পাতা:কোরআন শরীফ (প্রথম খণ্ড) - মোহাম্মদ আকরম খাঁ.pdf/৩০৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


২য় ছুরী, ২৩শ রুকু ] রমজাল মাসন • ২৮ 2 কলহ করিয়া থাকে ( মোমেন ) । &Uী من الناس من يجادل فىي —একদল লোক এরূপ আছে, যাহারা আল্লাহ সম্বন্ধে হঠতর্ক করিয়া থাকে (হজ দুইস্থানে ও লোকমান )। ৮ to Uz' Jos? —লুতের কওমসম্বন্ধে আমাদের সহিত কলহ করিতে থাকে (হুদ)। exO L –4te au —কালালা সম্বন্ধে আল্লাহ তোৰাদিগকে ব্যবস্থা দিতেছেন ( নেছা ) । উপরে কোবৃঅান শরিফের ১৬টা আয়ুতের ২০ট প্রমাণ উদ্ধৃত করিয়া দিলাম। এই সকল স্থানে “কল”-বর্ণের অর্থ সম্বন্ধে বা ‘বিষয়ে গ্রহণ করা অনিবাৰ্য্য, এ সম্বন্ধে কাহারও মতভেদ নাই । ‘মধ্যে’ বা তে বলিয়া অর্থ গ্রহণ করিলে উহার কোনই মানে মতলব হইতে পারে না হাদিছেও ইহার যথেষ্ট প্রমাণ পাওয়া সায়। হজরত বলিতেছেন— دخلت امرأة النار ای هرة ربطتها فلم تطعمها - -“জনৈক স্ত্রীলোক একটা বিড়ালের কারণে নরকে প্রবেশ করিয়াছিল-সে তাহাকে বাধিয়া রাখিয়াছিল, অথচ খাইতে দেয় নাই” ( বোখারী, মোছলেম ) । একটা স্ত্রীলোক “বিড়ালের মধ্যে” নরকে প্রবেশ করিয়াছিল, এরূপ তাৎপৰ্য্য কেহই গ্রহণ করিবেন না। এই হাদিছের শেষভাগে আছে ছাহাবার জিজ্ঞাসা করিলেন— is auv L U U' –পাগের সম্বন্ধেও কি আমাদের পুণ্যলাভ হইতে পারে ? হজরত উত্তর করিলেন– U Le }s a9 ১৫ –প্রত্যেক সজীব হৃৎপিণ্ড সম্বন্ধে পুণ্যলাভ হইয়া থাকে। এইরূপে- هذه الایت نازلت فی الخمر - رجم ما غرفی الزنا - فی کل اربعیری شاۃ شاة এJ} &y.3৯ ইত্যাদি প্রকার ব্যবহারে গদিছ তফছির পূর্ণ হইয়া আছে। يب "ي بكر সমস্ত অভিধানকার একবাকে স্বীকার করিতেছেন যে, 'ক্ষী-বৰ্ণ সম্বন্ধে, বিষয়ে ও কুণরণে'অর্থেও ব্যবহৃত হইয়া থাকে (দেখ—মুনীর, কামূছ, মাওয়ারেদ, বেহার, কবির ২—১৮২, ৪৩৮ প্রভৃতি) । এই সকল প্রমাণের দ্বারা অকাট্যরূপে প্রতিপন্ন হইয়া যাইতেছে যে, শাদিক হিসাবে আয়তের অর্থ নিম্নলিখিত উভয় প্রকারই হইতে পারে। যথা – o (১) রমজান মাস ঘাহাতে কোবৃত্মান নাজেল হইয়াছে ! ( ) রমজান মাস লাহার অনহুম্বন্ধে কোরআন নাজেল হইয়াছে। প্রথম অর্থ সমীচীন বলিয়া গৃহীত হইতে পারে না, কারণ রমজান মাসে কোরআন নাজেল হওয়ার কোন প্রমাণ নাই, বরং ইহা প্রমাণের বিপরীত যুক্তিহীন দাবী মাত্র। রমজান মাসে কোঅান অবতীর্ণ হইয়াছে, এ কথার তাৎপৰ্য্য কি ? হয় বলিতে হইবে যে, হজরতের প্রতি সৰ্ব্বপ্রথমে রমজান মাসে কোবৃঅানের প্রথম অংশ নাজেল হইয়াছিল, অথবা বলিতে হইবে যে, সমস্ত কোআন এক রমজান মাসে একত্রে অবতীর্ণ হইয়াছিল, কিম্বা স্বীকার, করিতে হইবে যে, অন্তান্ত মাসের স্তায় রমজান মাসেও তাহার কিছু কিছু অংশ নাজেল হইয়াছিল। শেষোক্ত তাৎপৰ্য্য অনুসারে বিশেষরূপে রমজান মাসে কোর্মান নাজেল