পাতা:কোরআন শরীফ (প্রথম খণ্ড) - মোহাম্মদ আকরম খাঁ.pdf/৩৭৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


৩৫৩ কোরআন শরীফ [ দ্বিতীয় পার AAAAAA AAAA AAAA AAAA AAAA AAAA AAAA AAAA SAAAAA AAAA AAAAS AAAAA AAAA AAAA AAAAAS S S S S S یr حمایا۔ ج؟ کیا جب جی. جائی.. بیر یا u SAAAAAA AAAA AAAAeAeEAeeeeSeeeSeeeSeAeAeeeAee eAAA AAAA AAAA AA S SA SAS A SAS S S AAAA পরিবে না । এছলামের পূৰ্ব্বে আরবে ঐ প্রকার তালাক যথেষ্ট সংখ্যায় প্রচলিত ছিল । ঐ প্রকার অসদুদেখে স্ত্রীকে আটক করিয়া রাখা যে হারাম, এই আয়তে বিভিন্নভাবে তাহা প্রকাশ করা হইতেছে । এই প্রকার আচরণে লিপ্ত হয় যাহারা, প্রথমে তাহাদিগকে জালেম বা অত্যাচারী বলা হইয়াছে। সে নিরপরাধ স্ত্রীর উপর যে অত্যাচার করিতেছে, তাহা ত সকলেরই বিদিত। কোবৃঅান বলিয়া দিতেছে যে, তাহ অপেক্ষা অধিক অত্যাচার করিতেছে — নিজের জীবনের, মহন্তত্বের এবং মোছলেম-স্বরূপের উপর । হজরতের সময়, আশঅারী-সমজের লোক এইরূপে তালাক দিবার পর স্ত্রীদিগকে পুনরাধ গ্রহণ করে। এই সংবাদ হজরত রচুলে করিমের কর্ণগোচর হইলে, তাহার ক্রোধের অবধি রহিল না। তখন আশআরী-সমাজের নেতা আবু-মুছা আসিয়া হজরতকে এই অসন্তোষের কারণ জিজ্ঞাসা করিলে, তিনি আশঅারীদিগের তালাকের উল্লেখ করিয়া বলেন :– তোমরা তালাক দিতেছ আবার ফিরাইয়া লইতেছ, আবার তালাক দিতেছ পুনরায় ফিরাইয়ু লইতেছ, এ সব কি ব্যাপার ? ليس هنا طلاق المسلمجرى - طلقوا المرأة فى قبل عدتها - —মুছলমানের তালাক ইহা নহে (এবনে-মাজ, বায়হাক, এবনে-কছির ) । আলোচ্য আয়তের শেষভাগে ও স্পষ্ট ভাষায় বলিয়া দেওয়া হইতেছে যে, উহা এছলাম নহে, বরং এছলামের সহিত ব্যঙ্গবিদ্রুপ ব্যতীত আর কিছুই নহে । সুতরাং আল্লার আদেশ নিষেধকে অমান্য করিয়া যে ব্যক্তি নিজের ও নিজস্ত্রীর প্রতি অত্যাচার করার জন্য প্রস্তুত হয়, বে ব্যক্তি এভুলামের নামে এছলামের প্রতি ব্যঙ্গবিদ্রুপ করিতে থাকে, তাহার অত্যাচার নিবারণ করা কাজী ও বিচারপতির কৰ্ত্তব্য। আদালতে স্বামীর এই প্রকার অসদভিপ্রায় বা অত্যts; প্রতিপন্ন হইয় গেলে, বিচারক তাহাকে পুনঃগ্রহণের অধিকার হইতে বঞ্চিত করিয়া দিবেন। ইহাই কোআনের উদ্বেগু । ২৩৩ তমাল্লার নে'মত ঃ– এখানে স্বামী ও স্ত্রীর দাম্পত্যজীবনের কৰ্ত্তব্যাদির কথাই বলা হইতেছে। সুতরাং SBBBBBB BB BBB BB BBSBBS gB BBB SBBBBBBSBBB BB g DDD gtt মাল্লার যে বিশেষ নে'মত, তাহারই প্রতি ইঙ্গিত করা হইতেছে। সেই জন্য কেতবে ও হেকমতের” কথা ইহার পর স্বতন্ত্রভাবে স্মরণ করাইয়া দেওয়া হইয়াছে। চুদা রূধের ২১ আয়তে আল্লার এই নে'মতের কথা স্পষ্টভাষায় বর্ণিত হইয়াছে — “এবং উহার নিদর্শনগুলির মধ্যে ( একটী নিদর্শন ) এই যে, তিনি তোমাদিগের জন্য তোমাদিগের মধা হইতে "যুগল"-কৃষ্টি করিয়া দিলেন, যেন তোমরা তাহাতে শান্তিলাভ করিতে পার এবং তোমাদিগের (স্বামী-স্ত্রীর) মধ্যে তিনি প্রেম ও করুণার উদ্রেক করিয়া দিয়াছেন।