পাতা:কোরআন শরীফ (প্রথম খণ্ড) - মোহাম্মদ আকরম খাঁ.pdf/৩২০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


কোরআন শরীফ { দ্বিতীয় পারা دی اچھ؟ D ്TarunnoBot (আলাপ) ১৯:২৩, ৯ এপ্রিল ২০১৬ (ইউটিসি)സസ്സ് ഹ AeSeMAAA SAAAAA AAAA AAAA AAAA AAAA AAAAAS S * Thy h^^.*|^^ థ్కౌ* *". AA AMA AM MMM AMee AAee AeMe eeAMA AJSeeA SAAA AAAAA —“বাবৎ ফেৎনা রহিত না হইয়া যায়, তাবৎ তাহদের সহিত যুদ্ধ কর”—হজরতের সময় আমরা এই আয়ত অনুসারে কাজ করিয়াছি। সে সময় মুছলমান কম ছিল, ধর্থের জন্য মুছলমানকে তখন ফেৎনায় আপতিত করা হইত—বিধৰ্ম্মীরা হয় তাহাকে হত্যা করিয়া ফেলিত, না হয় নিৰ্য্যাতিত করিত। তাহার পর মুছলমানের সংখ্যা অধিক হইয়া গেলে এই ফেৎনা রহিত হইয়া যায় (মনছর ১—২০৬ ) । অতএব যাবৎ ফেৎনা রহিত না হয়। ইহার অর্থ—যাবৎ ধর্মের জন্য বিধৰ্ম্মীদের অত্যাচার ও নির্য্যাতন স্থগিত না হয়। মানুষ ধৰ্ম্ম পালন করিবে—স্বাধীনভাবে, একমাত্র আল্লার আদেশ বা নিষেধ বলিয়া । অত্যাচারী জালেমের দল তাহাতে বাধা দিয়া আল্লার আদেশ নিষেধকে রহিত করিয়া নিজেদের আদেশ নিষেধকে বলবৎ করিতে চায়। তাহীদের ফেৎনা বা অত্যাচার নিবারিত হইয়া গেলেই মাচুব স্বাধীনভাবে আল্লার ধৰ্ম্ম পালন করিতে সমর্থ হইবে । লিল্লাহে-শব্দের লাম-বর্ণের প্রতি লক্ষ্য রাখিয়া শান্ধিক অনুবাদ করিলে au pay ৬০-পদের অর্ধ হইবে –ধর্মের কৰ্ত্ত হইবেন আল্লাহ। অর্থাৎ ধৰ্ম্ম সম্বন্ধে আল্লাহ ব্যতীত আর কাহারও কর্তৃত্ব চলিবে না। আল্লাহ যে কাজের আদেশ বা অনুমতি দিয়াছেন, কেহ জোর জবরদস্তি করিয়া তাহা করিতে না দিলে আল্লার কর্তৃত্বকে অমান্ত করা হয়। এইরূপে আল্লাহ যে কাজ করিতে নিষেধ করিয়াছেন, মানুষকে অত্যাচার পূর্বক সেই কাজ করিতে বাধ্য করিলে, আল্লার কর্তৃত্বের উপর মানুষের কর্তৃত্বকেই বলবৎ করা হয়। ফেৎনা রহিত হইয়া আল্লার কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত যাবৎ না হয়, মুছলমানকে তাবৎ অত্যাচারীর বিরুদ্ধে সংগ্রাম করার আদেশ এই আয়তে দেওয়া হইয়াছে। পূৰ্ব্বের আয়তগুলির সহিত এই আয়তের কোনই অসামঞ্জস্ত নাই, কোরআনে এই প্রকার অসামঞ্জস্ত থাকা সম্ভবপরও নহে। sa নিষিদ্ধ মাস ঃ— রজব, জিল-কা’দা জিল-হাজ্জা ও মহরম—এই চারি মাসকে নিষিদ্ধ মাস বলা হয় ( ১৭৫ টকা দেখ ) । নিষিদ্ধ মাসের বদলে নিষিদ্ধ মাস—ইহার তাৎপৰ্য্য এই যে, নিষিদ্ধ মাসে অস্তকে আক্রমণ করা নিষিদ্ধ। কিন্তু কেহ যদি নিষিদ্ধ মাসের সন্ত্রম হানি করিয়া এই সময় মুছলমানদিগকে আক্রমণ করে, অহা হইলে সে অবস্থায় আত্মরক্ষার জন্য অস্ত্ৰধারণ করা নিষিদ্ধ নহে। ৬ষ্ঠ হিজরীতে হজরত রচুলে করিম ছাহাবাগণকে লইয়া মক্কার তীর্থযাত্রায় বাহির হইলে, নিষিদ্ধ মাসের অন্যায় সুযোগ লইয়া কোরেশগণ ঐ সময় কা'বার হরমের মধ্যে মুছলমানদিগকে আক্রমণ করিবার জন্য প্রস্তুত হইয়াছিল (মোস্তফী-চরিত ৬৩৫ ) । মুছলমানেরা তখন মহা সমস্তায় পড়িলেন–নিষিদ্ধ মাসে ও নিষিদ্ধ স্থানে যুদ্ধ করা অন্যায়। এ দিকে অস্ত্ৰধারণ না করিলে তাহীদের ধ্বংস আনিবাৰ্য্য। ঐ সময় এই আয়ত নাজেল হয় এবং ইহাতে মুছলমানদিগকে বলিয়া দেওয়া হয় যে, আত্মরক্ষার জন্য নিষিদ্ধ মাসে ও নিষিদ্ধ স্থানে অস্ত্ৰধারণ করা অসঙ্গত নহে। আম্বতের শেষভাগে বলিয়া দেওয়া হইতেছে