পাতা:কোরআন শরীফ (প্রথম খণ্ড) - মোহাম্মদ আকরম খাঁ.pdf/৩৫১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


২য় ছুরা, ২৭শ রুকু ] জেছীদের গভীরতত্ত্ব `८३-ax سے حبیب-سےہمعےہیے“ SAAAAAA AAAA AAAA AAAA ASASASA MASAeAAA S مدار s مير ** ه گبی حسی یحیی همه " Wh Alam * همین سس حسیحیی بس۹ بیستمی معمحماسه حس "صصی S AAAAASAAAAeeAM AAAA AAAA AeSeeAAAS *FM^^్నr w w wళ్ళా این تی-تی۳۹ بیت = مبعدة قد ও তাহার হজযাত্ৰাদিগকে রক্ষা করা, সকলকে স্বাধীনভাবে ও শাস্তির সৃহিত আল্লার ধান ধারণায় লিপ্ত হওয়ার সুযোগ দেওয়া, দেশবাসীকে নির্ভয় ও নিরাপদ করা । কিন্তু কোরেশগণ সেই কা'বার হরম হইতে মুছলমানদিগকে বাহির করিষা দিয়াছিল, মুছলমানতীর্থযাত্ৰাদিগকে মক্কার ত্রিসীমায় প্রবেশ করিতে বাধা দিয়াছিল, ঐ নিষিদ্ধ মাসে মুছলমানদিগকে আক্রমণ করিয়া সদলবলে নিহত করার জন্য সৰ্ব্বতোভাবে প্রস্তুত হইয়াছিল, এই সমস্ত ব্যাপারে আল্লার স্পষ্ট আদেশকে শোচনীয়ভাবে অমান্ত করিয়াছিল। সুতরাং স্থান বিশেষের বা সময় বিশেষের সম্মান করার যে মূলনীতি, তাহাকে জঘন্যভাবে পদদলিত করিতে একটুও দ্বিধা বোধ তাহারা কখনই করে নাই। এ অবস্থায় নিষিদ্ধ মাসের সন্ত্রম সম্বন্ধে আলোচনা করা তাহদের পক্ষে আদৌ শোভা পায় না। হেজরতের পূৰ্ব্বে ও পরে মক্কাবাসীরা ভক্ত-নরনারীর উপর, শুধু তাহার এক আল্লার পূজারী হওয়ার অপরাধে, যে সকল নিৰ্ম্মম ও লোমহর্ষক অত্যাচার করিয়াছিল, “ফেৎনা হত্যা অপেক্ষা অধিক গুরুতর”পদে এই প্রসঙ্গে তাহার প্রতিও ইঙ্কিত করা হইয়াছে। ফেৎনার অর্থ সম্বন্ধে ১৭৮ টীকা দ্রষ্টব্য। ১৮১ টকাতেও নিষিদ্ধ মাস সম্বন্ধে আলোচনা করা হইয়াছে। ২০৮ জেহাদের গভীর তত্ত্ব ঃ— কোফরের সহিত এছলামের এবং শের্কের সহিত তাওহিদের কখনই সন্ধি হইতে পারে না । সেই জন্য শের্ক ও কোফরের বাহক যাহারা, তাহারা মুছলমানের সহিত চিরকাল যুদ্ধ চালাইতে থাকিবে এবং তাহাকে সম্পূর্ণরূপে ধৰ্ম্মচু্যত না করা পর্য্যন্ত বিধৰ্ম্মীরা কখনই ক্ষান্ত হইবে না। এ অবস্থায় হয় তাহাকে বিধৰ্ম্মীর এই অভিসন্ধির নিকট আত্মসমপণ করিতে হইবে, না হয় উলঙ্গ তরবারী হস্তে আপন ধৰ্ম্মকে রক্ষা করিতে হইবে । বিধৰ্ম্মীরা সাধ্যপক্ষে এই চেষ্টার ক্রটা কোন দিনই করিবে না—সুতরাং মুছলমানকেও আত্মরক্ষার . জেহাদ চিরকালই চালাইয়া যাইতে হইবে । এই জন্যই হজরত রচুলে করিম বলিয়াছেন ঃ– الجهاد ماضی لیسی یرم القيامة - অর্থাৎ—জেহাদ কেয়ামত পর্য্যন্ত চলিতে থাকিবে । “উম্মতের সমবেত অভিমত এই যে, সকল সময় জেহাদ ফরজে-কেফায়া, অর্থাৎ একদল, লোক জেহাদে লিপ্ত থাকিলে অন্য সকলের দায়িত্ব শেষ হইয়া যায়। কিন্তু কেহই যদি জেহাদ না করে, তাহা হইলে ফরজ ত্যাগ করার জন্য সকলেই. গোনাহগার হয়। তবে কাফেরগণ যদি মুছলমানের রাজত্ব আক্রমণ করে, তখন উহা ফরজে-আঞন হইয়া দাড়ায়, অর্থাৎ তখন জেহাদে লিপ্ত হওয়া প্রত্যেক মুছলমানের পক্ষে ব্যক্তিগত ফরজ হইয়া দাড়াম্ব” ( তফছিকুল কোমান ২-৩১৯ ) । মুছলমানেরা যাবৎ বিধৰ্ম্মীদিগের ঐ অত্যাচারের শক্তিকে চূর্ণবিচূর্ণ করিয়া ফেলিতে মা পারে Ayaa; 3 Li~ (৫–৪৭) তাবৎ তাহাদিগকে জেহাদ চালাইয়া বাইতে হইবে, ইহা কোমানেরই আদেশ। কারণ মুছলমানের জাতীয় জীবনকে রক্ষা করার একমাত্র উপায়