পাতা:কোরআন শরীফ (প্রথম খণ্ড) - মোহাম্মদ আকরম খাঁ.pdf/৩৭৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


లCR কোরআন শরীফ [ দ্বিতীয় পার। AA E AAAA SAAAAA AAAA AAAAe AA Aee Aee ee AAAA AAAA AAAAA * **, S AAAAAS AAAAAS AAAAAS AAAAA AAAA AAAAS AAAAA AAAA AAAASAAAA گیے خحمانیہ ـيـــیی ییحميمي په۔يي -*^^^^^=*కోu** *్కF్క مي بي معي يعتقد حة ন পারিলে তখন স্বামী স্ত্রীকে তালাক দিবার অধিকার পাইবে । সে তালাকও দিতে হইবে, তিন স্বতন্ত্র তোহরে, স্ত্রীকে স্বগৃহে রাখিয়া। দুঃখের বিষয় এই যে, এ দেশের মুছলমানদিগের পরাধীন জীবন এবং তাহাদিগের মধ্যে প্রচলিত বিকৃত “মোহাম্মদীয় আইন" কোরআনের এই শিক্ষাকে একেবারে বিলুপ্ত করিয়া দিয়াছে। উপরি উদ্ধৃত আয়তে এই সকল শর্ত্তে স্ত্রীত্যাগের অধিকার দিয়াছে—কেবল স্ত্রীদিগের চরম অবাধ্যতার অবস্থায়, পাঠকগণ ইহাও লক্ষ্য করিবেন। খোলা ও তালাক সম্বন্ধে কোরআনের এই শিক্ষার উপর হজরত রচুলে করিমের ও তাহার খলিফাগণের সময় কিরূপ তাকিদের সহিত আমল করা হইত, তাহার দুইটী নজির নিম্নে উদ্ধৃত করিয়া দিতেছি ঃ— (১) ছাবেত-বেন-কাএছ একজন ছাহাবী, কুরূপ কুৎসিত বলিয়া তাহার স্ত্রী হাবিব। তাহার উপর সন্তুষ্ট ছিলেন না। এই সময় এক রাত্রে স্বামী স্ত্রীকে প্রহার করেন । ভোর বেলা হাবিব আসিয়া হজরতের নিকট বিবাহবিচ্ছেদের প্রার্থনা জানাইলেন । হজরত স্বামীকে ডাকাইয়ু পাঠাইলেন, এবং স্ত্রীকে অসন্তোবের কারণ জিজ্ঞাসা করিলেন । হবিবা উত্তর করিলেন—“ধৰ্ম্মের দিক দিয়া বা চরিত্রের দিক দিয়া আমি উহাকে কোন দোষ দেই না, কিন্তু আমার মন উহার প্রতি বিদ্রোহী, মোছলেমজীবনে এই বিদ্রোহের ভার বহন করিয়া চলা আমার পক্ষে অসম্ভব।” ছাবেত স্ত্রীকে দুইটী বাগান মোহর স্বরূপ প্রদান করিয়াছিলেন, সে কথা তিনি হজরতকে বলিলেন। হজরতের প্রশ্নে হাবিবা বাগান ফিরাইয়া দিতে প্রস্তুত হইল। তখন হজরত ছাবেতকে বাগান ফিরাইয়া লইয়া স্ত্রীর দাবী দাওয়া ত্যাগ করিতে আদেশ করিলেন। তখন হইতে র্তাহীদের বিবাহবন্ধন ছিন্ন হইয়া গৈল ( মালেক, শাফেয়ী, আহমদ, বোখারী, আবু দাউদ, নাছাই, এবনে মাজা Ψή প্রভৃতি) l Q ' (২) হজরত আলীর খেলাফতকালে একটা পরিবারে স্বামীক্ষ্মীর মধ্যে অবনিবনাও হওয়ায় উভয়ই র্তাহার নিকট উপস্থিত হইল, উভয়ের সঙ্গে তাহীদের আত্মীয়স্বজনগণের ভিড়। হজরত আলী তখন তাহাদিগকে কোরআনের আদেশমতে উভয় পরিবার হইতে দুইজন বিচারক নিৰ্ব্বাচিত করিতে আদেশ দিলেন এবং নির্বাচনের পর ঐ বিচারকদ্বয়কে বুঝাইয়া দিলেন —“তোমরা দেখিবে, উহাদের মিলন সম্ভব ও সঙ্গত কি না। যদি হয়, তবে উহাদিগকে পুনরায় সম্মিলিত হওয়ার আদেশ করিবে, অন্যথায় তাহাদিগকে বিচ্ছিন্ন করিয়া দিবে, ইহাই তোমাদিগের উপর ধর্শ্বের আদেশ।” এই কথা শুনিয়া স্ত্রী বলিল— আমি সম্মত, আল্লার কেতাব আমার অনুকুল বা প্রতিকুল যাহাই আদেশ করুক না কেন, আমি তাহ স্বীকার করিয়া লইতে প্রস্তুত আছি । কিন্তু স্বামী ইহাতে আপত্তি করিয়া বলিল—বিবাহ বিচ্ছেদ পর্য্যন্ত যাইতে আমি প্রস্তুত নহি । তখন হজরত আলী তাহাকে