পাতা:কোরআন শরীফ (প্রথম খণ্ড) - মোহাম্মদ আকরম খাঁ.pdf/২৮৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


২য় চুরা, ২১শ রুকু ] পালরক্ষকের চীৎকার * ই ৩৩ আয়ুতে আল্লার কেতাব সম্বন্ধে এই অন্ধ-অনুকরণের বিশেষ করিয়া প্রতিবাদ করা হইতেছে। অথচ পরিতাপের বিষয় এই যে, মুছলমান কোআনের তফছির সম্বন্ধেই পূৰ্ব্বপুরুষের অন্ধ অন্তকরণকে অধিকতর নির্মমতার সহিত আঁকড়াইয়া ধরিয়াছে। পূৰ্ব্বযুগের যে কোন লোকের যে কোন মত তফছিরের কেতবে আরবী অক্ষরে স্থানলাভ করিয়াছে, এখন কোরআন বলিতে বুঝায় কেবল তাহাই । সে লোকটর কথা বতই প্রমাণহীন বা প্রমাণ বিরুদ্ধ হউক না কেন, অথরা ব্যক্তিগতভাবে তিনি যতই অবিশ্বন্ত হউন না কেন— তাহাতে কিছুই আসে যায় না । দুনয়ার সমস্ত জ্ঞান সমস্ত যুক্তি, আরবী সাহিত্যের, আরবী ব্যাকরণ অলঙ্কারের সমস্ত নজির ও সমস্ত প্রমাণ, এবং এছলামের সমস্ত ওছুল সমস্ত নীতি, তাহার প্রতিবাদ করিলেও তাহাতে বিচলিত হওয়ার হেতু নাই। কারণ, ইহা হইতেছে ছলফের ( =পূৰ্ব্বপুরুষদের ) তফছির আয়তে এই ছলক্ষ বা পূৰ্ব্বপুরুষ-পূজারই প্রতিবাদ করা হইতেছে। পূৰ্ব্ব আয়ুতে শয়তানের যে পদলেধার কথা বর্ণিত হইয়াছে, এই পূজাও তাহার অন্তর্গত, সেই জন্য উহার অব্যবহিত পরেই ইহার উল্লেখ করা হইয়াছে। P ১৫৯ 844 -পালরক্ষকের চীৎকার – পালরক্ষক নিজ পশুদিগকে পরিচালন করার জন্য যে শব্দ করে, তাহাকে G-এ বলা হয় ( রাগেব, কবির ) । পূৰ্ব্ব আয়তে আল্লার কেতাবের অনুসরণ করার ও পিতৃপুরুষের অন্ধ অন্তকরণ না করার আদেশ দেওয়া হইয়াছে। ঐ আদেশকে অমান্ত করিয়া বাহারা পূৰ্ব্ব পুরুষের অন্ধ অন্তকরণে লিপ্ত হইয়া থাকে, একটা সৰ্ব্বজনবিদিত উপমা দিয়া তাহীদের অবস্থার শোচনীয়তা বুঝাইয়া দেওয়া হইতেছে । তাহারা হইতেছে অজ্ঞান পশুর সমান, রাখালের শব্দ আর চীৎকার মাত্র তাহারা শুনিয়া থাকে, কিন্তু সেই শব্দের মৰ্ম্ম, তাহার আদেী অবগত হয় না। এখানে পালরক্ষক অর্থে আল্লার রচুলকে বুঝাইতেছে—অর্থাৎ এই অজ্ঞ অন্ধ-মোকাল্পেদগুলি রচুলের শিক্ষার তাৎপৰ্য্য আদৌ বুঝিতে পারে না, তাহার অতুসরণও ইহারা করিতে চায় না, কারণ বধির-মুক-অন্ধ তাহারা। লোকে স্বেচ্ছায় অtল্লার কেতাব বা সেই পালরক্ষকের বাণী তাহাকে বুঝাইয়া দিতে আসিলে সে তাহাতে কর্ণপাত করিবে না, কারণ সত্যশ্রবণ দীর্ঘকাল পরিত্যাগ করিয়" বসাতে তাহার স্বাভাবিক শক্তিকে সে হারাইয়া বসিয়াছে। অন্তের নিকট জিজ্ঞাসা করিয়া সে সম্বন্ধে জ্ঞানলাভ করা তাহার পক্ষে অসম্ভব, কারণ সত্যভাষণের স্বাভাবিক শক্তির অব্যবহারে এখন তাহ অকৰ্ম্মণ্য হইয়া পড়িয়াছে। নিজে দেখিয়া শুনিয়া শিক্ষা লাভ করার ও কোন সম্ভাবনা BBBBB BBB S BBBB BBBB BB BB BBBS BBB BB BBBB BBBS BBBB সত্যদর্শনের স্বাভাবিক শক্তিকে সে নষ্ট করিয়া ফেলিয়াছে। এই তিনটা ছিল সত্যজ্ঞান-- লাভের পন্থা, এ সমস্তকে হারাইয়া ফেলার ফলে তাহদের পক্ষে ইহার কোন সম্ভাবনা অণর মাই। L