পাতা:কোরআন শরীফ (প্রথম খণ্ড) - মোহাম্মদ আকরম খাঁ.pdf/৪৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


২য় ছুরা ] আছেনফ ভনাম মীম ' .ده a সেই গ্রন্থ মানে বাইবেল। ফলে, ইহা দ্বারা তাহারা তাওরাত ও ইঞ্চিলৰ সত্যতা সুপ্রমাণ করিতে চাহেন । o আরবী সাহিত্যে যাহার সামান্য একটুও ব্যুৎপত্তি আছে, তিনি পামার সাহেবের সিদ্ধান্তকে কখনই সঙ্গত বলিয়া গ্রহণ করিতে পারিবেন না। বস্তুতঃ আরবী সাহিত্যে “এই” ও “সেই” উভয় অর্থেই জালেকা' শব্দের যথেষ্ট ব্যবহার প্রচলিত আছে। কিন্তু মূলতঃ উহার আভিধানিক অর্থ—“এই” । এমাম রাজী বহু অকাট্য প্রমাণ দ্বারা এ স্থলে ইহা । প্রমাণ করিয়া দিয়াছেন । ( ১—২৩৭ ) । তাহার পর জালেকালু-কেতাব পদের অর্থ যদি “সেই কেতাব" বলিয়া নিদ্ধারণ করা হয়, তাহা হইলে তাহা দ্বারা কেবল বাইবেলকে বুঝাইবে—তাহার কারণ কি ? কোরআন ত দুনার সমস্ত আছমানী কেতাবের সত্যতা স্বীকার করে, এক তাওরাত বা ইঞ্জিল বলিয়া কোনও খং নাই। পক্ষান্তরে তাওরাত বা ইঞ্জিলের সমর্থনের অর্থ এই যে, হজরত মুছার নিকট যে তাওরাত আসিয়াছিল, বা হজরত ঈছ আল্লার নিকট হইতে যে ইঞ্চিল প্রাপ্ত হইয়াছিলেন, কোরআন তাহার সমর্থন করে । তাওরাতের নামে প্রচারিত এহুদীদিগের খোশখিয়াল’ বা ‘জালিয়াতি’র সমর্থন কোরআন করে না,—সেণ্টপল বা মার্ক-মথির উক্তিকে হজরত ঈছার প্রতি অবতারিত আল্লার কালাম বলিয়াও কোরআন কখনই স্বীকার করে না । কোন কোন পণ্ডিতের মতে ‘জালেকা'কে—সেই অর্থে গ্রহণ করিলেও, জগলেকা-কেতাব' পদটী “সেই গ্রন্থ” অর্থে আদে গৃহীত হইতে পরিবে না। এ ক্ষেত্রে উহার অর্থ হইবে AAAAAA AAAA AAAA SBBB BB BBBBB B BBBBBBBBBBBS উল্লেখ হইয়াছে, তাহা হইতেছে এই কেতাব' । (মুহিত, ১–৩Y পূঃ) । বিভিন্ন হাদিছ হইতেপষ্টাক্ষরে জানা যাইতেছে যে, হজরত স্বয়ং কোআনকেই aiw bya বলিখা বর্ণনা করিয়াছেন। ( আহমদ, তিরমিজ প্রভৃতি) । আরবী ভাষায় 'হ-জা’ ও ‘জালেকা’ শব্দের একটা বিশেষ ব্যবহারিক অর্থ আছে—ইংরাজী অক্সবাদকেরা সে দিকে লক্ষ্য না করায় ইহা লইয়। এত আলোচনার উৎপত্তি হইয়াছে। পামার সাহেব অন্ততঃ লেনের (Lane) অভিধান খুলিয়া দেখিলে জানিতে পারিতেন যে, কোন বস্তুর অকিঞ্চিৎকারিতা প্রতিপন্ন করার জন্য, আরবীতে তাহার সম্বন্ধে হা-জা’ এছমে ইশারা KRRT; otta Cosa foot oligo, So, on account of its high ಟ್ಲಿ estimation, a thing that is approved, is indicated by Zalika." (Lane's Lexicon)—সেইরূপ কোন সমর্থিত বস্তুকে তাহার উচ্চ সম্মানের কারণে জালেকা' দ্বার বর্ণনা করা হয় । প্রকৃত পক্ষে জালেকা এখানে এই অর্থেই ব্যবহৃত হইয়াছে। সুতরাং জালেকাল তেবে পদের অর্থ হইবে-“এই মূহামান্বিত বা সম্মানিত কেতাব” । ।