পাতা:কোরআন শরীফ (প্রথম খণ্ড) - মোহাম্মদ আকরম খাঁ.pdf/২৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


১ম চুরা ] উম্মল কেতাব’ : . . ఏ ఫి প্রকৃত পক্ষে ইহাই সরল, সহজ ও প্রকৃত সমাধান। জোরে সুস্ট্রিন বলার হাদিছকে : যাহারা সমধিক বলবান বলিয়া মনে করেন, তাহারা অধিকাংশ সময়ে তাহার উপর জুমল .করিবেন। কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে স্মরণ রাখিতে হুইবে যে, আস্তে আমীন বলার রেওয়ায়তগুলিও হজরত রছলে করিমের হাদিছ এবং তাহার ছন্নতের নিদর্শন। অতএব এই হাদিছগুলির উপর আমল করার উদ্দেশ্যে, মধ্যে মধ্যে আস্তে আমীন বলাও র্তাহীদের কর্তব্য। পক্ষান্তরে কেহ কেহ জোরে আমীন বলিতেছে না বলিয়া তাহার প্রতি কটুভাষা প্রয়োগ করা অন্যায় । র্তাহাদিগকে স্মরণ রাখিতে হইবে যে, ওমর ফারুক ও আবদুল্লাহ-এবনে-মছউদের স্তায় মহুমান্য খলিফা ও ছাহাবীও মনে মনে আমীন বলার পক্ষপাতী ছিলেন। (মেছকুল খেতাম প্রভৃতি ) ৷ পক্ষান্তরে মনে মনে আমীন বলার হাদিছগুলিকে যাহারা সমধিক’বলবান বলিয়া বিশ্বাস করেন, তাহাদিগকেও অপর পক্ষের দ্বারা উপস্থাপিত হাদিছগুলি সম্বন্ধে বর্ণিতরূপ মনোভাব পোষণ করিতে হইবে। র্তাহাদিগকেও স্মরণ রাখিতে হইবে যে, হজরতের অধিকাংশ খলিফা ও ছাহাবাগণ উচ্চ শব্দে আমীন বলারই পক্ষপাতী ছিলেন। ফলে রচুলের কোন ছুন্নতের প্রতি এনকার বা বিদ্বেষ পোষণ করা মহাপাপ—এ কথা সৰ্ব্বদাই স্মরণ রাখিতে হইবে । বলা বাহুল্য যে, এই শ্রেণীর মছলা লইয়া মুছলমান সমাজের মধ্যে আত্ম-কলহ স্বষ্টি করার ন্যায় সৰ্ব্বনাশকর মহাপাতক আর নাই। কেহ যদি আজীবন জোরে বা আস্তে আমীন বলে, তাহাতে তাহার দিন-ঈমানের এক বিন্দু ক্ৰট হইতে পারে না, মুছলমান সমাজও তাঁহাতে কোন প্রকার ক্ষতিগ্রস্ত হইবে না। কিন্তু মুছলমানের পক্ষে হিংসা বিদ্বেষ পোষণ করা এবং কলেমার বাহক উন্মতে-মোহাম্মদীকে বিচ্ছিন্ন ও গৃহ যুদ্ধে লিপ্ত করিয়া দেওয়ার মত ব্যক্তিগত ও জাতিগত পাপ আর কিছুই নাই। প্রথমটা ছুয়ৎ এবং দ্বিতীয়টা হারাম। ছুরতের প্রকার ভেদের কলহ তুলিয়া স্পষ্ট হারামে লিপ্ত হওয়া যে কত দূর অন্যায়, আশা করি বাঙ্গল'র ভক্তিভাজন আলেম সমাজ তাহা বুঝিতে, ও বুঝাইতে কুষ্ঠিত হইবেন না। উন্মুল কেতাব – . ছর ফাতেহার এক নাম—“উন্মুল কেতাব"। উম্ শব্দের সাধারণ ঘুর্থ মাতা। কিন্তু আরবী ভাষায় প্রত্যেক বস্তুর মূলকেও তাহার উম্ বলা হইয়া থাকে । (কবির ১—১৩৪)' কোআনে, এমন কি অন্য সমুদয় ঐশিক ধৰ্ম্মগ্রন্থে যে সকল শিক্ষণীয় বিষয় আছে, ফাতেহাছুরায় তাহার মূল ও সারৎসার সম্পূর্ণরূপে সন্নিবেশিত হইয়া আছে। দুঃখের দ্বষয়, আমদিগের সাধারণ তফছিরকারগণ ফাতেহার এই প্রধানতম বিশেষত্বটীর প্রতি আতি মারাত্মক ভাবে অবহেলা প্রদর্শন করিয়াছেন। আমি নিজের সামান্ত শক্তি অনুসারে নিয়ে অতি ংক্ষেপে ইহার একটু আভাষ দেওয়ার চেষ্টা করিব। 粵 . সমস্ত ধৰ্ম্মশান্ত্রে সাধারণতঃ, এবংকোরআনে বিশেষতঃ মানব সমাজকে যে সকল বিষয়ের শিক্ষাদান করা হইয়াছে, তাহকে মূলতঃ চারি শ্রেণীতে বিভক্ত করা যাইতে পারে, যথা:–