পাতা:কোরআন শরীফ (প্রথম খণ্ড) - মোহাম্মদ আকরম খাঁ.pdf/২৬০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


কোরআন শরীফ [ चिडौड़ श्रीव्री مواجه سی. لیاایسے کم ؟ می ,ي بي ,هسي ، هر ح۶ حم २०> च्प्रांझांझ ॐलॉजौब् ब८ङ्ब् : এই জ্বাস্থতের প্রথম ভাগে হজরতের প্রতি কাবাকে কেবলারূপে গ্রহণ করার আদেশ দেওয়া হইতেছে, তাহার উন্মত সেই আদর্শকে যথাযথভাবে গ্রহণ করিবে-ইহাই উদ্দেশু । কিন্তু কালক্রমে এই কেবলার ও তাঙ্গর মূলীভূত শিক্ষার প্রতি মুছলমান সমাজ কিরূপে . উপেক্ষা প্রদর্শন করিবে, আয়তের শেষভাগে তাহার প্রতিও ইঙ্গিত করা হইয়াছে। কুনয়ার বিচ্ছিন্ন ও বিক্ষিপ্ত মুছলমান সব বিরোধ সব ব্যবধান বিস্মৃত হইয়া এক অখণ্ড মহাসজঘরূপে কা'বার"ছায়াতলে সমবেত হইয়া এক আল্লার এবাদত করিবে, ইহাই কেবল প্রতিষ্ঠার প্রধানতম শিক্ষা। কিন্তু শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরিয়া সেই কা'বার মছজিদকে তাহারা সৰ্ব্বপ্রধান বিচ্ছেদকেন্দ্রে পরিণত করিয়া লইল—‘মকামে-এবরাহিম'কে বর্জন করিয়া নামাজের জন্য চারি মোছাল্লা ও চারি জমাআত কণএম হইয়া গেল ! শুধু ইহাই নহে, ইহার প্রতিবাদ করাকেই তাহারা এছলামের চরম অবমাননা বলিয়া মনে করিতে লাগিল । ইহা অপেক্ষ ক্ষোভের কথা আর কি হইতে পারে ? ১৪• কেবল গ্রহণের সুফল : - অধিকতর তাকিদের জন্য এই আয়তে আবার রচুল ও তাহার উন্মতকে এক সঙ্গে সম্বোধন করিয়া বলা হইতেছে—স্বদেশে প্রবাসে, সকল স্থানে সকল সময়, নিজেদের এই শক্তিকেন্দ্রের অভিমুখী হইবে । আয়তের শেবাদ্ধে “যেন” বলিয়া এই কেবল গ্রহণের তিনটা উদ্দেশ্যের কথাও সঙ্গে সঙ্গে বলিয়া দেওয়া হইতেছে । ( ১ ) এই কেবল গ্রহণের পর, ন্যায় ও যুক্তির হিসাবে তোমাদিগের বিরুদ্ধে কাহারও কোন কথা বলিবার অধিকার থাকিবে না। কারণ, (ক) ইহাই হইতেছে আল্লার এবাদতের জন্য প্রতিষ্ঠিত দুনার প্রথম মছজিদ । ( থ ) হজরত এবরাহিমের ও অন্তান্ত নবীগণের প্রার্থনা ও ভবিষ্যদ্বাণী এই কেবলাতেই পূর্ণ ও সত্য হইয়। যাইতেছে। (গ) এছলামের প্রথম কক্ষেত্র আরবের এহুদী, পৌত্তলিক, খৃষ্টান ও মুছলমান অর্থাৎ সকলেই হজরত এবরাহিমকে Patriarch বা কুলপতি বলি এবং কাবাকে তাঙ্গর প্রতিষ্ঠিত আদি ধৰ্ম্মমন্দির বলিয়া স্বীকার করে। (২) তোমরা এই কেবল গ্রহণের শিক্ষাকে দৃঢ়ৰূপে অবলম্বন করিলে আল্লাহ তাহার ন্যা’মৎ বা প্রসাদকে তোমাদিগের প্রতি পূর্ণপরিণত করিয়া দিবেন। নবুঅৎ ও রাজত্ব হইতেছে মানুষের প্রতি আল্লার প্রধান স্তামং ( ৫০ টাকা দেখ )। (৩) পূৰ্ব্ব রুকু’গুলিতে মুছলমানের যে সাধন ও লক্ষ্যের কথা বলা হইয়াছে, তাহারই প্রতি ইঙ্কিত করিয়া বলা হইতেছে—তোমরা কাবাকে অবলম্বন করার ফলে, মোছলেমজীবনের সেই সাধনার মধ্য দিয়া নিজেদের লক্ষ্যে উপনীত হইতে পারিবা। o