পাতা:কোরআন শরীফ (প্রথম খণ্ড) - মোহাম্মদ আকরম খাঁ.pdf/২৪৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


২২৩ . 罩 কোরআন শরীফ { দ্বিতীয় পারা తF های دریایی تر কোরেশ ও অন্যান্য আরবগোত্রের পৌত্তলিকগণই সাধারণতঃ এছলাম গ্রহণ করিয়াছিলেন । নানা কারণে ধৰ্ম্মমন্দির বলিয়া তাহার কা'বাকে সম্মান দান করিতেন, বাইতুল-মোকান্দছের কোন গুরুত্ব বা সম্মান তাহাদের নিকট ছিল না । কিন্তু হজরত বাবস্থা দিলেন—বায়ুতুলমোকান্দছকে কেবলারূপে গ্রহণ করিয়া সকলকে তাহার দিকে মুখ করিয়া নামাজ পড়িতে হইবে । ইহাতে তাঙ্গদের পুরুষ পুরুবান্সক্ৰমিক সমস্ত ভাব, বিশ্বাস ও সংস্কারের উপর যে কঠিন আঘাত লাগিল, তাহাতে নবদীক্ষিত মুছলমানগণ বিচলিত হইয়া উঠিলেন । মিথ্যাবাদী কপটগুলি এই পরীক্ষার আঘাত সহ করিতে ন পারিয়া তৎক্ষণাৎ মূখ ফিরাইয়া দাড়াইল—এছলামকে বর্জন করিয়া চলিয়া গেল। কিন্তু র্যাহারা ছিলেন সত্যকার ঈমানদার, আল্লার প্রদত্ত হেদায়ুতকে যথাযথভাবে গ্রহণ করার সৌভাগ্য যাহারা লাভ করিয়াছিলেন, বিনা বাক্যব্যয়ে তাঙ্গর হজরত ছেলের ব্যবস্থার নিকট সন্তুষ্টচিত্তে আত্মসমর্পণ করিলেন। ফলে, বায়ুতুল-মোকান্দছকে কেবলণরূপে নিৰ্দ্ধারণ করার কঠোর পরীক্ষার দ্বারা মছলমানদিগের अशा श्ड्रेड মোনাফেকদিগকে বাছাই করিয়া ফেলা হইল । আয়তের শেষভাগে ইহণ ও বলিয়া দেওয়া হইতেছে যে, দুনার সমস্ত মানুষের প্রতি আল্লাহ বাৎসল্য পরায়ণ ও করুণা DDBB S BBBBS BB BBBS D BBBBBB BBBS BBBBBB BB BBBBBSBBBB BBBB মিথ্যাকে সত্য হইতে বাছাই করিবাপ জঙ্গ, তিনি এই প্রকার পরীক্ষা পাঠাইয়া থাকেন । কে আল্লার রচুলের সত্যকার আজ্ঞাবহ আর কে স্বাৰ্থ বা সংস্কারের পুজক, এই সকল BBBBB BBS BBB BB BSB BBBS BBS BBBB BBB BBBS BB BBB BBB করুণা গুণের ধর্ম, অন্যথায় কপটদিগের সংমিশ্রণে সত্যের যথাযথ সাধনায় প্রবৃত্ত হওয়া সত্যকার মুছলমানের পক্ষে অসম্ভব হইয়া দাড়ায় । 矚 ১৩৩ হজরতের প্রার্থনা – আকাশের পানে উন্মুখ দৃষ্টি—অর্থে আল্লার নিকট হজরতের প্রার্থন এবং প্রতিশ্রত কেবলাকে লাভ করার জন্য র্তাহার আগ্রহ। পূৰ্ব্বে ১৪২ ও ১৪৩ আয়তে আল্লাহ তাআলা হজরতকে এই প্রতিশ্রুতি দিয়াছিলেন যে, তিনি মুছলমানদিগের জন্য এক ‘মধ্যস্থ' নিরপেক্ষ ও সর্বসমন্বয়ী কেবল নিৰ্দ্ধারণ করিয়া দিবেন—এবং সেমতে মোছলেম মণ্ডলীকে তিনি এক সৰ্ব্বসমন্বন্ধী মধ্যস্থ জাতিরূপে দুনার বুকে প্রতিষ্ঠিত করিবেন। ইহাই ছিল রহমতুল-লিলআলামীন মোহাম্মদ মোস্তফার নবীজীবনের প্রধানতম সাধন। তাই ঐক্কপ প্রতিশ্রুতি লাভ করার পর, সেই অভিপিাত কেবলাকে লাভ করার জন্য আগ্রহাম্বিত হইয়া তিনি আল্লার হুজুরে প্রার্থনা করিতে এবং উন্মুখভাবে সেই আদেশের অপেক্ষা করিতে থাকেন (এবনে মাজা, নাছাঈ, প্রভৃতি) । আলোচ্য আয়তের প্রথম ভাগে ১৪২ ও ১৪৩ আয়ত নাজেল হওয়ার পরের এবং ১৪৪ আস্থত নাজেল হওয়ার পূর্বের সেই অবস্থার প্রতি ইঙ্কিত করা ಈಶI । বিশ্বমানবের, বিশেষতঃ সমগ্র আরবের সকল ধৰ্ম্ম সমস্তার চরম সমাধান হইবে