পাতা:কোরআন শরীফ (প্রথম খণ্ড) - মোহাম্মদ আকরম খাঁ.pdf/৩৩১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


২য় ছুরা, ২৫শ রুকু ] ইহকাল ও পরকাল NరిOS 動 பி). ميتسطيع حتية هي هو خا AAAAAA SAAAA SAS A SASAAAAAS LAAAAAeS TA SAeS TS --يدية حياتهم كيخياطة ব্যবস্থা, আর জনসাধারণের জন্য অন্য ব্যবস্থা–নিরপেক্ষ ও মঙ্গলময় আল্লার ধৰ্ম্মে এহেন জঘন্য বিধানের কোন স্থান নাই । :量 নবুঅত-লাভের পূর্বেই হজরত মোহাম্মদ মোস্তফা এই জঘন্য মানসিকতার প্রতিবাদ করিয়াছিলেন । এই সময় একদা হজের মওছমে তাহার আত্মীয় স্বজনগণ যখন নিজেদের কৌলিন্ত ও পৌরোহিত্যের গৌরব রক্ষার জন্য মুজদালেফয় গিয়া সমবেত হইল এবং অকুলীন জনসাধারণ আরাফাতের দিকে যাত্রা করিতে লাগিল, তখন বজকণ্ঠে এই অন্তায় মানসিকতার প্রতিবাদ করিয়া কোরেশের এই তরুণযুবক তথাকথিত অকুলীনদিগের সহিত মিশিয়া আরাফাতযাত্রা করেন এবং তাহদের সঙ্গে আবার ফিরিয়া আসেন। নিজেদের কুলগৌরবকে এমনভাবে পদদলিত করাতে কোরেশের ক্রোধ ও অভিমান যে কিরূপ প্রচণ্ড আকার ধারণ করিয়াছিল, তাহ সহজেই অল্পমান করা যাইতে পারে । মজার কথা এই যে, যাহাদের মহৰ্ষত্বের অধিকারকে নিৰ্ম্মমভাবে পদদলিত করার জন্য কোরেশগণ এই অন্তায় ব্যবস্থার সৃষ্টি করিয়াছিল, তাহারাও তখন হজরতের এই কাৰ্য্যকে অন্তায় ও অধৰ্ম্ম বলিয়াই মনে করিয়াছিল। কিন্তু নিঃসম্বল ও নিরাশ্রয় মোহাম্মদ মোস্তফ তাহদের সমবেত সংস্কারের প্রতি ক্ৰক্ষেপ মাত্র না করিয়া, এই অধৰ্ম্মের ধৰ্ম্মকে দলিত মথিত করিয়া ফেলিতে একবিন্দুও দ্বিধা বোধ করেন নাই। দুঃখের বিষয়, রছুলের এই শ্রেণীর ছুন্নতের উপর আমল করার লোক অতি বিরল । ১৯• আল্লাহ কে স্মরণ করিও — এছলামের পূৰ্ব্বে আরবগণ হজের পর একত্র সমবেত হইয়া, কবি ও কথকদিগের দ্বারা নিজেদের পূর্ব পুরুষগণের নামে নানা প্রকার অহঙ্কার ও আন্দালন করিত। সঙ্গে সঙ্গে অন্ত গোত্ৰগণের মানি ও নিন্দাও আরম্ভ হইয়া যাইত। ফলে, যে হজ ছিল সাম্যের ও শান্তির সাধনক্ষেত্র, তাহাই আরবগোত্ৰগণের অসাম্য ও অশান্তির প্রধান কারণে পরিণত হইয়া যাইত। তাই আয়তে এই কুপ্রথার মূলোচ্ছেদ করিয়া আদেশ দেওয়া হইতেছে যে, হজের পর নিজ নিজ গোত্রের পূর্বপুরুষগণের নামে অহঙ্কার না করিয়া, সকল বংশের সকল গোত্রের সমবেত মালেক যে আল্লাহ, সমবেত কণ্ঠে তাঁহারই নামে জয়জয়কার করিতে থাক । সেই কেন্দ্রকে অবলম্বন করিতে পারলেই অসাম্যের সমস্ত সংঘর্ষ দূর হইয়া যাইবে। "মাহুৰ সকলেই,সেই একমাত্র আল্লার আয়াল বা সন্তান”—এই শিক্ষাকে গ্রহণ করিতে পারিলেই এছলামের ভ্রাতৃত্বজ্ঞানের সত্য অতুভূতি তোমাদিগের মধ্যে জাগ্রত হইয়া উঠিবে। ১৯১ ইহকাল ও পরকাল – ইহকাল ও পরকালের সমবায় মুছলমানের ধৰ্ম্মজীবন, এই উভয় জীবনের মঙ্গললাভের সাধনার নামই এছলাম। অতএব মুছলমানের কণম্য হইবে—ইহকালের মঙ্গল ও পরকালের