পাতা:কোরআন শরীফ (প্রথম খণ্ড) - মোহাম্মদ আকরম খাঁ.pdf/৩৭০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


কোরআন শরীফ [ দ্বিতীয় পার بeabہ AAAAAA AAAA AAAA AAAA AAAA AAAA AAAA AAAA AAAA SAAAAA AAAA AAAA AAAA AAAA AAAAeSeSAAAA AASAAAA می ھ حمیہ کی بہ یمs_۳۔ ۹ ”بی ”سب ”ی 翰 MM AAAA AAAA AAAA AAAA AAAA MAMAMAAA AAAA AAAA AAAA SAAAAAM MMAeeeMMAAA S বেদজাং মাত্রই গোম্রাহী এবং তাহা মৰ্বদ্বদ (ভ্রষ্টতা এবং অগ্রাহ ও বাতিল)। সেই বেদশাৎকে দিয়া শরিয়তের উদ্দেশ্বের ব্যত্যয় ঘটান ঘোর অন্যায়। হাদিছে বর্ণিত ইতিহাসে জানা যায়—হজরত রচুলে করিমের সময়, প্রথম খলিফ হজরত আবুবকরের খেলাফতকালে এবং হজরত ওমরের খেলাফতের দুই বৎসর পর্য্যন্ত, কেহ এক সঙ্গে তিন তালাক দিলে তাহা একই তালাক বলিয়া পরিগণিত হইত। অতঃপর হজরত ওমর আদেশ প্রদান করেন যে, এখন হইতে কেহ এক মজলিছে তিন তালাক দিলে তাহা তিন তালাক বলিয়াই গণ্য হইবে ( মোছলেম, আবুদাউদ, নাছাই প্রভৃতি ) ৷ লোক , নিৰ্দ্ধারিত সময়ের প্রতি লক্ষ্য না করিয়া তাড়াতাড়ি একই মজলিছে তিন তালাক দিতে আরম্ভ করিয়া দেওয়ায়, হজরত ওমর যে দণ্ডস্বরূপ এই আদেশ প্রদান করিয়াছিলেন, এই হাদিছ হইতে তাহাঙু স্পষ্টতঃ বুঝা.যাইতেছে। ছাহাবি মাহমুদ-এবনে-লবিদ বলিতেছেন ঃ—“এক ব্যক্তি নিজের স্ত্রীকে এক সঙ্গে তিন তালাক দিয়াছিল, এই সংবাদ হজরত রছুলে কুরিমের নিকট পৌছিলে তিনি ক্রোধভরে দণ্ডায়মান হইয়া বলিলেন— Q - ایالعب بکتاب الله عزر جل را نابیری اظهارکم | —“কী ! আমি এখনও তোমাদের মধ্যে র্বাচিয়া আছি, আর আল্লার কেতাবকে লইয়া খেলা আরম্ভ হইয়া গেল ?” এই ব্যাপারে ছাহাবাদিগের মধ্যে ঘোর উত্তেজনার স্বষ্টি হইয়া যায়। এমন কি, একজন তাহণকে কতল করার জন্য হজরতের নিকট অতুমতি প্রার্থনা করিতে লাগিলেন (নাছাই) । একসঙ্গে তিন তালাক দেওয়াকে এমাম আবুহানিফাও হারাম বলিয়া নিৰ্দ্ধারণ করিয়াছেন ( লাম্মাৎ, এই হাদিছের টীকা)। ৰাহা কোরআনের ভাব ও ভাষা উভয়ের বিপরীত, যাহাদ্বারা আল্লার কেতাবের সঙ্গে খেলা করা হয়, যাহাকে হারাম ও বেদূত্মাৎ বলিয়া স্বীকার করা হইতেছে, তাহাই এখন মামাদের সমাজে ও আইন আদালতে শরিয়তের হুকুম বলিয়া প্রচলিত। এক মজলিছে তিন তালাক দিবার কুপ্রথা রহিত হইয়া যায়, হজরত ওমর যে একমাত্র এই উদ্দেহে, দণ্ডস্বরূপ তাহাকে তিন তালাক বলিয়া গণ্য করার আদেশ দিয়াছিলেন, ইহা তাহার اRة :36 - Bf5 RRRER ان الناس قد إستعجلـوا فى مر كانت لهم فيـه نأة যাইতেছে। কিন্তু আমরা দেখিতেছি যে, দুর্ভাগ্যক্রমে হজরত ওমরের এই এজতেহাদের সন্ধুদেশ্ব বর্তমানে একেবারে ব্যর্থ হইয়া গিয়াছে, ঐ কুপ্রথা এখন একমাত্র শাস্ত্রীয় বিমানের , স্থান করিয়া লইয়াছে, এবং প্রকৃতপক্ষে তাহাই আজ তালাকী স্ত্রীর সংখ্যা বৃদ্ধি করিয়া আমাদের সামাজিক জীবনকে অভিশাপে পূর্ণ করিয়া ফেলিয়াছে। আমরা জিজ্ঞাসা করিতে 'જ્ઞ–ઃ সন্ধুদ্দেশ্যের প্রতি লক্ষ্য করিয়া হজরত ওমরের এজতেহীদক্রমে, কোরআন-হাদিছের স্পষ্ট আদেশ-নিষেধের বিরুদ্ধাচরণ করাও সঙ্গত বলিয়া মনে করা হইয়াছে সেই উদ্বেপ্তে কোরআন হাম্বের শিক্ষাকেই পুনরায় সমাজে বলবৎ করিয়া লওয়া কি অন্যায় বলিয়া