পাতা:কোরআন শরীফ (প্রথম খণ্ড) - মোহাম্মদ আকরম খাঁ.pdf/৪৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


లం . प्रुझंझन्दलङ्वां [ প্রথম পারা অর্থাৎ—“বরং, তাহাদিগের স্বকৃত কৰ্ম্মফলগুলিই তাহাদিগের হৃদৰে মরিচারূপে জমিয়া so গিাছে ।” চোখের ছানি এবং মানস দর্পণের মরিচ একই কথা। ফলে, সমস্ত কুভাব, কুপ্রবৃত্তি, কুসংস্কার এবং কুকৰ্ম্ম হইতে আত্মরক্ষা করার একটা সত্যকার চেষ্টা ও যথার্থ সন্ধর যাহার আছে, কোআনের মুর গন্তব্য পথকে উদ্ভাবিত করিয়া দেয়—তাহারই সম্মুখে, আর আল্লাহ স্বয়ং পর্থের সাথী হইয়া (ছত্রা নহল—শেষ আয়ত) প্রকাশমান হন—এই সাধকের সম্মুখে । t 劇 , অহঙ্কার, হিংস, পরশ্ৰীকাতরত, লোভ, অত্যাচার, মিথ্যাবাদীতা, রিয়াকারী, কৃপণতা ও কাপুরুষতা প্রভৃতি মন্দভাব ও মন্দ প্রবৃত্তিগুলি বর্জন করার আদেশ কোবৃঅান ও অসংখ্য ছহি হাদিছে বিশেষ তাকিদের সহিত বর্ণিত হইয়াছে। এই তফছিরে যথাযথ স্থানে এই সকল বিষয়ের আলোচনা করা হইবে। এখানে এইটুকু নিবেদন করিয়া রাখিতেছি যে, এই ভাব ও প্রবৃত্তিগুলিকে বর্জন করার নামই তাকৃওয়া’ । এই বর্জন মানবজীবনের একটা গুরুতর সাধন, এবং এ সাধনায় সিদ্ধিলাভের জন্য সৰ্ব্ব প্রথম আবশ্বক হয় দৃঢ় ও অবিচল সঙ্কল্পের। বর্জনের এই নিযুত বা সঙ্কল্প অবলম্বন করার পর কোরআনের আশ্রয় গ্রহণ করিলে আত্মশুদ্ধির এই প্রাথমিক সাধনা সিদ্ধ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে, মানব জীবনের একমাত্র সাফল্যরূপ খোদা-প্রাপ্তির পথ সাধকের পক্ষে সুগম হইয়া উঠে । সাধারণ পাঠকগণের অবগতির জন্য এই প্রসঙ্গের কয়েকটা হাদিছ এখানে উদ্ধৃত করিয়া দিতেছি ঃ– ১। হজরত বলিয়াছেন—তোমরা কৃপণতার ত্রিসীমাও পদার্পণ করিও না, কারণ তোমাদিগের পূর্ববর্তী লোকের এই কৃপণতার পাপেই ধ্বংস প্রাপ্ত হইয়াছে। (আবু দাউদ)। ২। হজরত বলিয়াছেন—তোমাদিগের পূর্ববর্তী জাতি সমূহের মহা ব্যাধি নীরবে ও ধীরে ধীরে তোমাদিগের পানে অগ্রসর হইতে আরম্ভ করিয়াছে—সে মহা ব্যাধি হইতেছে— হিংস ও পরশ্ৰীকাতরতা । এই ব্যাধি ধৰ্ম্মকে একেবারে ধ্বংস করিয়া ফেলে। আমার প্রাণের মালেক যিনি, তাহার দিব্য করিয়া বলিতেছি—মোমেন না হওয়া পৰ্য্যন্ত তোমরা বেহেশতে প্রবেশ করিতে পরিবে না, আর পরস্পর পরষ্পরকে প্রেম করিতে না শিখা পৰ্য্যন্ত তোমরা মোমেন হইতে পারিবে না। (তিবৃমিজী ) । ৩। হজতে বলিয়াছেন—সম্পদের মায়া ও সম্মানের মোহ মাহুষের ধৰ্ম্মে যে বিপর্য্যয় ঘটাই থাকে, দুইটা বুভূক্ষ শাৰ্দ্দল কোন এক মেষপালে প্রবেশ করিয়াও তাহার ততটা ক্ষতি সাধন করিতে পারে না । (তিবৃমিজী ) । . ৪ কাহার অগোচরে তাহার নিন্দ করাকে গীবৎ বলা হয়। কোরআন ও হাদিছে পষ্ট ক্ষরে বলিয়া দেওয়া হইয়াছে যে, নিজের মৃত ভ্রাতার দেহের গলিত মাংস ভক্ষণ করা আর ইংৎ করা সমান দ্বণিত। (আবু দাউদ, তিমিজী, প্রভৃতি)। ;