পাতা:কোরআন শরীফ (প্রথম খণ্ড) - মোহাম্মদ আকরম খাঁ.pdf/৩১৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


●AG*3 কোরআন শরীফ [ দ্বিতীয় পারা মছজিদ সমূহকে—যাহাতে বহুলভাবে আল্লার নাম করা হইয়া থাকে—বিধ্বস্ত করিয়া ফেলা हहेठ ।” এই আয়তে জেহাদের কারণ ও লক্ষ্য উভয়ই স্পষ্ট করিয়া বলিয়া দেওয়া হইতেছে। যে অবস্থায় মুছলমান ধর্মের জন্য উৎপীড়ি হয়, স্বাধীনভাবে স্বধৰ্ম্মপালনে তাহাদিগকে বলপূর্বক বাধা দেওয়া হয় এবং এই উদেখে তাহাদিগের বিরুদ্ধে যুদ্ধ আরম্ভ করিয়া দেওয়া হয়—সে অবস্থায় ধর্মের সন্ত্রম ও স্বাধীনতা রক্ষার জন্য, মুছলমানদিগকেও অস্ত্রধারণের অনুমতি দেওয়া হইতেছে। ধর্মের স্বাধীনতা রক্ষণ করাই হইতেছে এই জেহাদের উদ্দেশু, বলপূর্বক অন্তকে স্বধৰ্ম্মে দীক্ষিত করা এছলামের প্রবর্তিত ধৰ্ম্মযুদ্ধের উদ্বেগু নহে। এছলাম যেমন মুছলমানকে স্বাধীনভাবে স্বধৰ্ম্মপালনের অধিকার দিতেছে, সেইরূপ অন্তধৰ্ম্মাবলম্বীদিগের সেই অধিকার স্পষ্টভাষায় স্বীকার করিতেছে। তাই আয়তে মুছলমানের মছজিদের সঙ্গে সঙ্গে অন্তধৰ্ম্মাবলম্বীদিগের মন্দির গির্জা ও Synagogues বা উপাসনালয়গুলিরও উল্লেখ করা হইয়াছে। ছর হজের এই আয়ত বিদ্যমান থাকা সত্তেও, আলোচ্য ১৯০ আয়তে আবার মুছলমানদিগকে নুতন করিয়া জেহাদের আদেশ বা অল্পমতি দেওয়ার কারণ হইতেছে—নিষিদ্ধ মাস DBB BBBBBB BBB S BBBBBBB BBBBBB BBB BBBB BB BBB BBBB মুছলমানদিগের আক্রান্ত হওয়ার যথেষ্ট আশঙ্কা ছিল । অন্য সময় এই প্রকার আক্রমণের প্রতিরোধ করার জন্য অস্ত্ৰধারণ করা অসঙ্গত হইত না । কিন্তু নিষিদ্ধ মাসগুলিতে যুদ্ধ করা আরবের সংস্কার অনুসারে মহাপাপ । সুতরাং এ অবস্থায় আক্রান্ত হইলে, আত্মরক্ষার জন্য অস্ত্ৰধারণ করা তাহীদের পক্ষে সঙ্গত হইবে কি না—ইহাই ছিল হজরতের সহচরদিগের সংশয়ের বিষয়। এই নুতন সংশয় দূর করার জন্য নুতন করিয়া বলিয়া দেওয়া হইতেছে যে, এই নিষিদ্ধ মাসের বাধাবিঘ্নকে অমান্ত করিয়া কোরেশগণ যদি তোমাদিগকে আক্রমণ করে, তাহা হইলে তোমরাও ঐ সময় অস্ত্ৰধারণ করিয়া অত্যাচারদিগের কবল হইতে আত্মরক্ষার চেষ্টা পাইবে । আয়ুতে এই অস্থধারণের তিনটা শর্ত অতি স্পষ্টভাবে ব্যক্ত করা হইয়াছে । যথা –(১) অন্তে যুদ্ধ না করা পৰ্য্যন্ত মুছলমান কাহাকেও আক্রমণ করিবে না, (২) তাহা হইবে আল্লার পথে সম্পূর্ণ সাবিক যুদ্ধ, এবং (৩) শত্রুদিগের অত্যাচার ও আক্রমণ নিবারণের জন্য যতটা আবশ্বক, তাহার অতিরিক্ত জুলুম জবরদস্তি করা মুছলমানের পক্ষে সঙ্গত হইবে না। এইরূপ করিলে সীমালংঘন করা হইবে, সীমালংঘনকারাদিগকে আল্লাহ প্রেম করেন না। সুতরাং তাহার প্রেমভিখারী মুছলমান ঐক্লপ অনাচারে কখনই লিপ্ত হইতে পারে না। হজরত রচুলে করিম স্বয়ং বলিয়াছেন—নিজের বীরত্ব প্রদর্শনের জন্য যে যুদ্ধ, তাহ জেহাদ নহে। সাম্প্রদায়িক গোড়ামীর বশবৰ্ত্তী হইয়া যে যুদ্ধ করা হয়, তাহ জেহাদ নহে। সমাজের নিকট যশ অর্জনের করার ও লোক দেখাইবার জন্য যে যুদ্ধ, তাহাও জেহাদ নহে । কিন্তু—