পাতা:কোরআন শরীফ (প্রথম খণ্ড) - মোহাম্মদ আকরম খাঁ.pdf/২১১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


২য় ছুরা, ১৩শ রুকু ] ক্ষমা ও উপেক্ষা ՀԵ5, বিশ্বাস করিতে পারি । ( চুরা নেছা ১৫৩ ) । কোরেশ দলপতিরাও হজরতকে এই শ্রেণীর উদ্ভট দাবী জানাইয়াছিল। তাহারা বলিয়াছিল—মোহাম্মদ ! তুমি আমাদের দেশে নদী প্রবাহিত করিয়া দাও, নিজের জন্য একটা কানন প্রস্তুত করিয়া লও, অথবা আমাদিগের মাথায় আকাশ ভাঙ্গিয়া পড়ুক, কিম্বা নিজের জন্য একটা স্ববর্ণ হৰ্ম্ম নিৰ্ম্মাণ করিয়া বা আকাশে আরোহণ করিয়া দেখাও ! ( চুরা বনি-এছরাইল ৮৯ হইতে ৯৩ আয়ত) । ওৎবা শাইবা প্রভৃতি কোরেশ দলপতিগণের এই শ্রেণীর অন্যান্ত উদ্ভট প্রশ্নের কথা কোবৃত্মানে ও হাদিছে বর্ণিত হইয়াছে। এই আয়তে এহুদী ও পৌত্তলিকদিগের এই সব উদ্ভট দাবীর । উল্লেখ করিয়া বলিয়া দেওয়া হইতেছে যে, এই প্রকার দাবী আজ নূতন নহে। মূছার নিকটও এহুদীরা এই প্রকার দাবী উপস্থিত করিয়া বলিয়াছিল—আল্লাহকে প্রত্যক্ষ ভাবে দশন না করা পর্য্যন্ত আমরা কখনই তোমার কথায়ু বিশ্বাস করিব না । ( চুরা বকরা ) । আল্লার নবীর ও র্তাহার প্রতি অবতীর্ণ কেতাবের সত্যতা তাহার শিক্ষার মহিমার মধ্য দিয়াই প্রকট হইয়া থাকে, সেজন্য এই প্রকণর উদ্ভট ও অলৌকিক অঘটন সংঘটন করার আবশ্বক হয় না। গো-কোআনীর আদেশ সম্বন্ধে হজরত মৃছাকে যে সকল ક્ષેત્ર করা হইয়াছিল, তাহীও ন্যায়ের ফাকি ও লীলা-শরইর দ্বারা খোদার হুকুমকে অমান্ত করার প্রচেষ্টা । মাত্র । মুছলমানকে এই এহুদী আদর্শের অতুসরণ করিতে নিষেধ করা হইতেছে। কারণ এই মানসিকতার ফলে মাতুষ প্রকৃত মুক্তিপথকে হারাইয়া বসে । ১০১ ক্ষমা ও উপেক্ষা :– এহুদীরা ছলে বলে কৌশলে মুছলমানদিগকে তাহদের ধৰ্ম্ম হইতে পরাস্মৃদ্ধ করার জন্য § সৰ্ব্বদাই চেষ্টা করিতে থাকিত। হজরতের মদিনীয় জীবনের Τί দশ বৎসরের ইতিহাস, ■ এই শ্রেণীর ষড়যন্ত্রের বিবরণে পরিপূর্ণ। সময় সময় অভিসন্ধি অপটিয়া ইহাদের দুই চারিজন . মুছলমান হইয়া যাইত । আবার অল্পকাল পরে এছলাম পরিত্যাগ' করিয়া জনসাধারণকে বলিয়৷ বেড়াইত—বড় আশা করিয়া মছলমান হইয়াছিলাম, কিন্তু ভিতরে প্রবেশ করিয়া দেখিলাম, বস্তুতঃ এছলাম ধৰ্ম্মটা নিতান্ত আসার । তাই সত্যের অন্তরে দুধ উহা ত্যাগ করিতে বাধ্য হইলাম। এইরূপে মুছলমানদিগকে স্বধৰ্ম্মচ্যুত করাই তাঙ্গদের উদেশ্ব ছিল । চর আলে-এমরানের ৭১ আয়ুতে পাঠকগণ এই ষড়যন্ত্রের বিবরণ দেখিতে পাইবেন। আজকালও অজ্ঞ মুছলমানদিগকে প্রবঞ্চিত করার জন্য মধ্যে মধ্যে এই প্রকার ষড়যন্ত্রের প্রমাণ পাওয়া যায় । এই শ্রেণীর শক্রতা ও ষড়যন্ত্রের পরিবর্তে মুছলমানদিগকে ক্ষমা ও উপেক্ষা প্রদর্শন করিতে বলা হইতেছে। সৰ্ব্বশক্তিমান আল্লাই যথা সময়ে ও যথা উপায়ে সত্যকে জয়যুক্ত । করার ব্যবস্থা করিয়া দিবেন। এরূপ ক্ষেত্রে “হাত্তা”-শব্দের অর্থ যাবৎ না’ ও যে মতে So that উভয় হইতে পারে। এখানে দ্বিতীয় অর্থ প্রযুজ্য, কারণ ক্ষমা ও উপেক্ষ في ليل به جنگ تم= حرام اعلیحی-ه s