পাতা:কোরআন শরীফ (প্রথম খণ্ড) - মোহাম্মদ আকরম খাঁ.pdf/৩৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


Ro কোরআন শরীফ প্রথম পারা অভ্যস্ত হইলে, সন্ধিখণ্ডেীয় উপস্থিত উভয় পক্ষের বহু গণ্যমান্ত লোকের সাক্ষাতে কোরেশগণ তোমাদের এই বিছমিল্লাহির রহমানির রহিম যে কি, তাহা আমরা জানি না বলিয়া কখনই উহার বিরুদ্ধে আপত্তি করিত না, এবং তাহা হইলে মুছলমান পক্ষ তাইদিগের এই আপত্তির যথাযথ প্রতিবাদ করিতেও কখনই কুষ্ঠিত হইতেন না। ফলে এই সকল যুক্তি-প্রমাণের দ্বারা অকাট্যরূপে প্রতিপন্ন হইতেছে যে, রডওয়েল সাহেবের উক্তি কেবল প্রমাণসীন দাবীই নহে, বরং উষ্ঠ স্পষ্ট ও অকাট্য প্রমাণের বিপরীত একটা কল্পিত উপকথ। মাত্র । সেল সাহেবের অনুমান ঃ– কোর্মানের বিখ্যাত অনুবাদক পাদ্রী সেল সাহেব বলিতেছেন—“এহুদী ও প্রাচ্য খৃষ্টানদিগের এইরূপ স্থলে বিছমিল্লার অন্তরূপ এক একট পদের ব্যবহার দেখা যায়। কিন্তু আমি বিশ্বাস করিতে (apt to believe) বাধ্য হইতেছি যে, প্রকৃতপক্ষে মোহাম্মদ মজুসদিগের নিকট হইতেই বিছমিল্লাহ গ্রহণ করিয়াছেন। তাহারা নিজেদের পুস্তকগুলি ৩১g to এই পদের সহিত আরম্ভ করিতে অভ্যস্ত ছিল।" (ভূমিকা ৪২ পৃষ্ঠা )।— بخشایشگرد در কিন্তু বড়ই দুঃখের বিষয় এই যে, সেল সাহেব তাহার এই দাবীর কোন প্রকার প্রমাণ দেওয়া অবশ্যক মনে করেন নাই। এ ক্ষেত্রে পাসীদিগের দুই একখানা পুস্তকের নাম উল্লেখ করা উচিত ছিল, তাহ হইলে সেই পুস্তক রচনার ও তাহার বর্তমান মুসবিদার সন তারিখ লইয়া আলোচনা করার সূবিধা হইত। কিন্তু সত্যান্ত সন্ধিৎসু জনসাধারণের ইহাতে সুবিধা হইলেও পদী সাহেবের সমস্ত উদ্দেশ্যই তাহা হইলে পণ্ড হইয়া যায় ! এই জন্য সাবধানতার সহিত এ বিষয়টা তিনি চাপিয়া গৃ্যিছন | সে যাহা হউক, এই আলোচনা প্রসঙ্গে আমাদিগের প্রথম বক্তব্য এই যে, পাজী সাহেব এখানে বিশেষ কারণ বশতঃ পাপীদিগের ব্যবহৃত পদটা কাট ছাট করিয়া উল্লেখ করিয়াছেন। দিছাতিরে আছমানী’ পুস্তকে এই স্থানে উল্লিখিত হইয়াছে – بنام ایزد بخشاینده بخشایشگر مہرباں دادگار- سراجي پریسن & به پلي £ ۸۸۰ اهیم - এই পদটা একটু মনোযোগ সহকারে পাঠ করিলে সহজে বুঝিতে পার বাইবে যে, ইহা অন্য কোন পদের অনুবাদ ব্যতীত আর কিছুই নহে। মূলের ভাব যথাযথরুপে প্রকাশ করিতে অসমর্থ হই, অনুবাদক মূলের এক একটা শব্দের অন্তবাদে বিভিন্ন শব্দ ব্যবহার করিয়াছেন। এই সত্যটা কিয়া রাখার উদ্দেশ্বে পাদ্রী সাহেব পার্সাদিগের ব্যবহৃত পদটা এমন করিয়া কটস্থ ছাটিয়া প্রকাশ করিয়াছেন। আর বাস্তবিক সেল সাহেব ঐ সংক্ষিপ্ত পদটা যদি পাপীদিগের কোন পুস্তকে পাইয়া থাকেন, তাহা হইলে বুঝিতে হইবে যে, তাহদের মূল পুথি পুস্তকে ঐ পদটী বিদ্যমান ছিল না। পরবর্তী সময়ের গ্রন্থকার বা অল্পবাদকগণ অন্য কাহারও নিকট হইতে ঐ পদটা গ্রহণ, এবং নিজ নিজ ইচ্ছা মত তাহার বিভিন্ন প্রকারেব অবোদ প্রদর্শন করিয়াছেন । সেই জন্য কোন পুস্তকে ســام یزدان بخشایشسانگر دان{ر # * *