পাতা:কোরআন শরীফ (প্রথম খণ্ড) - মোহাম্মদ আকরম খাঁ.pdf/৪৫৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


২য় ছুর, ৩৮শ রুকু’ ] সম্ভদ ও ব্যবসাক্সের তারতম্য وخصد نبع পারে না, বিশিষ্ট পণ্ডিতগণ অকাট্য যুক্তি প্রমাণ দ্বারা তাহ সপ্রমাণ করিয়া দিয়াছেন ( দেখ, কবির ২—৫৩২ )। আমরা যখন কাহাকে পিশাচ বা কোন বিষয়কে পৈশাচিক কাণ্ড বলিয়ু উল্লেখ করি, তখন সংস্কৃত পিশিতাশ বা মাংসাশী প্রেতযোনির অস্তিত্ব কখনই স্বীকার করিয়া লই না । জাতির মধ্যকার কতকগুলি লোক সুদ খাইতে আরম্ভ করিলে আর্থিক বা নৈতিক হিসাবে সমাজের উৎকর্ষ সাধিত হইতে পারে, ইহার ন্যাস্থ ভ্রান্ত ধারণা আর কিছুই হইতে পারে না। পরস্ত অপহরণের হীন আকাঙ্খ, দুস্থ দীন দুঃখীর শোণিত শোষণের দুৰ্ব্বার পিপাসা, সুদখোর মহাজনদিগের জীবনের একমাত্ৰ সাধ ও একমাত্র সাধনা হইয়া থাকে । এজন্য মানবতার সমস্ত সংবৃত্তিকে বিসজ্জন দিতে এবং দুনার সব পাশবিক ও পৈশাচিক । ভাবকে অণকড়াইয়া ধরিতে সে একটুও কুষ্ঠিত হয় না। পক্ষ স্তরে, সুদের ব্যবসায়' দ্বারা মহাজনগণ জাতীয় ধনকে নিজেদের ভাণ্ডারে কেন্দ্রীভূত করিয়া লয়—এবং তাহদের ভাণ্ডার পুষ্ট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জাতিও ক্রমশঃ দরিদ্র হইয়। পড়িতে থাকে । ইহার ফলে দরিদ্রতার ক্রমানুসারে জাতি সমস্ত সদ্‌গুণ হইতে বঞ্চিত হইয়া পড়ে, অভাবে তাহার স্বভাব নষ্ট হইয়া, যাইতে থাকে । এই নৈতিক ও আর্থিক প্রতিবেশের স্বভাব ধৰ্ম্ম ক্রমে ক্রমে সুদখোরকে বেষ্টন করিয়া ফেলে, এবং তাহাকেও নিজের কৰ্ম্মফল ভোগ করিতে হয় । ফলতঃ সুদ- . থোরের জীবন আদৌ কোন দৃঢ় ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত নহে। নিজের মানসিক বিকার হেতু সে যাহাকে নিজের উন্নতি বলিয়া ধারণা করিতেছে, বস্তুতঃ সেটাই হইতেছে তাহার পতন, তাহার সর্বনাশ । ২৯৬ সুদ ও ব্যবসার তারতম্য :– স্বদ সম্বন্ধে স্থশ্নভাবে আলোচনা করিতে হইলে, সর্পপ্রথমে তাহার একটা পূর্ণ ব্যাপক ও শাস্ত্রসঙ্গত সংজ্ঞা-প্রদান করা আবশ্বক। কোবৃঅানের আদেশে'আমরা জানিতে পারি, তেছি যে, “রেবণ” সৰ্ব্বত্র সকল যুগে ও সকল অবস্থায় হারাম। কিন্তু "রেব।” কাহাকে বলে, কোরআনে তাহ বলিয়া দেওয়া হয় নাই ! আমরা যতদূর জানি—হজরত রচুলে করিমও উহার কোন সংজ্ঞা বলিয়া দেন নাই। এ সম্বন্ধে অনেক আলোচনা হইয়াছে এবং বিশিষ্ট ছাহাবাগণের নামকরণে এমন কথাও বলা হইয়াছে,—যাহাদ্বারা প্রকারাস্তরে প্রমাণ হয় যে, হজরত ছেলে করিম স্বদের মছলাটা উথংকে ভাল কৰি বুঝাইবা দিবার পূৰ্বেই পরলোক 'গমন করিয়াছিলেন—অর্থাৎ এত বড় গুরুতর বিষয়ে এছলাম অসম্পূর্ণ রহিয়া গিয়াছে। "রেবা”কে কোরআন-হাদিছে এত কঠোরতার সহিত হারাম কর। ಕ್ಲೌಡ, অথচ তাহাতে উহার কোন সংজ্ঞা দেওয়া হয় নাই ; পুনঃপুন "রেবা” সম্বন্ধে আয়ত অবতীর্ণ হইল; অথচ কোন ছাহাবীই হজরতকে তাহার সংজ্ঞা সম্বন্ধে কোন প্রশ্ন করিলেন না— বাহতঃ ইহা আশ্চৰ্য্যজনক বলিয়াই মনে হয়। কিন্তু একটু ভাবিয়া দেখিলে জীন ৰাইবে