পাতা:কোরআন শরীফ (প্রথম খণ্ড) - মোহাম্মদ আকরম খাঁ.pdf/৪৪৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


લશ્કર , কোরআন শরীফ [ তৃতীয় পার। AAAAAA AAAA AAAAeeA eAMAMAeAMAMMeMS MeS eeMM MAMAMSMSMS -^*u^^*w***^y్క^^^^^^^*** -^^-F... _ তিনটী দোষের জন্য সমস্ত ছাদকাই ব্যর্থ হইয়া যায়, আয়তে প্রথমে তাহার উল্লেখ করা হইয়াছে। দান করিয়া কাহারও প্রতি কৃপা প্রকাশ করিলে সে দান ব্যর্থ হইয়া যায়, কাহাকে দানের অজুহাতে ক্লেশ দিলে সে দান ব্যর্থ হইয়া যায়। লোক দেখাইবার এবং সমাজের নিকট হইতে যশ ও প্রশংসা লাভ করার জন্য যে দান করা হয়, তাহারও কোন সার্থকতা নাই। একটা উপমা দিয়া এই প্রকার ছাদকার ব্যর্থতা বুঝাইয়া দেওয়া হইতেছে। ২৮৩ ব্যর্থ ছাদকার উপমা – k বৃষ্টিধারা নামিয়া আসে মৃতপ্রায় ধরিত্রীকে সরস করিয়া নবজীবনের সকল অবদানে সম্পন্নতুরিয়া দিতে। বৃষ্টিপাত যথেষ্ট হইলে ভূমির উৎপাদন শক্তিও যথেষ্ট হইয়া থাকে। কিন্তু ক্ষেত্র বিশেষে এই বৃষ্টিপাতের কোন ফলই হয় না। পাহাড়ের মন্থণ চাটালের উপর অনেক সময় আলগা ধূলামাটি জমিয়া থাকে। প্রবল বর্ধাধারা নামিয়া আসিলে উপরের আলগা মাটি ধুইয়া যায়, তাহার তলস্থিত কঠিন শিলাখণ্ডের আসল রূপ প্রকাশ হইয়া পড়ে। বৃষ্টি যত অধিক হয়, মুক্তিক আচ্ছাদিত প্রস্তরের স্বরূপটাই তত অধিক পরিমাণে প্রকট হইয়া উঠে । ফলতঃ বৃষ্টিধারার মধ্যকার সমস্ত কল্যাণই সে ক্ষেত্রে সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হইয়া যায়, কঠিন শিলাখণ্ড তাহাদ্বারা কোন উপকারই লাভ করিতে পারে না। যে ছাদকা শতগুণে উপচিয়া উঠিয়া দাতার ও তাহার জাতির অশেষ মঙ্গলসাধন করিয়া থাকে, পরবর্তী আয়তে আর একটা উপমা দিয় তাহার বিশেষত্বটাও বুঝাইয়া দেওয়া হইয়াছে। ২৮৪ ছাদকার উদ্দেশ্য — ‘ছাদকার উদ্দেশু কি, তাহ আয়তের প্রথমভাগে বলিয়া দেওয়া হইতেছে। আধ্যাত্মিক হিসাধে ছাদকার প্রথম উদ্দেশ্য হইতেছে, তাহাদ্বারা আল্লার সন্তোষলাভের চেষ্টা করা, এবং পার্থিব হিসাবে তাহার, লক্ষ্য—জাতীয় জীবনকে সুদৃঢ় করিয়া লওয়া। ইহা ব্যতীত অন্য কোন উদ্দেশ্য লইয়া যে দান খয়রাত করা হইবে, এছলামের পরিভাষায় তাহা সাত্ত্বিক ছাদক বলিয়া গণ্য হইতে পারে না । ২৮৫ অপচয়ের উপমা – , ছাদক বা সদ্ব্যয়ের উদ্দেশু্যের প্রতি যাহারা লক্ষ্য রাখে না, বরং তাহার বিপরীত নানা অপকর্ধে লিপ্ত হইয়া বাহারা নিজেদের সধ্যয়গুলির অপচয় ঘটাই থাকে, অন্তিমকালে । গুরুতর অভাবের সময় সথাসৰ্ব্বস্ব হার হইয়া তাহদের কিরূপ মনস্তাপ ভোগ করিতে হইবে, এই উপমাম্বারা তাহা সুন্দরভাবে বুঝাইয়া দেওয়া হইতেছে। আয়ুতে বাত্যাবর্তের সহিত , অগ্নির কথা বলা হইয়াছে। এরূপ স্থলে “অগ্নি” অর্থে ছমুম অথবা শীতের কঠোর বঞ্চাকে বুঝাইয়া থাকে ( জরীর ) ।