পাতা:কোরআন শরীফ (প্রথম খণ্ড) - মোহাম্মদ আকরম খাঁ.pdf/৪৫১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


২য় ছুর, ৩৭শ রুকু ] प्न्रुब्मि c्त्रit**{ब्म न्दञ्छ्व] 爵 8 రీx আমাদের সমস্ত সৎকর্ম ও সৎকৰ্ম্ম করার প্রতিজ্ঞাই তিনি বিদিত আছেন। কোরআনে ইহাও বলিয়া দেওঁয়া হইয়াছে যে, “সংকৰ্ম্মপরায়ণ ও পরোপকারী ব্যক্তিদিগের কৰ্ম্মফলকে আল্লাহ নষ্ট করিয়া দেন না” (হুদ, তওবা প্রভৃতি ) ৷ ২৬৫ আয়তে বলিয়া দেওয়া হইয়াছে যে, মুছলমানের সমস্ত দান ও ছাদকার উদ্দেশ্য হইতেছে দুইটী—আল্লার সন্তোষলাভের চেষ্ট। এবং জাতিকে সুদৃঢ় ও সুপ্রতিষ্ঠিত করিয়া লওয়া । অতএব আল্লার অভিপ্রায় অনুসারে অর্থব্যয় করা হইলে, এই উভয় প্রকার ফল মানুষ নিশ্চয়ই প্রাপ্ত হইবে। মাতুৰ কোন সৎকৰ্ম্মসাধন করার জন্ত যে প্রতিজ্ঞ করে, তাহাকে 'নজর' বলা হয় । আমি রজব মাসে পাচটা রোজ রাখিব, পঞ্চাশজন কাঙ্গালকে ভূরিভোজন করাইব, আমার উপার্জনের চতুর্থাংশ স্বগ্রামের স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য দান করিব-এই প্রকার প্রতিজ্ঞার নামই নজর। কোন অসঙ্গত বা সাধ্যাতীত কাজের জন্ত এইরূপ প্রতিজ্ঞ করিলে, তাহার' পূরণ করিতে হয় না। তবে এই প্রতিজ্ঞাভঙ্গের জন্ত কণী ফারা দিতে হয় । এখানে বিশেষরূপে স্মরণ রাখিতে হইবে যে, এই সকল নজরের সঙ্গে কোন শৰ্ত্ত থাকিতে পারে না। আজকাল । নজরের নামে খোদার সঙ্গে যে বেনিয়গিরি করা হয়, তাহা এছলামের শিক্ষার সম্পূর্ণ । বিপরীত। আমার ছেলেট কঠিন রোগাক্রান্ত, তাহার জীবন সম্বন্ধে হতাশ হইয়া পড়িতেছি । সেই সময় মানত করিলাম—খোদা হাকিম! আমার ছেলেটা যদি রোগমুক্ত হয়, তাহা হইলে আমি ২৫টা মিছকিন খাওয়াইয়া দিব । “আল্লাহ ধদি এই কাজ করিয়া দেন, আমি তাহা হইলে এই দীন খয়রাত করিব”—এই প্রকারের Conditional নজরের স্থান এছলামে নাই। হজরত রচুলে করিম এই প্রকার নজর মানিতে স্পষ্ট ভাষায় নিষেধ করিয়া দিয়াrছন উহাকে কৃপণের অনর্থক অর্থদণ্ড বলিয়া উল্লেখ করিয়াছেন (বোখারা, মোছলেম)। ২৯০ দশন গোপন করা ঃ– যে সকল ছদকা ওয়াজেব বা এছলামের আইন অনুসারে অপরিহার্য্য নহে, এখানে সেইগুলির কথা বলা হইতেছে। হজরত বলিয়াছেন, এরূপ সঙ্গোপনে দান করিকে যে, তোমার দক্ষিণ হস্ত যাহা দান করে, তোমার বাম হস্ত যেন তাহ! জানিতে নাপারে ( বোখারী) । জাকাত, ওশর প্রভৃতি ফরজ ছাদকাগুলি কর-হিসাবে আদায় করা হয়, সুতরাং তাহা গোপন করা যায় না, নানা কারণে তাহা গোপন করা সঙ্গতও নহে। .এছনাৰুে সমস্ত এবাদত ও সৎকর্শ্বের একটা সাধারণ নিয়ম এই যে, যে সকল এবাদতের সহিত জাতীয়তার একটা গভীর সম্বন্ধ আছে, সেগুলি সম্পাদন করিতে হয় প্রকান্তভাবে, সকলের সঙ্গে একত্রে। তাই ফরজ নামাজ জমাতে পড়িতে হয়, সেজন্য মছজিদে উপস্থিত হইতে হয়। কিন্তু নফল নামাজ নিভৃতে গোপন গৃহকোণে পড়িবার আদেশ দেওয়া হইয়াছে। দান ছাদকা সম্বন্ধেও এই কথা । ব্যক্তিগত দান খয়রাত যত গৈাপনে ও মানুষের অজ্ঞাতসারে হয়, ততই উত্তম। যে সকল দোৰে দানে গা ঘটিা যায়, ইহাতে