পাতা:কোরআন শরীফ (প্রথম খণ্ড) - মোহাম্মদ আকরম খাঁ.pdf/৪৩২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


eડષ কোরআন শরীফ [ তৃতীয় পারা SASe ee eee eeeeeAAA AAAA AAAA AAAAMMAAA AAAA AAAA SAS SSAS SSAS SSAS S AASAASAA AAAA AAAA AAASS _ SSAS SSAS SSAe MSeA TeeSAS SSAS SSAS SSAS SSAS SSeSSeSSeSSeASMA AeS AAS AAAAAA ■ অর্থাৎ—“মানুষ যে স্থানে সমবেত হয় তাহাকে ও সেই মানুষকে একত্রে কারস্থা বলা হয়, আর জনপদ ও তাহার অধিবাসী জনগণ ইহার প্রত্যেককে স্বতন্ত্রভাবেও কার্য়া" বলা হয় । আল্লাহ বলিয়াছেন—“নগরকে জিজ্ঞাস কর ।” অধিকাংশ তফছিরফারের মতে এখানে নগর অর্থে নগরের অধিবাসী, আবার কেহ কেহ বলেন, এখানে কার্য়া অর্থে স্বয়ং জাতি।” ইহার পর রাগের এই প্রকার ব্যবহারের কএকটা নজীর কোআন হইতে উদ্ধত করিয়া দিয়াছেন। আমার মতে আলোচ্য আয়ুতে করয়া একত্রে প্রথমোক্ত উভয় অর্থেই ব্যবহৃত হইয়াছে। একটু সূক্ষ্মভাবে বিবেচনা করিয়া করিয়া শব্দের অর্থগ্রহণ করিলে আয়তের তাৎপর্য্য সম্বন্ধে আর কোন সমস্তাই থাকে না । ২৭৬ এক শতাব্দীর মরণ ঃ– পূৰ্ব্বে দেখানে হইয়াছে, ব্যাপারটা হইতেছে হজকীল নবীর কাশফ বা স্বপ্নের বিবরণ। কিন্তু কেহ যদি ইহাকে বাস্তব ঘটনা বলিয়া গ্রহণ করেন, তাহাতেও কোন ক্ষতি বৃদ্ধি নাই । কোঙ্গালের ব্যবহৃত শব্দগুলি লইয়া ধীরভাবে বিচার করিয়া দেখিলে, আয়তের প্রকৃত তাৎপৰ্য্য সহজে বুঝিতে পারা যাইবে । মূলে আছে gUশ আমাতাহু, আল্লাহ তাহাকে মারিলেন। সাধারণ তফছিরকারগণ বলিতেছেন—তাহাকে মারিলেন অর্থে সেই নবীকে মারিলেন । একশত বৎসর পর্য্যন্ত মুতাবস্থায় রাখিয়া আল্লাহ আবার তাহাকে জীবন্ত করিয়াছিলেন, এই তাহদের মত। কিন্তু নবীর মৃত্যু ত এক মুহূর্তেই সমাধা হইয়া গিয়াছিল, অতএব 'আল্লাহ তাহাকে শত বৎসর মারিলেন’—এ কথার সার্থকতা কিছুই থাকে না। AK BBB BBBB BBBBS BB AAAA AAAA BBBB BBBBB BBBDSBB छ्हे পদের একই তাৎপৰ্য্য কখনই হইতে পারে না ! তাহার পর, আয়তে এjU• তাহাকে মারিলেন-ক্রিয়ার মোকাবেলায় us - আবার তাহাকে জীবিত করিলেন—এরূপ না বলিস্ক বলা হইতেছে : 44 - আল্লাহ আবার তাহার উত্থান করাইলেন। এই সব স্পষ্ট লক্ষণের দ্বারা জানা যাইতেছে যে, এখানে নবীর ব্যক্তিগত জীবন মরণের অথবা অন্য কাহারও দৈহিকজীবন মরণের কথা আদৌ বলা হয় নাই। আল্লাহ বলিতেছেন— যেন্ধশেলম নগরের অধিবাসী বানিএছরইল জাতির মৃত্যুরও পুনর্জীবন লাভের কথা । এহুদী জাতির ইতিহাস আলোচনা করিলে জানা যাইবে, বখতনছর বাদশার আক্রমণের স্বত্রপাত হইতে তাহদের স্বদেশে পুনঃ প্রতিষ্ঠিত হওয়া পৰ্য্যন্ত, ঠিক এক শশীই অতিবাহিত হইয়া গিয়াছিল । বখতনছর ( Nabuchadnezzar ) খৃষ্টপূৰ্ব্ব ৬১৩ সনে প্রথমে এহুদী জাতিকে আক্রমণ করিয়া যেরূশেলম অধিকার করিয়া লন। তাহার পর আবার আক্রমণ করিয়া ৫৯৯ সনে বাইতল মোকদছ অধিকার করেন এবং সঙ্গাপ্রভুর মন্দির ধ্বংস করেন, এহুদী জাতিকে বিধ্বস্ত বিপৰ্য্যন্ত ও ঘৃণিত দাসজীবন বহন করিতে বাধ্য করেন। 4৩৭ সনে রাজা কোরসের দয়া হয় এবং তিনি যেরূশেলম-মন্দির পুনরায় নিৰ্মাণ করার