পাতা:কোরআন শরীফ (প্রথম খণ্ড) - মোহাম্মদ আকরম খাঁ.pdf/৩৮৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


లSల8 কোরআন শরীফ [ দ্বিতীয় পারা SAAAAAAAS AAASASAAA AAAA AAAA AAAA AAAA AAAA AAAA AAAA AAAA S AAAAA AAAA AAAA AAAA S eeAAA SAAAAA AAAA AAAA AAAA AAAAA گی میر AAAAAAS AAAAA MAAA SAAAAA AAAA AAAA AAAM MMAAA SA কথা বুঝা যাইতেছে, সস্তানকে দুগ্ধদানের অবস্থা ব্যতীত খোরাক পোষাক পাওয়ার অধিকার যাহার নাই । ফলতঃ আয়ুতে ব্যবস্থা দেওয়া হইতেছে যে, তালাকী স্ত্রীর কোলে যদি দুগ্ধপোন্ত শিশু থাকে, তাহা হইলে ঐ সন্তানের দুই বৎসর বয়স পূর্ণ না হওয়া পৰ্য্যন্ত তাহার মাতাই তাহাকে দুধ খাওয়াইবে, আর তাহার জনক সেই সময় পৰ্য্যন্ত প্রস্থতীর ভরণপোষণের সমস্ত ব্যয় বহন করিয়া যাইবে। সন্তানের বয়স দুই বৎসর পূর্ণ হইয়া গেলে এই বাধ্যবাধকতা শেষ হইয়া যাইবে । ২৩। পিতার ওয়ারেসগণের কৰ্ত্তব্য – তালাক দেওয়ার পরে এবং সস্তানের বয়স দুই বৎসর পূর্ণ হওয়ার পূৰ্ব্বে, সন্তানের পিত যদি মরিয়া যায়, তাহা হইলে তাহার ওয়ারেসগণও দুগ্ধদানের সময় পৰ্য্যন্ত ঐ তালাকীপ্রস্বতীর খোরাক পোষাক যোগাইতে বাধ্য হইবে । বলা বাহুল্য যে, এই সকল ব্যবস্থাম্বারা একদিকে যেমন পুরুষের নারীনিৰ্য্যাতনের পথবন্ধ করিয়া দেওয়া হইতেছে, সেইরূপ পক্ষান্তরে তালাককে কাৰ্য্যতঃ অসম্ভব করিয়া তোলা হইতেছে । মনে করুন—একজন লোক, তাহার স্ত্রীকে গর্ভাবস্থায় তালাক দিল । প্রসব না হওয়া পর্য্যন্ত তাহার ইদত, অতএব এই সময় পর্য্যন্ত নিজের বাড়ীতে রাখিয়া তাহার খোরাক পোষাক স্বামীকে যোগাইতে হইবে। তাহার পর প্রসবের পরেও দীর্ঘ দুই বৎসর পর্য্যন্ত নিজসন্তানের দুগ্ধদাত্রী ধাত্রীস্বরূপে সেই তালাকী স্ত্রীর ব্যয়ভার স্বামীকে বহন করিয়া চলিতে হইবে । দুই বৎসরের কম বয়স্থ সন্তানের জননীকে তালাক দেওয়াও সহজ ব্যাপার নয়। ইদ্দত সময় বাদেও, সন্তানের বয়স দুই ੋ না হওয়া পৰ্য্যন্ত ঐভাবে খোরাক পোষাক পাওয়ার সে অধিকারিণী। সাধারণতঃ লিং হয় গর্ভবতী, না হয় দুই বৎসরের কম বয়স্ক সন্তানের জননী অবস্থাতেই অবস্থান - রে সুতরাং কোরআনের ব্যবস্থা মোতাবেক তালাক দেওয়া যে, স্বামীর পক্ষে কতদূর \ কঠিন ব্যাপার, তাহা সহজে বুঝা যাইতে পারে। ২৩৮ সময়ের পূৰ্ব্বে দুধ ছাড়াইবার ব্যবস্থা – সাধারণ অবস্থাতেও অনেক সময় প্রস্থতীর ও সন্তানের মঙ্গলের জন্ত দুই বৎসরের পূৰ্ব্বে দুধ ছাড়াইয়া দিবার ব্যবস্থা করিতে হয়। তালাকীস্ত্রীলোকদিগের আরও অনেক অসুবিধা ঘটার সম্ভাৰনা আছে। এরূপ অবস্থায় জনকজননী উভয়ই যদি দুই বৎসর পূর্ণ হওয়ার পূৰ্ব্বে नखाप्नब इष ছাড়াইয়া দিতে সম্মত হয়, এবং বিশেষজ্ঞরাও যদি মনে করেন যে, বৰ্ত্তমান অবস্থায় দুধ ছাড়াইয় দেওয়াই সস্তানের পক্ষে মঙ্গলজনক অথবা প্রস্থতীর পক্ষে আবশ্বক— তাহা হইলে দুই বৎসরের পূৰ্ব্বেও দুধ ছাড়াইয়া দেওয়া যাইতে পারে। পাঠকগণ দেখিবেন —খতে জনজননীর স্বার্ধের সহিত শিশুসন্তানের স্বার্থের প্রতি কতদূর দৃষ্টি রাখা