পাতা:কোরআন শরীফ (প্রথম খণ্ড) - মোহাম্মদ আকরম খাঁ.pdf/৪৫২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ક્રવ્ય কোরআন শরীফ [ তৃতীয় পার। SeeeMeeeAM MAeAeeAeeMeMAeeS MSMS MMeMeMeeeeeeA AMMeAMMAMA AAMAMAeAeeAMeeAMMAMMAeMAAA AAAA AAAASASASS তাহার আশঙ্কা থাকে না। পক্ষাস্তরে দানগ্রাহী দীন দুঃখীদিগকেও লোকসমাজে হেয় হইতে হয় না। কিন্তু বড়ই দুঃখের বিষয়, আজকাল যেমন তেমন কোন একটা কাজ করিলে অথবা কোন জাতীয় অনুষ্ঠানে দুই চারি অানা পয়সা দান করিলে, সংবাদপত্রের মারফতে তাহার ঢোল শোহরত না করাইতে পারিলে মুছলমানের যেন তৃপ্তি হয় না। ২৯১ জাতি ধৰ্ম্ম নিবির্বশেষে দান করা কৰ্ত্তব্য – এছলামের প্রাথমিক যুগে মুছলমানদিগের আর্থিক অবস্থা সাধারণতঃ অত্যন্ত শোচনীয় ছিল। তাই অবস্থাপন্ন লোকেরা কেবল মুছলমানদিগকে দান করিতেন। হজরত রচুলে করিম ঐ সময় কেবল দরিদ্র মুছলমানদিগকে দান করিতে আদেশ করিয়াছিলেন বলিয়াও ছাহাবাগণ বর্ণনা করিয়াছেন। এই আয়ত নাজেল হইলে, হজরত ঘোষণা করিয়া দেন– দান সম্বন্ধে বংশ ও ধৰ্ম্মের বিচার করা উচিত নহে। দুস্থ মাতুৰ মাত্রকেই দান করিবে, তা সে যে ধর্মের লোক হউক না কেন ( নাছাই, এবনে-আবি-হাতেম প্রভৃতি ) । অধিকাংশ অালেমের মতে ফরজ ছাদকাগুলি এই আদেশ হইতে বর্জিত। কিন্তু একদল আলেম এই অস্তিকে প্রমাণস্বরূপ উপস্থিত করিয়া বলেন যে, ফরজ বা নফল সকল প্রকারের ছাদক সকল ধৰ্ম্মাবলম্বী দুস্থ দীনদুঃখীকে দান করিতে হইবে । র্তাহারা বলেন যে, কোবৃঅান সাধারণভাবে দীনদুঃখীকে ফরজ ছাদকার একটা অংশ দান করিতে আদেশ করিয়াছে। মুছলমানকে দিতে হইবে বা অমুছলমানকে দেওয়া হইবে না, এরূপ কোন ইঙ্গিতও কোর্আনের কোন অস্থিত হইতে পাওয়া যাইতেছে না। এ অবস্থায় কোবৃঅানের সাধারণ ও ব্যাপক আদেশকে, কেবল মুছলমানের জন্য বিশেষিত ও সীমাবদ্ধ করিয়া লওয়া সঙ্গত হইবে नी । , আলেমগণের সাধারণ মতের বিপরীত, এমাম আবুহানিফ ছাহেব জিম্বী-অমুছলমানদিগকে ফেৎরা দান করার ব্যবস্থা দিয়াছেন। - আয়তে প্রথমে হজরত রচুলে করিমকে এবং পরে র্তাহার সমস্ত উন্মতকে সম্বোধন করিয়া বলা হইতেছে যে, হেদায়ত গ্রহণ করাইয়া সমস্ত মানুষকে মুছলমান করিয়া লইতে হইবে, এ দায়ীত্ব তোমাদিগকে দেওয়া হয় নাই। সত্যকে স্পষ্টভাবে প্রকাশ করিয়া দেওয়া মাত্র তোমাদের কৰ্ত্তব্য । তোমরা এই কৰ্ত্তব্যপালন করার পরও যদি কেহ তাহাকে গ্রহণ না করে, তাহা হইলে মানুষ হিসাবে তোমাদের প্রতি তাহার যে দাবী এবং তাহার প্রতি তোমাদের যে কৰ্ত্তব্য, তাহ অস্বীকার করা মুছলমান বান্দার পক্ষে কশ্বন সঙ্গত । হইতে পারে না । ২৯২ দীনের ধন ফিরিয়া আসে ঃ– তফস্থিরকণরগণের সাধারণ মত এই যে, এখানে পরকালের কথাই বলা হইতেছে । অর্থাৎ তোমরা ইহকালে যে সকল অর্থের সদ্ব্যয় করিবে, পরকালে তাহার পূর্ণ সুফলপ্রাপ্ত