পাতা:কোরআন শরীফ (প্রথম খণ্ড) - মোহাম্মদ আকরম খাঁ.pdf/৩৬৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


২য় ছুরা, ২৯শ রুকু ] তালাক घ्रेश्वtझ # Հշ8ՀՀ AAAAAA AAAA ATSeSeeSeSeeAAA AAAAAS SASAAASAAA SS AASAASAA AAAA S AAAAA AAAS AAAAAS AAAAAS S تا به انسه -تهیه مییابی সহবাস হইয়াছে, তাহাতে তালাক দেওয়৷ অন্যায়। স্ত্রী স্পষ্ট ব্যভিচারে লিপ্ত ন হইলে ইদতের সময় তাহাকে বাড়ী হইতে বাহির করিয়া দেওয়া অন্যায়। চুরা তালাকের প্রথম আয়ুতে আল্লার এই আদেশগুলি মুছলমানকে স্পষ্ট করিয়া শুনাইবা দেওয়া হইয়াছে। ২২৮ আয়ুতে তালাকী স্ত্রীদিগকে তিন ঋতু পর্য্যন্ত অপেক্ষ। করিতে আদেশ দেওয়া হইয়াছে। আলোচ্য আয়তে বলা হইতেছে—তালাক দুইবার । অর্থাৎ দুই তোহরে স্বামীকে দুইবার তালাক দিতে হইবে । তৃতীয় তোহর হইতেছে শেষ সময় । এই সময়ের মধ্যে একটা বিশেষ শৰ্ত্তে স্বামী তাহাকে পুনরায়ু গ্রহণ করিতে পারে। কিন্তু ঐ সময় অর্থাৎ তিন তোহর অতীত হইয়া গেলে স্বামী সে অধিকার হইতে চিরকালের তরে বঞ্চিত হইয়া পড়ে। তালাক দুইবার - অর্থাৎ বিভিন্ন সময় স্বতন্ত্রভাবে দুই তালাক দিতে হইবে । তাহার পর সদ্ব্যবহারের সহিত বিদায় অর্থাৎ তৃতীয় তালাক । এই তিন তালাক তিন তোহরে স্বতন্ত্র স্বতন্ত্র ভাবে দিতে হইবে, ইহাই কোরআন ওঁ হাদিছের শিক্ষা। এই সময়ের মধ্যে স্ত্রীকে বাট হইতে বাহির করিয়া দেওয়াও কোরআনের স্পষ্ট আদেশ অনুসারে নিষিদ্ধ। যে স্বামী স্ত্রীকে তালাক দিতে যাইতেছে, তাহাকে এই দীর্ঘ তিন মাস ধরিস্থা একই ঘরে স্ত্রীর সহিত বসবাস করিতে হইবে, তাহার ভরণ পোষণ ও অন্যান্য তত্ত্বাবধানও স্বামীকে করিতে হইবে। অথচ এই সময়ের মধ্যে স্ত্রীর সহিত সহবাস করিলে, এমন কি কামভাবে তাহাকে । স্পর্শ করিলেও, তালাক পণ্ড হইয়া যাইবে । অতএব আমরা দেখিতেছি যে, নিতান্ত গুরুতর দরকার ব্যতীত, অন্য কোন অবস্থায় তালাকের দুর্ঘটন। একেবারেই না ঘটিতে পারে, ইহাই ছিল কোরআন ও হাদিছের সমস্ত ভাব ও ভাষার একমাএ লক্ষ্য। এই জন্যই হজরত রচুলে করিম তালাককে L_J JU LA "আল্লার নিকট সৰ্ব্বাপেক্ষা ঘৃণিত হালাল কাজ” । বলিয়া উল্লেখ করিয়াছেন (আবু দাউদ, এবনে মাজা, হাকেম প্রভৃতি ) ৷ মআজ-এবনেজবল ছাহাবি বলিতেছেন, হজরত রচুলে করিম বলিয়াছেন–ছনয়ার পৃষ্ঠে দাসকে মুক্ত করা . অপেক্ষ প্রিয়কাৰ্য্য আল্লার নিকট আর কিছুই নাই, এবং স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার অধিক । ঘুণিত কাৰ্য্যও র্তাহার নিকট আর কিছুই নাই (মনছুর ২—২৭৮) । 疊 উপরি বর্ণিত বক্তব্যগুলি সমস্ত মজহাবের আলেমগণ একবাক্যে স্বীকার করিয়া । থাকেন। কিন্তু তাহ স্বীকার করিয়াও একদল 'এমাম ও আলেম বলিয়া থাকেন যে, কোন ব্যক্তি কোআন হাদিছের এই আদেশগুলিকে উপেক্ষা করিয়া, যদি একই মজলিছে তিন তালাক দিয়া ফেলে, তাহ হইলে তাহা তালাক বলিয়াই গণ্য হইবে । তাহার। ইহাকে তালাকে বেদী বা বেদজাতী তালাক বলিয়া অভিহিত করিয়া থাকেন। তাঁহাদের বক্তব্যের সার এই যে, এই প্রকার তালাক অষ্ঠায় হইলেও বলবৎ হইয়া যাইবে । অন্তের বলেন—ইহা এছলামের সমস্ত শিক্ষার এবং কোআন হাদিছের ভাষা ভাব ও উদ্দেশ্বের সম্পূর্ণ বিপরীত, সুতরাং অগ্রাহ। কেহ এক মজলিছে তিন হাজার বার তালাক দিলেও তাহা এক তালাক বলিয়াই গণ্য হইবে । হজরত রছলে করিমের স্পষ্ট আদেশ অনুসারে

  • ్క "...