পাতা:কোরআন শরীফ (প্রথম খণ্ড) - মোহাম্মদ আকরম খাঁ.pdf/৪২৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


9০ছ . কোরআন শরীফ স্বীকার করিতে বাধ্য করাই বুঝি কোআনের উদ্দেশ্য। তাই জেহাদ প্রসঙ্গের উপসংহারে স্পষ্ট করিয়া এই ভ্রান্ত ধারণার প্রতিবাদ করা হইতেছে। কোত্মানের এই স্পষ্ট আদেশ সত্ত্বেও কতিপয় অমুছলমান লেখক তরবার বলে এছলাম প্রচারের” কাহিনী তারস্বরে প্রচার করিয়া আসিতেছেন। দুঃখের বিষয়, এক শ্রেণীর তফছিরকারই এই কার্য্যে র্তাহাদিগকে সাহায্য করিতেছেন । র্তাহারা বলিতেছেন— পূৰ্ব্বে এই ব্যবস্থা ছিল বটে, কিন্তু জেহাদের আস্থত অবতীর্ণ হওয়ার পর এই আস্থতটা মনচুখ বা রহিত হইয়া গিয়াছে।" কিন্তু অতুসন্ধান করিলে জানা যাইবে যে, জেহাদের প্রথম আয়ত লাজেল হইয়াছিল—হেজরতের অল্পকাল পরে এবং বদর সমরের পূৰ্ব্বে, আর আলোচ্য আয়তটী অবতীর্ণ হয়—তাহার দীর্ঘকাল পরে, ৪র্থ হিজরীর প্রথম ভাগে, বানি-নজিরের ঘটনা উপলক্ষে। সুখের বিষয়, আবুদাউদ,ও নাছাই প্রভৃতি হাদিছগ্রন্থে বিভিন্ন স্থত্রে যে বিবরণটা বর্ণিত হইয়াছে, তাহাম্বারা সমস্ত সংশয়ের অপনোদন হইয়া যাইতেছে। ঐ সকল হাদিছের খোলাসা এই যে —“এছলামের পূৰ্ব্বে মদিনায় মৃত্যুবৎসা স্ত্রীলোকের মানসা করিত যে, তাহার সন্তান বাচিলে সে তাহাকে এহুদীধৰ্ম্মে দীক্ষিত করিবে । বান্ত-নজিরবংশের এহুদীরা যখন মদিন হইতে দেশান্তরিত হয়, তখনও আনছারদিগের পুত্ৰগণ এইরূপে এহুদীসমাজভূক্ত হইয় ছিল। তখন একদিকে আনছারগণ বলতে লাগিলেন—আমরা আমাদের পুত্রগণকে বিধৰ্ম্মী এহুদীদিগের সমাজভূক্ত হইয়া যাইতে দিব না। অন্যদিকে এহুদীরা বলিতে লাগিল —ইহারা আমাদের সমাজভুক্ত হইয়া গিয়াছে, অতএব আমরা উহাদিগকে ছাড়িয়া যাইতে পারিব না। সেই বাদ প্রতিবাদের সময় নাজেল হয়—ধৰ্ম্ম সম্বন্ধে জোর-জবরদস্তি করিতে নাই।’ তখন হজরত এই আয়ত অনুসারে ঘোষণা করিয়া দিলেন—এই যুবকগুলি নিজেদের স্বাধীন মত অনুসারে নিজ নিজ কৰ্ত্তব্য নিৰ্দ্ধারণ করিয়া লউক । তাহারা ইচ্ছা করিলে মুছলমানরূপে আনছারদিগের সঙ্গে থাকিয়া যাইতে পারে। পক্ষান্তরে তাহার। যদি এহুদী ধৰ্ম্মকে পছন্দ করিয়া থাকে, তাহা হইলে জোর করিয়া তাহাদিগকে মুছলমানসমাজভূক্ত করিয়া রাখার অধিকার আনছারদিগের নাই । ফলতঃ এই আয়তটা কখনই মনচুখ বা রহিত বলিয়া গণ্য হইতে পারে না। এবনে-কছির প্রমুখ অভিজ্ঞ ও সতর্ক তফছির-লেখকগণের সিদ্ধান্তও ইহাই । ஆ [ তৃতীয় পারা و بی گیری د من گینگیای انگلیسی ۹عیت ኟፃ¢ তোমৃত’কে অমান্য করা ঃ — তাগৃত AL ধাতু হইতে সম্পন্ন, একবচন ও বহুবচন উভয়েই ব্যবহার হয়। প্রত্যেক সত্যদ্রোহী শয়তানকে, প্রত্যেক সীমালঙ্ঘনকারী অনাচারীকে, প্রত্যেক অসত্য দেবদেবীকে তাগৃৎ বলা হয় ( রাগেব, জওহারী, বায়জাভা ) । যে কোন বস্তু বা বিষয় মানুষকে স্তাষ ও সত্য হইতে বারিত বা অন্তায় ও অসত্যের প্রতি প্ররোচিত করে, সে সমস্তই তাগৃৎ পদবাচ্য। এই অধিতে মো'মেনকে যুগপৎভাবে দুইটী আদেশ দেওয়া হইতেছে । তাহার প্রথম কর্তব্য