পাতা:কোরআন শরীফ (প্রথম খণ্ড) - মোহাম্মদ আকরম খাঁ.pdf/৪৩৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


কোরআন শরীফ [ তৃতীয় পারা . بنیاد8 AAAAAA AAAA SAAAAA AAAA AAAA AAAA AAAA AAAA SAAAAA S পারে না। এই প্রসঙ্গে অষ্ঠপক্ষ হইতে যে সব সংশয় উপস্থিত করা হইয়াছিল, সে সমস্তের ও তিনি অকাট্য উত্তর দিয়াছেন । র্তাহার পরে, এমাম রাজীই সর্বপ্রথমে আবুমোছলেমের এই মতবাদ লইয়। বিস্তারিতভাবে আলোচনা করিয়াছেন । আলোচ্য শব্দ সম্বন্ধে তাহার প্রথম কথ। এই যে, আরবী সাহিত্যে উহার প্রচলিত ও সৰ্ব্ববিদিত অর্থ—পোষ মানান, অনুরক্ত করিয়া লওয়া, ইত্যাদি । এখানে কাটিয়া ফেলা উদেহু হইলে ঐ ক্রিয়াপদের পর _KU) নিজের প্রতি ছেলা কখনই ব্যবহার করা হইত না। পার্থীগুলিকে নিজের প্রতি টুকরা টুকরা করিয়া কাট-এ কথার কোনই মানে মতলব হইতে পারে না। অপরপক্ষ আবুমোছলেমের এই অকাট্য যুক্তির কোনই উত্তর দিতে পারেন নাই। র্তাহারা বলিতেছেন —আরমোছলেমের পূর্ববর্তী সমস্ত তফছিরকার যখন একমতে স্বীকার করিয়াছেন, তখন ইহা উহাদের এজমা । আবুমোছলেমের মত গ্রহণ করিলে সেই এজমা অমান্ত করা হয়, সুতরাং তাহ অগ্রন্থ। এই প্রসঙ্গে তাহীদের একটা বড় যুক্তি এই যে, আয়তে বলা হইয়াছে—প্রত্যেক পৰ্ব্বতে সেগুলির এক এক অংশ রাখিয়া দাও । এখানে সেগুলির অর্থে —‘কৰ্ত্তিত মাংসখণ্ডগুলির লইতেই হইবে, কারণ শেষে বলা হইয়াছে, একএকটা “অংশ”কে পৰ্ব্বতের উপর রাখিয়া দাও, না কাটিলে অংশ হইবে কি করিয়া ? আবুমোছলেম বলিতেছেন—“সেগুলিকে অর্থে অন্তত্রের ন্যায় এখানেও সেই পার্থীগুলিকেই বুঝাইতেছে । এক চারের অংশ, সুতরাং একএকটা পাখী, পক্ষীচতুষ্টয়ের সমষ্টির একএকটা অংশ ; ইহাতে কাটাকাটির কোন দরকার নাই। এই বিষয়ের বিস্তারিত আলোচনার জন্য কবির ২–৪৯৪ এবং রাজীর উপস্থাপিত দুৰ্ব্বল সংশয়গুলির অকাট্য উত্তরের জন্য শেখ মোহাম্মদ আবদুহু কুত তফছিকুল কোরআন ৩—৫৭ দ্রষ্টব্য। হজরত এবরাহিমকে পার্থী গ্রহণ করিতে বলা হইয়াছে, কারণ বনের পার্থীকে পোষ মানাইয়া বশীভূত করিয়ালওয়া খুব কঠিন। আল্লাহ হজরত এবরাহিমকে বুঝাইয়া দিতেছন --এহেন বনের পার্থীকে পোষ মানাইয়া লইলে, তাহারা তোমার ডাকে সাড়া দেয়, তোমার ডাক কাণে পোছা-মাত্র ব্যস্তে ত্রস্তে তোমার কাছে ছুটিয়া আসে। ঠিক এইরূপ, আরবজাতির বিচ্ছিন্ন অংশগুলি সকলেই তোমারই সন্তান—তুমিই তাহদের দৈহিক বা আত্মিক পিতা, কা'বীর মুক্তপ্রান্তর হইতে মুক্তির যে স্বৰ্গীয় আহবান তোমার কণ্ঠে ধ্বনিত হইয়াছে, তাহা ব্যর্থ যাইবে না। তোমার প্রতিষ্ঠিত কণ’বার সেই পুণ্যমিলনপ্রাঙ্গণে সমবেত হইয়া যুতন জয়যাত্রার আয়োজন ইহারা আবার করবে। এই জয়যাত্রার স্বত্রপাত হইতেছিল যে সময়, তখন হজরত এবরাহিমের এই বংশধরগণ এহুদী, পৌত্তলিক, খৃষ্টান ও মুছলমান এই ন চারি ধৰ্ম্মশাখায় বিভক্ত ছিল । হজরত মোহাম্মদ মোস্তফা এই সময়, “মিল্লতে এবরাহিমের” নামে যে আহবান করিলেন, তাহাতে তাহারা সকলেই আবার এক অখণ্ড জাতিরূপে সেই “মকামে এবরাহিমে” সমবেত হইল, দুইদিনে অপরাজেয় বিশ্ববিজয়ী মহাজাতিতে পরিণত হইল। সে আহবান শাশ্বত, সে ঝঙ্কার সদণজাগ্রত—ছুরা বকরীর প্রথম হইতে শেষ পর্য্যন্ত