বসংবাদ দান করিতেছে। এই গুণের দিক দিয়া কোআনকে মান্ত করিতে হইবে । কোন ফেরেশতার মারফতে কোরআন নাজেল হইয়াছে না-হইয়াছে, সে তর্কের কোন সার্থকতা এখানে নাই । ১৪ অtল্লার শক্রতা :– এই অংশের শাব্দিক অল্পবাদ—‘আল্লাহ তাহাদিগের শক্র হন । কিন্তু আরবী অলঙ্কার শাস্ত্রের নির্দেশ মতে এরূপ ক্ষেত্রে উহার ভাবার্থ হইবে—‘আল্লাত তাহাদিগকে তাহীদের শক্রতার প্রতিফল প্রদান করেন । কোরআনের ব্যবহারেও ইহার অনেক নজির, পাওয়া aج faa Braaه إطلاق اسم السبب على المسبب RRta Ric F RRERة ا 8ة হয় । ( দেখ, এমাম এবনে কাইয়ম কৃত কেতাবুল ফাওয়ায়েদ, ১৬ পৃষ্ঠা ) । অলঙ্কার শাস্ত্রের এই ধারার প্রতি অন্সবাদকেরা সাধারণতঃ লক্ষ্য না করায়, এছলীম বিদ্বেষী বিধৰ্ম্মী লেখকদিগের পক্ষে “কোরআনের আল্লাহ” সম্বন্ধে ধৃষ্ট মন্তব্য প্রকাশের সুযোগ ঘটিয়াছে । సె(t “সেই নবী” 3—- হজরত মোহাম্মদ মোস্তফীর আবির্ভাবের পূৰ্ব্বে এহুদী খৃষ্টান ও হিন্দু প্রভৃতি বহু ধৰ্ম্ম সম্প্রদায় “সেই নবী" ও শেষ নবীর আগমন প্রতীক্ষা করিতে থাকে । কারণ সেই শেষ নবীর শুভাগমনের সংবাদ তাহাদিগের ধৰ্ম্ম পুস্তকে লিপিবদ্ধ হইয়াছিল। এই প্রকারে এহুদী ও খৃষ্ঠানদিগের ধৰ্ম্ম পুস্তকে তঁপতার সম্বন্ধে যে সকল স্পষ্ট স্বসংবাদ বর্ণিত আছে, মুছলমান লেখকগণ, বিশেষতঃ স্বনামধন্য স্তর ছৈয়দ আহমদ মরহুম তাহার ৪১a^ এwas. পুস্তকে, তাঙ্গর সম্যক আলোচনা করিয়াছেন । হিন্দুদিগের বেদে, উপনিষদে ও পুরাণেও সেই শেষ নবীর স্বসংবাদ, এমন কি তাহার নাম ধাম ও ভাঙ্গর প্রচারিত বীজমন্ত্ৰ—কলেমায় তাওহীদের পর্য্যন্ত স্পষ্ট বর্ণনা দেখিতে পাওয়া যায়। পাসীদিগের দসাতির’ গ্রন্থেও আরবের প্রাচীন মন্দিরের ও তাহাতে মূৰ্ত্তি পূজার কথা বর্ণনা করার পর স্পষ্টাক্ষরে আরব হইতে আবিভূতি এই ধৰ্ম্মপ্রবর্তকের সংবাদ দেওয়া হইতেছে —“সেই ' ধৰ্ম্মপ্রবর্তক একজন বাগ্মী পুরুষ এবং তাহার' ধৰ্ম্মগ্রন্থ সমুদ্রের ন্যায় সৰ্ব্বদিকে গমন করিবে । ইরাণের বিজ্ঞ ব্যক্তিগণ এবং অন্যান্য জাতিগণ ঐ সমুদ্রে প্রবেশ করিবে ।” | অথৰ্ব্ব বেদীয় অরোপনিষদে আল্লা, রচুল, মহম্মদ, ইল্লাল্লা প্রভৃতি শব্দ অতি স্পষ্ট ভাবে বিদ্যমান আছে । হিন্দু পণ্ডিত সমাজ আবহমান কাল হইতে তাহ পাঠ করিয়া আসিতেছেন, কেহই সে সম্বন্ধে কোন সংশয় প্রকাশ করেন নাই। কিন্তু মুছলমানেরা তাহা লইয়া নাড়া চাড়া করিতে আরম্ভ করার পর হইতে র্তাহারা বলিতে লাগিলেন যে, কোন সংস্কৃতজ্ঞ মুছলমান ঐ স্থজটাকে বেদে প্রক্ষিপ্ত করিয়া দিয়াছে। সম্রাট আকবরের সময় এই স্বত্তটাকে অবলম্বন করিয়া একজন নব দীক্ষিত মুছলমান-পণ্ডিত বহু হিন্দু পণ্ডিতকে পরাজিত কম্বেন / ૨૭ o \