পাতা:কোরআন শরীফ (প্রথম খণ্ড) - মোহাম্মদ আকরম খাঁ.pdf/৩৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


১ম চুরা । সেল সাহেরের অ-মুলাল ২১ আর কোনও بنام ایزد بخشاینده بخشایشگر مهربانی دادگر =কলিয়। তাহার-অনুবাদ করা হইয়াছে। মজুসদিগের ধৰ্ম্মগ্রন্থ অাভেস্তা ও তাহার জেন্দ বা ব্যাখ্যা, এবং ৩হ। দলের অষ্ঠ ষ্ঠ সমস্ত ধৰ্ম্মগ্রন্থ আলেকজান্দরের আক্রমণের পর হইতে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হইয়া যায়। র্তাহার পর তৃতীয় খৃষ্টাব্দের মধ্যভাগ হইতে সাসানীয় বংশের সম্রাটগণের চেষ্টায় পুরোহিতদিগের স্মৃতি, বাজার প্রচলিত কিংবদন্তি, এবং অন্যান্য কাগজ পত্র হইতে ঐ সমস্ত পুস্তকের শিক্ষা একত্রে সঙ্কলন করা হইতে থাকে । সম্রাট দ্বিতীয় শাহপুরের সময় (৩০৯—৩৮০ খৃষ্টাব্দ) এই সঙ্কলন কার্য্য শেষ হয়। কিন্তু হইলে কি হইবে । যে প্রাচীন ভাষায় আভেস্তা প্রভৃতি লিখিত বা পুনরায় সঙ্কলিত হইয়াছিল, তাহা বহু পূর্বেই অবোধ্য হইয়া পড়িয়াছিল। কাজেই সাসানীয় বংশের শেষ রাজাদিগের সময় তাহার অধিকাংশ পুথি পুস্তক প্রচলিত পাহলভী ভাষায় অতুদিত হয় । ব্রিটানিকা বিশ্বকোষের লেখক এই সকল বিবরণ দিবার পর পাঠকগণকে সতর্ক করিয়া দিয়া বলিতেছেন – “But this Sassanian origin of the Avesta must not be niisunder! stood......... it is now impossible to draw a sharp distinction between that which they found surviving ready to their hand and that they themselves added.” অর্থাৎ—“কিন্তু আভেস্তার এই সাসানীয় মূল সম্বন্ধে কেহ যেন ভুল ধারণা না করেন। 轉 @ ■ ■ * 曾 প্রকৃত পক্ষে তাভেস্তার কতকটা অংশ তাহারা হস্তগত করিতে পারিয়াছিল, আর তাহাতে নিজে তাহারা যে কতকটা অংশ যোগ করিয়া দিয়াছে, তাহা এপন বাছিম্বা বাহির করা অসম্ভব ।” to 最 পাঠকগণ এখানে স্মরণ রাখিবেন যে, সাসানী বংশের শেষ রাজনগণের সময় এই অনুবাদ কাৰ্য্য সমাপ্ত হইছিল। এবং নওশেরওয়ান আদেল, তাহার পুত্র খসরু পরভেজ প্রভৃতি হইতেছেন সাসানী বংশের শেষ রাজ। নওশেরওয়া হজরতের সমসাময়িক এবং হজরতকে গ্রেপ্তার করিয়া রাজধানীতে পাঠাইবার জন্য এই নওশেরওয়াই এমন্দ্রে গবর্ণরের নিকট ওয়ারেন্টের পরওয়ানা পাঠাইয়াছিলেন। ইহার কয়েকদিন পরে তাহার পুত্র খসরু পরভেজ পিতাকে হত্যা করিয়া সিংহাসনের অধিকারী হন এবং এই পরভেজের নিকটই হজরত পত্র পঠাইয়াছিলেন । এই পত্রের মুসাবিদ আজও সুরক্ষিত হইয়া আছে । ঐ ༢.3༽ཀྱྰ་ শিরোভাগে যথানিয়মে সম্পূর্ণ “বিছমিল্লাহির রহমানির রহিম”—পদটা লিখিত আছে। সুতরাং নওশেরওয় ও খসরু পরভেজের সময়, যখন পুরাতন অবোধ্য ভাষায়ু লিখিত পুথি পুস্তকের অনুবাদ এবং নূতন বিষয়ের সঙ্কলন চলিতেছিল—সম্পূর্ণ বিছমিল্লাহ’ট তখন যে তাহাদিগের হস্তগত হইয়াছিল, তাহাতে আর কোনই সন্দেহ থাকিতেছে না। এই হিসাবে বলা যাইতে প্লার যে § كة بييرها পার্সিকেরা বিছমিল্লা'র সৌন্দর্য্যেমুগ্ধ হইয়া নিজেদেরপুস্তকে তাহার অনুবাদ লিপিবদ্ধকাসু