পাতা:কোরআন শরীফ (প্রথম খণ্ড) - মোহাম্মদ আকরম খাঁ.pdf/৪৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


騙 献 'ኣ 劇 增 - శా .ته .ه ه حسي چه يعېيحيې يعي .ه ده خعي اتم هاد حی سه تن تا همه حیر كبير يوحد يحير تعبر اية كبير وعين و جة اة عبر ه هم ية عبر তাকওয়া কাহাকে বলে, ইহা পরিস্ফুটন্ধপে দেখাইবার জন্ত-নিয়ে দুইটা হাদিছ উদ্ধঃ করিয়া দিতেছি । হজরত রচুলে করিম বলিয়া দিতেছেন ঃ– يبلغ العيد أن يكون من المتقين حتى يدع ما لا بأس به حذر مما به باسي. অর্থাৎ—“বান্দ যাবৎ ಶ বিষয়ে লিপ্ত হইয়া পড়ার আশঙ্কায় ( তৎপ্রতি আকর্ষক ) নির্দো বিষয়গুলিকেও পরিত্যাগ করিতে অভ্যন্ত না হয়, তাবৎ সে পূর্ণ ভাবে মোত্তাকী পৰ্য্যায়ভূত্ত হইতে পারে না।” (বোখারী—তারিখ, তিমিজ, এবনে-মাজ, হাকেম প্রভৃতি) । । ওমর ফারুক, ওবাই-এবনে-কা'ব ছাহাবীকে তাকওয়া'র তাৎপৰ্য্য সম্বন্ধে প্রশ্ন করিলে ওবাই বলিলেন,—আপনি কখনও কণ্টকপূর্ণ পথে চলিয়াছেন কি ? ওমর বলিলেন—ই চলিয়াছি। ওবাই জিজ্ঞাসা করিলেন–কি ভাবে চলিয়াছেন? ফারুক উত্তর করিলেনকাপড় চোপড় উত্তমরূপে গোছাইয়া লইয়া, দক্ষিণে বামে ও অগ্রে পশ্চাতে অবস্থিত কণ্টব হইতে সাবধানে আত্মরক্ষা করিয়া, নিষ্কণ্টক স্থানে অতি সন্তপণে পা রাখিয়া, গন্তব্য স্থানে দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করিয়াছি। ওবাই বলিলেন—আমিরুল মুমেনিন ! এই চেষ্ট আর এই সাবধানতার নামই ‘তাকওয়া । ( কছির, ১—৭২ পৃঃ ) । হজরতের এই উপদেশে তাকওয়া বা সংযমের পূর্ণ আদর্শ দেদীপ্যমান হইয়া উঠিতেছে এই আদর্শে উপনীত হওয়ার জন্য সাধককে সৰ্ব্বদাই সচেষ্ট থাকিতে হইবে । অন্যথা কোবৃঅানের শিক্ষা হইতে বিশেষ কোন ফল লাভ করা তাহার পক্ষে সম্ভবপর হইবে না একে একে পাশবিক রিপুগুলিকে দমিত ও শমিত করার এই যে সাধনা, ক্রমে ক্রমে অস প্রবৃত্তিগুলিকে বর্জন করার এই যে অভ্যাস-ইহাই হইতেছে এছলামী যোগ সাধনের প্রথ স্তর । ছুফীর পরিভাষায় Las a বা আত্মার শুদ্ধি ইহাকেই বলা হইয়াছে। অশুদ্ধবে বর্জন করার নামই শুদ্ধি। রোগীর দেহে যে মারাত্মক উপাদানগুলি সঞ্চিত হইয়। আছে, সে তাহার শোধনের চেষ্টা করিল না। অধিকন্তু, ক্রমাগত ভাবে নানা কপথ্য গ্রহণ করিয়া সে নিজ দেহের সাংঘাতিক কলুষ রাশিকে আরও বদ্ধিত এবং আরও মারাত্মক করিয়া তুলিতে থাকিল। এ অবস্থায় কোন চিকিৎসকই তাহাকে এই আত্মহত্য জমক প্রচেষ্ট্রর কুফুল হইতে রক্ষা করিতে পারে না। যাহার চোখে ছানি পড়িয়াছে, দুই প্রহরের স্বৰ্য্যও তাহাঁকে পথ দেখাইতে পারে না। স্থৰ্য্যের আলোক হইতে উপকার লাভের সত্যকার আকাঙ্গণ যদি তাহার থাকে, তাহা হইলে প্রথমে তাহাকে চেষ্টা করিতে হইবে-নিস্ট্রের চোখ ছটাকে নিৰ্দোৰ করিয়া লইবার। কোআনকে আল্লাহ্ তাআলা মুর বা জ্যোতি বলিয়া পুনঃ পুনঃ বর্ণনা করিয়াছেন । এই জোতি প্রতিভাত হয়—মাহুষের মানস-দর্পণে । কিন্তু নানাবিধ কৃভাব ও অসৎ প্রবৃত্তির সাহচর্য্যে আসিয়া আল্লার শ্রেষ্ঠতম ন্যামত' স্বরূপ এই দৃপণ খান। জঙ্গার ও কালিম লিপ্ত হইতে হইতে একেবারে দর্পণ নামের অধোগ্য হইয়া যায়ু, আম; পরিার ‘তৎফিফা ছুৱায়. বলা :Rits :- قلوهسم ما کلارا یکسبوری *