পাতা:কোরআন শরীফ (প্রথম খণ্ড) - মোহাম্মদ আকরম খাঁ.pdf/২৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


AO ছুর ফাতেহী প্রথম পারা মওলানা আবদুল છેઃ ছাহেব প্রভৃতির নাম উল্লেখ করা যাইতে পারে। নওয়াব ছাহেব উষ্ঠর উর্দু তফছিরে লিখিতেছেন — · t. بلکه کہنا آمری b بجہرارز باسرار دونون طرح پر ثابت هر - ٹ - جہرنے کین میری اس رقت کاه بدعت کا زور و شرر بش زنده کرنا مرده سنت کا شه ر بالله الترتیق - لگی جب کہ اس کہن پر کسی جگہ نویت حرب رضرب کی آرے،اترپھر چپکه هی کهنا مصلحت اش - ترجمان القرآن - ص ۳۳-ا অর্থাৎ—“আমীন উচ্চ শব্দে ও মনে মনে বলা উভয়েরই প্রমাণ আছে। বেদজাতের বর্তমান প্রাবল্যের সময় জোরে আমীন বলিলে একটা মৃত ছুন্নৎকে জীবন্ত করা হয়। তবে যেখানে ইহাতে আপোষের মধ্যে ঝগড়া লড়াই ও মারধর আরম্ভ হইয়া যায়, সেরূপ ক্ষেত্রে মনে মনে আমীন বলাই সঙ্গত।” ( ১–৩৩ পৃঃ ) । উক্ত নওয়াব ছাহেব তাহার মেছকুল খেতাম পুস্তকে লিখিতেছেন – راری شده است در جهربتامین احادیبت صحیحه -- راحادیبش دز جانب جہربیشتر رہصعث آمد: - ر بعضے علما در عادِم جہرنیز تصحیم احادیث نمری:اند ‘ -ا- رتراند که جهرر خفا هردر باشد تازة فتار ، قاله الشیخ - مسک الختام - صری"۳۳۳- ا অর্থাৎ—“উচ্চ শৰে আমীন বলা সম্বন্ধে বহু ছহী হাদিছ বর্ণিত হইয়াছে...উচ্চ শব্দে আমীন বলার হাদিছ সংখ্যা ও মর্য্যাদার হিসাবে অধিক •••••• কোন কোন আলেম মনে মনে আমীন বলার হাদিছগুলিকেও সহি বলিয়া প্রতিপন্ন করিয়াছেন । সম্ভবতঃ আস্তে ও জোরে বলা উভয়ই ছুয়s । হজরত কখনও আস্তে আমীন বলিয়াছেন, আর কখনও জোরে বলিয়াছেন— শেখ আবদুল হক এইরূপ বলেন।” ( ১—২২৩ পৃঃ ) । মওলানা আবদুল হাই ছাহেব তালিক’ পুস্তকে বলিতেছেন – رلانصاف اں الجہرقری مری حیہث الدليل ـــــــ ریّد ردِ ما یشہاد - لكل من المذهبين - التعليق الممجد অর্থাৎ—“ন্যায্য কথা এই যে, দলিলের হিসাবে উচ্চ শব্দে আমীন বলার প্রমাণগুলি অধিকতর বলবান । ছু “ তবুে প্রত্যেক মতের অমুকুল হাদিছ বর্ণিত হইয়াছে t" ( ১০৩ পৃষ্ঠা, ৯নং টীকা) । মওলানা শেখ আবদুল হক লাম্মাতে লিখিতেছেন – ' ر الظاهر العوامل على كلا العملين تارة فتارة - অর্থাৎ—“প্রমাণগুলির সার এই যে, আস্তে ও জোরে আমীন বলার উভয় প্রকার আমলই হজরত হইতে সপ্রমাণ হইতেছে —ইহাই এ মছলার স্পষ্ট সমাধান ।”

  • \ .