পাতা:কোরআন শরীফ (প্রথম খণ্ড) - মোহাম্মদ আকরম খাঁ.pdf/৩৭৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


২য় ছুরা, ২৯শ রুকু ] খোলাP-সনৎ ক্রান্ত বিবরণ కDC) AAAS AAAAA AAAA AAAA AAAA Aeee ee See HSAS A SAS SSAS SSAS এখানে কেহ কেহ হয়ত মনে করিতে পারেন যে, কেবল খোলা'-তালাক ੋਂ હરે ব্যবস্থা। অর্থাৎ স্ত্রী যদি তালাকের প্রার্থী হয়, তবে সমাজপতি বা বিচারপতিগণের এই মধ্যস্থতার ব্যবস্থা চলিতে পারে। কারণ, খোলা প্রসঙ্গেই এই ব্যবস্থার উল্লেখ হইয়াছে। কিন্তু স্বামী যদি স্বেচ্ছায় তালাক দিতে চায়, তাহা হইলে সে তালাকের তৃণয়-অন্যায়ের বিচার করার অধিকার অন্ত কাহারও নাই । আমার মতে এ সিদ্ধাত্ত সমীচীন নহে। পাঠক দেখিতেছেন, এই প্রসঙ্গে এবং এই আয়তের সহিত সংলগ্নভাবে ইহার পরবর্তী আয়তে, তালাকের অন্য সাধারণ ব্যবস্থারও উল্লেখ করা হইয়াছে। এখানে বলা হইতেছে যে, চরম তালাক হইয়া যাওয়ার পর ঐ তালাকী স্ত্রীকে পুনরায় গ্রহণ করার অধিকার স্বামীর থাকে না । খোলা’র “প্রসঙ্গের সহিত বর্ণিত হইয়াছে”-বলিয়া যদি প্রথম আদেশকে কেবল খোলা'র জন্যই নির্দিষ্ট করিয়া লওয়া হয়, তাহা হইলে এ ক্ষেত্রেও ঐ নিয়ম অন্তসারে বলিতে হইবে যে, খোলা’ ব্যতীত অন্য অবস্থায়, চরম তালাক হইয়া যাওয়ার পরও, স্বামী স্ত্রীকে পুনরায় গ্রহণ করার অধিকারী থাকে ; কিন্তু এ কথা স্বীকার করিতে কেহই প্রস্তুত হইবে না। তালাক সম্বন্ধে বর্ণিত কোরআনের আয়তগুলির যথাযথ আলোচনা কবিয়া দেখিলে স্পষ্টতঃ জানা যাইবে, স্বামীদিগকে এছলীম স্বেচ্ছাচারের অধিকার কখনই প্রদান করে নাই । পাঠকগণ যথাস্থানে ইহার আলোচনা দেখিতে পাইবেন । তাহার মধ্যকার দুইটী আয়ুতের অল্পবাদ নিম্নে উদ্ধত করিয়া দিতেছি ঃ– “ ... এবং যে সকল স্ত্রীর অবাধ্যতাচরণের ভয় তোমাদের হয়, তাহাদিগকে তোমরা ( যথাক্রমে ) উপদেশ দান কর, শয্যা হইতে তাহাদিগকে অপসারিত কর এবং ( ইহাতেও ফল না হইলে ) তাহাদিগকে প্রহার কর ; অতঃপর তাহারণ যদি তোমাদিগের বাধা হইয়া চলে, তবে তাহাদিগের বিরুদ্ধে আর কোন পন্থার অন্বেষণ করিও না।” “আর যদি তোমরা স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে বিরোধের আশঙ্কা কর, তাহা হইলে স্বামীর পরিজনদিগের মধ্য হইতে একজন বিচারক এবং স্ত্রীর পরিজনবর্গের মধ্য হইতে একজন বিচারক নিযুক্ত করিবে, তাহারা উভয়ে যদি শান্তি ও মিলনের প্রয়াসী হইয়া থাকে-আল্লাহ তাহাদিগকে শক্তি দান করিবেন ; নিশ্চয় আল্লাহ সৰ্ব্ববিষয়ে জ্ঞাত, সকল তত্ত্ব অবগত ।” (চুরু নেছা তু৪, ৩ আয়ত) ।

  • এখানে খোলা’র কোনই প্রসঙ্গ নাই। এই দুই আয়তে স্বামীদিগকে প্রথমে উপদেশ দিয়া ও শাসন করিয়া স্ত্রীর সুমতি উৎপাদনের চেষ্টা করিতে আদেশ দেওয়া হইতেছে । তাহাতে যদি কোন ফল না হয়, তাহা হইলে স্বামী এই অবস্থার কথা এমাম, কাজী, বিচারপতি বা সমাজপতিদিগের নিকট প্রকাশ করিবে। র্তাহারা তখন দুই পরিবারের দুইজন ব্যক্তিকে তদন্ত ও মীমাংসার জন্য নিযুক্ত করিবেন। র্তাহারা মিটমাট করিয়া দতে