পাতা:কোরআন শরীফ (প্রথম খণ্ড) - মোহাম্মদ আকরম খাঁ.pdf/৪১৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


^రిస్సాNరి 顧 কোরআন শরীফ [ তৃতীয় পারা কিন্তু বালক বলির পিতা তাহাকে মেৰপালের তত্ত্বাবধানে নিযুক্ত করিয়া রাখেন। সহোদরদিগের সংবাদ লইতে আসিয়া তিনি দেখিতে পাইলেন–জালত স্বীয় সৈন্যবাহিনীর সম্মুখে দাড়াইয়া বানি এছরাইল জাতিকে এবং তাহদের ধৰ্ম্ম ও ঈশ্বরকে টিটকারী দিতেছে, স্বস্বযুদ্ধেৰ জন্য জাহান করিতেছে। তরুণ যুবকের বীর হৃদয়, জাতির ও ধর্শ্বের এই জবমাননা সহ করিতে পারিল না। তিনি কএকখণ্ড প্রস্তর ও একখানি লাঠি লইয়া অগ্রসর হইলেন, প্রস্তরাঘাতে জাল,ৎকে আহত করিলেন, তাহারই খঙ্গৰার। তাহার মুণ্ডচ্ছেদ করিলেন, বাইবেলেও এ বিবরণ লিপিবদ্ধ হইয়া আছে। যাত্রার সময় এই বালকবীরকে যথানিয়মে বৰ্ম্মাচ্ছাদিত করার চেষ্টা হইয়াছিল। কিন্তু তাহার গুরুভার বহন করিয়া অগ্রসর হওয়া বালকের সাধ্যাতীত। কাজেই তিনি তাহা খুলিয়া ফেলিলেন এবং যাত্রার সময় বলিতে লাগিলেন—যাহার নামে আমাদের এই সংগ্রাম, ইচ্ছা করিলে তিনিই বৰ্ম্ম হইয়া আমাকে রক্ষা করিবেন। ২৬৪ জেহাদের লক্ষ্য ৪— মুছলমানের এই যে জেহাদ সাধন, ইহার মধ্যে আল্লার কি মঙ্গল উদ্দেশ্য নিহিত, এই আয়তে এবং এই শ্রেণীর অন্তান্ত আয়তগুলিতে তাহা স্পষ্ট করিয়া বলিয়া দেওয়া দেওয়া হইয়াছে। ছুরা হজের ৪০ আয়তে জেহাদের আদেশের পর বলা হইয়াছে—“এবং আল্লাহ যদি মানব সমাজের একদলের দ্বারা অন্যদলকে নিবারিত না করিতেন তাহা হইলে গির্জা, এহুদীদিগের ধৰ্ম্মস্থান Synagogues, এবং মন্দির ও মছজিদগুলি তাহাতে প্রভূতভাবে আল্লার নামের স্তবও ধ্যানধারণা করা হয়, সে সমস্তই বিধ্বস্ত হইয়৷ ঘাইত।” সুতরাং আমরা দেখিতেছি যে, বিশ্বসংসারের শাস্তি ও শৃঙ্খলাকে নষ্ট করিয়া ফেলিতে .চtয় যাহারা, কোন জাতির ধৰ্ম্মসাধনায় বিঘ্ন উৎপাদন করিতে চায় যাহারা, বিশ্বমানবকে, জাতি ও ধৰ্ম্ম নিৰ্ব্বিশেষে সেই অত্যাচারীদিগের কবল হইতে রক্ষা করাই মুছলমানের জেহাদ সাধনার প্রধানতম লক্ষ্য। এছলামের জেহাদ যে কিরূপ উদার মহান ও অনুপম, এই আয়তগুলি হইতে তাহার প্রমাণ পাওয়া যাইবে । এছলামের গাজী যেমন যথাসৰ্ব্বন্ধ বিসর্জন দিয়া নিজের মছজিদকে রক্ষা করিবে, ঠিক সেইরূপে অন্যান্য ধৰ্ম্মাবলম্বীদিগের গির্জাও মন্দিরগুলিকে রক্ষা করার জন্ত আত্মবলিদান করাও তাহদের মোছলেম জীবনের অন্যতম BBB S DDBB BB BB BBBBB BBBBBB BBBBB gD DBBB BBB BBBBB পারেন নাই। সম্ভবতঃ তাহাদের সময় ইহার সুযোগও ঘটিয়া উঠে নাই। তাই সৰ্ব্বসমস্বৰী উদার বিশ্বধর্শের প্রবর্তক হজরত মোহাম্মাদ মোস্তফার প্রতি ভবিষ্যতের ভারাপণ তাহারা সকলে একবাক্যে করিয়া গিয়াছেন। মনে হয়, পারায় শেষ জায়তে এই তত্ত্বের , প্রতিই ইঞ্জিত করা হুইতেছে । " .