পাতা:কোরআন শরীফ (প্রথম খণ্ড) - মোহাম্মদ আকরম খাঁ.pdf/৩৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


১ম চুরা ] বিবরণের ভিত্তিছীলতা Sసె ছিল । বস্তুতঃ বিছমিল্লাহির রহমানির রহিম পদটাও যে, সে লক্ষ্ম পৰ্য্যন্ত কোরেশদের অবিদিত ছিল, তাহাও এই সঙ্গে স্পষ্টরূপে বুঝিতে পারা যাইতেছে। কারণ বিছমিল্লায় রহমান শব্দ ব্যবহৃত হইয়াছে'। প্রকৃত পক্ষে সে সময় “বিছমিল্লাহির রহমানির রহিম” পদটা জানা থাকিলে, এবং রডওয়েল সাহেবের কথা মতে কোরেশগণ নিজেদের পত্রাদিতে উহার যথেষ্ট ব্যবহার করিতে থাকিলে, এই সময় রহমান শব্দ শুনিয়া তাহদের আশ্চৰ্য্য প্রকাশের, বা তাহাকে “অভিনব” নাম বলিয়া অভিমত প্রকাশের কোনই কারণ ছিল না ।" 疇 স্তর উইলিয়ম মুয়র প্রমুখ খৃষ্টান লেখকগণ ছুর ফোর্কানকে Fifth Period বা পঞ্চম পর্য্যায়ভুক্ত বলিয়। নিৰ্দ্ধারণ করিয়াছেন। তঁহাদিগের মতে এই পর্যায়ের ছকগুলি নবুয়তের দশম সন হইতে মদিনায় হেজরত কাল অবধি প্রকাশিত হইয়াছিল । ( Hughes, ৫০২ পূঃ) । সুতরাং তাহাদিগের হিসাব মতেও দেখা যাইতেছে যে, হেজরতের সময় ব| তাহার অব্যবহিত পুৰ্ব্ব কাল পর্য্যন্ত, বিছমিল্লায় বর্ণিত রহমান শব্দ মক্কাবাসীদিগের তথা আরবের জনসাধারণের নিকট সম্পূর্ণ অশ্রুত ও অবিদিত ছিল । অন্ততঃ তাহারা ঐ শব্দটা কখনই ব্যবহার করে নাই। অথচ হেজরতের পূর্ণ তের বৎসর পূৰ্ব্বে কোরআনের প্রথম ছুর নাজেল হইছিল, এবং প্রত্যেক চুরার প্রারম্ভে “বিছমিল্লাহির রহমানির রহিম” পদটাও অবতীর্ণ হইয়া আসিয়াছিল"। কাৰ্য্যতঃ আমরা দেখিতেছি যে, কোরেশদিগের বিছমিল্লার সহিত পরিচিত হওয়ার বহু পুৰ্ব্ব হইতেই কোরআনের প্রত্যেক ছুরার সহিত বিছমিল্লাহির রহমানির রহিম পদটীও নাজেল হইয়া আসিয়াছিল। অতএব—“মোহাম্মদ কোরেশদিগের নিকট হইতে ঐ পদটী গ্রহণ। করিয়াছিলেন”—রডওয়েল সাহেবের এই উক্তিটা যে কতrর অসমীচীন, তাত সহজে বুঝিতে পীরা যাইতেছে । * , (গ) হজরতের জীবনী আলোচনা করিলে জন। যাইবে যে, হিজরীর ষষ্ঠ বৎসরের শেষ ভাগে হোদয়বিয়া নামক স্থানে হজরতের সহিত কোরেশদিগের একটা সন্ধি হইয়াছিল। এই উপলক্ষে সন্ধি লেখার সময় হজরত উগর প্রারস্তে “বিছমিল্লাহির রহমানির রহিম” লিখিতে আদেশ করেন । কে রেশ প্রতিনিধি ইহাতে আপত্তি করিয়া বলিলেনঃ– - سـبــ فما لدريب ما بسم الله الرحمن الرحيم ر لكن كتب ما نعرف باسهكب so اللهم - ۰ مسلم ، با ۳ ص 9 - ا অর্থাৎ—“ বিছমিল্লাহির রহমানির রহিম যে কি, তাহা আমরা অবগত নহি। . অতএব উহার স্থলে বে-এছমেকা আল্লাহুম্মা লেখা হউক—যাহার সহিত আমরা 'পরিচিতN” (“ছহি, ason's-s-s } | হাদিছের এই বিশ্বস্ততম কেতবে বর-বেন-আজেব নামক হজরতের সহচর ও প্রত্যক্ষদশী .সাক্ষী কর্তৃক বর্ণিত এই বিবরণ হইতে অকপট্যরূপে প্রতিপন্ন হইতেছে যে, হিজরীর ষষ্ঠ সনের অর্থাৎ নবুয়তের উনিশ বৎসরের শেষ ভাগ পৰ্য্যন্ত কোরেশগণ “বিছমিল্লাহির রহমান: কুমি” সুতি পরিচালনা। শ্বে সময় তাহারা নিজেদের পত্রদির প্রারম্ভে ঐ পদ লিমিyে